• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯

 

দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তাকে ঘুষ : বরখাস্ত ডিআইজি করছে অভিযোগ দুদক বলছে অনুসন্ধান বিতর্কিতকরণ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ০৯ জুন ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

আলোচিত পুলিশের জিআইজি (বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত) মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদ থাকার তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পুলিশের ১২ ব্যাচের এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি মামলা করার সুপারিশ করে অনুসন্ধান প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিয়েছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুর বাছির। এদিকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ডিআইজি (সাময়িক বরখাস্ত) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলাকালে অনুসন্ধানের দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার দাবি করেছেন ডিআইজি মিজান। তার অভিযোগ- টাকা নিয়েও তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা। টাকার বিষয় নিয়ে আলোচনা ও অনুসন্ধান বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার সংক্রান্ত বিষয়ে অনুসন্ধান কর্মকতার সঙ্গে টেলিফোনে কথাবার্তার অডিও ফাঁস করেছেন ডিআইজি মিজান। তবে দুদকের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন জানিয়ে বলা হয়েছে, অবৈধ সম্পদের অভিযোগে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। মূলত নিজেকে বাঁচাতে ও দুদকের অনুসন্ধান বিতর্কিত করতে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ দাঁড় করিয়েছেন ডিআইজি মিজান। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ ও দুদক কমিশনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ডিআইজি মিজান টেলিফোনে এ প্রতিবেদককে বলেন, তার বিরুদ্ধে দুদকের পক্ষ থেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হলে তিনি দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। প্রথম অনুসন্ধান কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীর কাছে তিনি বলেন, ট্যাক্স ফাইলের বাইরে তার কোনো সম্পদ নেই। থাকলে যে কোনো ব্যবস্থা তারা নিতে পারেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয় অনুসন্ধান কর্মকর্তা খন্দকার এনামুর বাছিরের সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাৎ হয় ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে। তিনি এনামুর বাছিরের সঙ্গে দেখা করতে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ে যান। ওইদিন অনুসন্ধান কর্মকর্তা আমাকে বলেন, আমার মোবাইল ফোন নম্বর নিয়ে যান অথবা আমাকে একটি ফোন কিনে দেন। অনুসন্ধান কর্মকর্তার কথামতো আমি ২ হাজার টাকা দিয়ে একটি মোবাইল ফোনসেট কিনে দিই। ওই মোবাইল ফোনসেট ব্যবহারের জন্য ০১৪০১৯৪৪৯১৫ নম্বরের একটি সিম কিনে দিই। সিমটি আমার বডিগার্ড হৃদয়ের নামে নেয়া। নম্বরসহ মোবাইল ফোনসেট তার কাছে পৌঁছে দেয়ার পর ওই মোবাইল ফোনে অনুসন্ধান কর্মকর্তা আমার সঙ্গে কথা বলতেন, মেসেজ পাঠাতেন। একদিন ফোন করে অনুসন্ধান কর্মকর্তা আমাকে রমনা পার্কে দেখা করতে বলেন। ওইদিন আমি তার কথামতো একটি বাজারের ব্যাগে নগদ ১৫ লাখ টাকা নিয়ে যাই। ওই টাকা দিয়ে আমার গাড়িতে তাকে মির্জা আব্বাসের বাড়ির কাছে নামিয়ে দিই। এরপর তিনি বাকি টাকার জন্য আমাকে চাপ দেন। তার কথামতো ২৫ ফেব্রুয়ারি আমি ১৫ লাখ টাকা নিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের কাছে যাই। তিনি আমাকে বলেন, আমাকে কেউ ফলো করছে। একপর্যায়ে আমি তাকে আমার গাড়িতে তুলে নিই এবং আগের মতো ১৫ লাখ টাকা দিয়ে মির্জা আব্বাসের বাড়ির কাছে পৌঁছে দিই। দুই দফা টাকা নেয়ার সময় তিনি আমাকে বলেছেন, আপনার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। আগের অনুসন্ধান কর্মকর্তা আপনার বিষয়ে অবিচার করেছেন। এরপর তিনি আবারও আমার কাছে আরও ১০ লাখ টাকা ও একটি গাড়িও দাবি করে। আমি তাকে বলি, ভাই, আগের টাকা আমি আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে দিয়েছি। গাড়ির বিষয়টি আমি দেখব। কারণ আমি নিজে সরকারি গাড়িতে চড়ি। তাকে বলি, আপনি যদি এভাবে আমাকে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন, তাহলে আমি আপনার ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে কথা বলতে বাধ্য হব। আমার বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ না থাকে, তাহলে আপনারা কেন রিপোর্ট দিতে দেরি করছেন। সর্বশেষ গত ৩০ জুন তিনি পুলিশ প্লাজায় আমার স্ত্রীর দোকানে যান। সেখানে তিনি আমার সঙ্গে কথা বলেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করি আমার রিপোর্টের কী হলো? তখন তিনি আমাকে বলেন, এক সপ্তাহ আগে আমি কমিশনে রিপোর্ট জমা দিয়েছি। আমি কমিশন ও চেয়ারম্যানের চাপে আপনার বিরুদ্ধে প্রতিবেদনে মামলার সুপারিশ করেছি। তখন আমি তাকে বলি, তাহলে আপনি আমার সঙ্গে কেন দেখা করতে এসেছেন? ডিআইজি মিজানের দাবি-অনুসন্ধান কর্মকর্তার সঙ্গে তার যত কথা হয়েছে, এর সব অডিও রেকর্ড করা আছে। মোবাইল ফোনে যখন যে মেসেজ বিনিময় হয়েছে, তাও আমার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

ডিআইজি মিজান বলেন, দুদক কর্মকর্তাকে টাকা দেয়ার সময় তার সরকারি গাড়ির চালক ও বডিগার্ড সঙ্গে ছিলেন। তারাও বিষয়টি জানেন। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কয়েক কর্মকর্তা ও তার কয়েক সহকর্মীও বিষয়টি জানেন।

এ বিষয়ে দুদকের উপ-পরিচালক (গণমাধ্যম) প্রণব কুমার ভট্টচার্য জানান, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে দুদক। তার বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে এ ধরনের অভিযোগ দুদকের অনুসন্ধানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যও হতে পারে। অনুসন্ধান কর্মকর্তার যে ফুটেজ গণমাধ্যমে দেখানো হয়েছে, সেখানে দেখা গেছে-ডিআইজি মিজানের স্ত্রীর নামে পুলিশ প্লাজায় একটি দোকান রয়েছে। ওই দোকানে অনুসন্ধান কর্মকর্তা তদন্তের প্রয়োজনে গিয়েছেন। দুদকের কোনো কর্মকর্তা অনুসন্ধান বা তদন্তকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কোনো সুবিধা নেয়া বা ঘুষ নেয়ার নজির নেই। এ ধরনের অভিযোগ অনেক সময় দুদকের কার্যক্রমকে বিতর্কিত করার জন্য করে থাকে।

উল্লেখ, এক নারীকে জোর করে বিয়ে ও নির্যাতন করা ঘটনা গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিআইজি) মিজানকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে একটি বেসরকারি টিভির এক উপস্থাপকের নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়া ও হত্যার হুমকির অভিযোগও ওঠে। এসব অভিযোগের মধ্যে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ গড়ার অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে এনামুল : নতুন অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে ‘দায়মুক্তির’ চুক্তিতে ৪০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেনে ফেঁসেছেন অভিযোগ সংশ্লিস্ট পুলিশের ডিআইজি

বরখাস্ত দুদক পরিচালকের ঘুষ নেওয়ার বিষয়টির প্রমাণ রয়েছে বলে ডিআইজি মিজানুরের দাবি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতি দমন কমিশনের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট বললেও অভিযোগকারী

অনুসন্ধানের তথ্য অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে প্রকাশ করায় খন্দকার এনামুল বাছির সাময়িক বরখাস্ত : দুদক চেয়ারম্যান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধান করতে গিয়ে পুলিশের ডিআইজি (বরখাস্ত) মোঃ মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া এবং গাড়ি

sangbad ad

ভূয়া কাগজপত্রে সরকারকে জড়িত করে ২৫ কোটি টাকা ঋণ আত্মসাৎ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ভূয়া কাগজপত্র দিয়ে বাংলাদেশ ডেভেলোপমেন্ট ব্যাংক(বিডিবিএল) থেকে ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে টিপু সুলতান নামে এক ব্যবসায়ী।

লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের কানুনগো মেজবাহ বরখাস্ত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতি এবং অসদাচরণের প্রমাণ পাওয়ায় ঢাকার লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের কানুনগো এইচ এম মেজবাহ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আমদানিকারকের স্টিকার না বসিয়ে ইচ্ছেমতো মূল্যে বিদেশি পণ্য বিক্রি : জরিমানা তিন লাখ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিদেশি পণ্যের মোড়কে আমদানিকারক স্টিকার নেই। ইচ্ছেমতো দাম নিয়ে ভোক্তাদের ঠকানো হচ্ছে। এ অপরাধে রাজধানীর বেইলি রোডের

বরখাস্ত কর্নেল শহীদ খানের জঙ্গি সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে লন্ডন পুলিশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

লন্ডনে পালানো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বরখাস্ত হওয়া কর্নেল শহীদ উদ্দিন খানের জঙ্গি সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে সেখানকার পুলিশ। সেখানে

সিনেমায় নায়িকা না হতে পেরে বাস্তবে খলনায়িকা!

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অভিনব কায়দায় প্রতারণা করে সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া একটি চক্রের মূলহোতা সুন্দরী তানিয়াসহ

আরও এক মানব পাচারকারী গ্রেফতার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মানব পাচারে জড়িত চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন

sangbad ad