• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯

 

দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তাকে ঘুষ : বরখাস্ত ডিআইজি করছে অভিযোগ দুদক বলছে অনুসন্ধান বিতর্কিতকরণ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ০৯ জুন ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

আলোচিত পুলিশের জিআইজি (বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত) মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদ থাকার তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পুলিশের ১২ ব্যাচের এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি মামলা করার সুপারিশ করে অনুসন্ধান প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিয়েছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুর বাছির। এদিকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ডিআইজি (সাময়িক বরখাস্ত) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলাকালে অনুসন্ধানের দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার দাবি করেছেন ডিআইজি মিজান। তার অভিযোগ- টাকা নিয়েও তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা। টাকার বিষয় নিয়ে আলোচনা ও অনুসন্ধান বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার সংক্রান্ত বিষয়ে অনুসন্ধান কর্মকতার সঙ্গে টেলিফোনে কথাবার্তার অডিও ফাঁস করেছেন ডিআইজি মিজান। তবে দুদকের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন জানিয়ে বলা হয়েছে, অবৈধ সম্পদের অভিযোগে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। মূলত নিজেকে বাঁচাতে ও দুদকের অনুসন্ধান বিতর্কিত করতে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ দাঁড় করিয়েছেন ডিআইজি মিজান। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ ও দুদক কমিশনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ডিআইজি মিজান টেলিফোনে এ প্রতিবেদককে বলেন, তার বিরুদ্ধে দুদকের পক্ষ থেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হলে তিনি দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। প্রথম অনুসন্ধান কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীর কাছে তিনি বলেন, ট্যাক্স ফাইলের বাইরে তার কোনো সম্পদ নেই। থাকলে যে কোনো ব্যবস্থা তারা নিতে পারেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয় অনুসন্ধান কর্মকর্তা খন্দকার এনামুর বাছিরের সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাৎ হয় ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে। তিনি এনামুর বাছিরের সঙ্গে দেখা করতে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ে যান। ওইদিন অনুসন্ধান কর্মকর্তা আমাকে বলেন, আমার মোবাইল ফোন নম্বর নিয়ে যান অথবা আমাকে একটি ফোন কিনে দেন। অনুসন্ধান কর্মকর্তার কথামতো আমি ২ হাজার টাকা দিয়ে একটি মোবাইল ফোনসেট কিনে দিই। ওই মোবাইল ফোনসেট ব্যবহারের জন্য ০১৪০১৯৪৪৯১৫ নম্বরের একটি সিম কিনে দিই। সিমটি আমার বডিগার্ড হৃদয়ের নামে নেয়া। নম্বরসহ মোবাইল ফোনসেট তার কাছে পৌঁছে দেয়ার পর ওই মোবাইল ফোনে অনুসন্ধান কর্মকর্তা আমার সঙ্গে কথা বলতেন, মেসেজ পাঠাতেন। একদিন ফোন করে অনুসন্ধান কর্মকর্তা আমাকে রমনা পার্কে দেখা করতে বলেন। ওইদিন আমি তার কথামতো একটি বাজারের ব্যাগে নগদ ১৫ লাখ টাকা নিয়ে যাই। ওই টাকা দিয়ে আমার গাড়িতে তাকে মির্জা আব্বাসের বাড়ির কাছে নামিয়ে দিই। এরপর তিনি বাকি টাকার জন্য আমাকে চাপ দেন। তার কথামতো ২৫ ফেব্রুয়ারি আমি ১৫ লাখ টাকা নিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের কাছে যাই। তিনি আমাকে বলেন, আমাকে কেউ ফলো করছে। একপর্যায়ে আমি তাকে আমার গাড়িতে তুলে নিই এবং আগের মতো ১৫ লাখ টাকা দিয়ে মির্জা আব্বাসের বাড়ির কাছে পৌঁছে দিই। দুই দফা টাকা নেয়ার সময় তিনি আমাকে বলেছেন, আপনার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। আগের অনুসন্ধান কর্মকর্তা আপনার বিষয়ে অবিচার করেছেন। এরপর তিনি আবারও আমার কাছে আরও ১০ লাখ টাকা ও একটি গাড়িও দাবি করে। আমি তাকে বলি, ভাই, আগের টাকা আমি আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে দিয়েছি। গাড়ির বিষয়টি আমি দেখব। কারণ আমি নিজে সরকারি গাড়িতে চড়ি। তাকে বলি, আপনি যদি এভাবে আমাকে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন, তাহলে আমি আপনার ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে কথা বলতে বাধ্য হব। আমার বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ না থাকে, তাহলে আপনারা কেন রিপোর্ট দিতে দেরি করছেন। সর্বশেষ গত ৩০ জুন তিনি পুলিশ প্লাজায় আমার স্ত্রীর দোকানে যান। সেখানে তিনি আমার সঙ্গে কথা বলেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করি আমার রিপোর্টের কী হলো? তখন তিনি আমাকে বলেন, এক সপ্তাহ আগে আমি কমিশনে রিপোর্ট জমা দিয়েছি। আমি কমিশন ও চেয়ারম্যানের চাপে আপনার বিরুদ্ধে প্রতিবেদনে মামলার সুপারিশ করেছি। তখন আমি তাকে বলি, তাহলে আপনি আমার সঙ্গে কেন দেখা করতে এসেছেন? ডিআইজি মিজানের দাবি-অনুসন্ধান কর্মকর্তার সঙ্গে তার যত কথা হয়েছে, এর সব অডিও রেকর্ড করা আছে। মোবাইল ফোনে যখন যে মেসেজ বিনিময় হয়েছে, তাও আমার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

ডিআইজি মিজান বলেন, দুদক কর্মকর্তাকে টাকা দেয়ার সময় তার সরকারি গাড়ির চালক ও বডিগার্ড সঙ্গে ছিলেন। তারাও বিষয়টি জানেন। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কয়েক কর্মকর্তা ও তার কয়েক সহকর্মীও বিষয়টি জানেন।

এ বিষয়ে দুদকের উপ-পরিচালক (গণমাধ্যম) প্রণব কুমার ভট্টচার্য জানান, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে দুদক। তার বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে এ ধরনের অভিযোগ দুদকের অনুসন্ধানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যও হতে পারে। অনুসন্ধান কর্মকর্তার যে ফুটেজ গণমাধ্যমে দেখানো হয়েছে, সেখানে দেখা গেছে-ডিআইজি মিজানের স্ত্রীর নামে পুলিশ প্লাজায় একটি দোকান রয়েছে। ওই দোকানে অনুসন্ধান কর্মকর্তা তদন্তের প্রয়োজনে গিয়েছেন। দুদকের কোনো কর্মকর্তা অনুসন্ধান বা তদন্তকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কোনো সুবিধা নেয়া বা ঘুষ নেয়ার নজির নেই। এ ধরনের অভিযোগ অনেক সময় দুদকের কার্যক্রমকে বিতর্কিত করার জন্য করে থাকে।

উল্লেখ, এক নারীকে জোর করে বিয়ে ও নির্যাতন করা ঘটনা গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিআইজি) মিজানকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে একটি বেসরকারি টিভির এক উপস্থাপকের নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়া ও হত্যার হুমকির অভিযোগও ওঠে। এসব অভিযোগের মধ্যে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ গড়ার অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

নকশা জালিয়াতির অভিযোগে এফআর টাওয়ারের মালিক গ্রেফতার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রাজধানীর বনানীতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ এফ আর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের করা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে টাওয়ার মালিক

রাজধানীতে কোটি টাকা মূল্যের জাল স্ট্যাম্পসহ গ্রেফতার ২

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অবৈধভাবে সরকারি রেভিনিউ স্ট্যাম্প জাল করে ক্রয়-বিক্রয়ের অভিযোগে দুই

ঘুষের মামলায় নামজুল হুদা দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশীট

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ঘুষের মামলায় সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (৫ আগস্ট)

sangbad ad

মাহী বি চৌধুরী ও তার স্ত্রীকে তলব করে দুদকের চিঠি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আওয়ামী লীগের প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিকল্প ধারা বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী ও তার স্ত্রী আশফাহ্ হক লোপাকে

গোয়েন্দা তবে টাকা উত্তোলন করে বেরিয়ে আসা ব্যক্তিদের : আটক ৬

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে কালো গ্লাসের মাইক্রোবাস নিয়ে অপেক্ষা করতো তারা। টার্গেট থাকতো ব্যাংক বা এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করে

ডেঙ্গু পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি : ৪ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ডেঙ্গু পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি নেয়ার অপরাধে রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক স্পেশালাইজড হাসপাতাল, সেন্ট্রাল হাসপাতাল, ল্যাব সাইন্স, ধানমন্ডি ক্লিনিক

বিমানের সাবেক এমডি মুসাদ্দিকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিমানের পাইলট নিয়োগ, কেনাকাটাসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী

সন্তানের আঘাতে বাবার মৃত্যু

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে তার দুই সন্তনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহিনুর

৮০ লাখ টাকার উৎস সম্পর্কে জানেন না ডিআইজি প্রিজন্স

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে সিলেটের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) পার্থ গোপাল বণিককে গ্রেফতার করা হয় এবং তার বাসা

sangbad ad