• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯

 

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে এনামুল : নতুন অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ১২ জুন ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

দুদক পরিচালক (বরখাস্ত) খন্দকার এনামুল বাছির

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে ‘দায়মুক্তির’ চুক্তিতে ৪০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেনে ফেঁসেছেন অভিযোগ সংশ্লিস্ট পুলিশের ডিআইজি (বরখাস্ত) মিজানুর রহমান এবং অভিযোগ অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদক পরিচালক (বরখাস্ত) খন্দকার এনামুল বাছির। ঘুষ লেনদেন নিয়ে দুই কর্মর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে সংশ্লিস্ট দপ্তর। এদিকে ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধানের জন্য নতুন অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মঞ্জুর মোরদেশকে নুতন অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ঘুষ লেনদেনে তথ্য যদি সঠিক হয় তাহলে ঘুষ দেওয়া ডিআইজি মিজান ও ঘুষ নেওয়া দুদক পরিচালক( বরখাস্ত) খন্দকার এনামুল বাছিল দুজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১১ জুন বুধবার এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘ডিআইজি মিজান নিশ্চয়ই অপরাধ ঢাকতে ঘুষ দিয়েছেন। তার আগের অপরাধের বিচার চলছে। নতুন করে যদি ঘুষ দেওয়ার মতো অপরাধ করে থাকেন তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি কেন ঘুষ দিয়েছেন? নিশ্চয়ই তার কোনও দুর্বলতা আছে। তা না হলে সে কেন ঘুষ দেবে? দুর্বলতা ঢাকতে সে ঘুষ দিয়েছে। ঘুষ দেওয়া-নেওয়া দুটোই অপরাধ। তার বিরুদ্ধে আগের অভিযোগের ভিত্তিতে বিচার এখনও প্রক্রিয়াধীন।

পুলিশ সদর দফতরের একটি সূত্র জানায়, দুদক কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়া এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া সংবাদ মাধ্যমে এ বিষয়ে কথা বলার ঘটনায় ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে। একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মিজানুর রহমান যেহেতু একজন ডিআইজি, সে জন্য তার চেয়ে সিনিয়র অর্থাৎ অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করবেন। তিনি তদন্ত করে সুপারিশ সহকারে প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেবেন।

পুলিশের সাবেক আইজি এ কে এম শহিদুল হক বলেন, ডিআইজি মিজান ঘুষ দিয়ে থাকলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে। মিজানুর রহমান একজন শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা। আইন তার জানার কথা। যদি তিনি করে থাকেন, কাজটি ঠিক করেননি।

এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, “তার (ডিআইজি মিজান) ব্যক্তিগত কোনো কাজের দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না। পুলিশ হিসাবে বাড়তি কোনো সুযোগও তিনি পাবেন না। দোষি প্রমাণিত হলে সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিস্ট সূত্র জানায়, এক নারীকে অস্ত্রের মুখে বিয়ে করা এবং ওই বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওই নারীকে নির্যতানের অভিযোগ উঠে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে। কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তার প্রভা বিয়ের কথা প্রকাশ করায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাকে গ্রেফতার ও নির্যাতন, এক সংবাদ পাঠিকা ও এক নারী রিপোর্টারকে যৌন হয়রানির খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পেয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। প্রথমে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীকে দায়িত্ব দেয় দুদক। ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীর তলবী নোটিশে ডিআইজি মিজান দুদকে সম্পদ বিবরনী দাখিল করে। এরপর ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীকে সরিয়ে নতুন অনুসন্ধান কর্মকর্তা দেওয়া হয় খন্দকার এনামুল বাছিরকে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে খন্দকার এনামুল বাছির ডিআইজি মিজানের সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করে। ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি পুলিশের নিয়োগ, বদলিতেও একসময় ভূমিকা রাখতেন । গ্রেফতার ও মামলা দিয়ে হয়রানি করে টাকা আদায় করতেন। ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন ডিআইজি মিজান। সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনারও ছিলেন তিনি। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ছিলেন। ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শুরু হলে তিনি দ্বিতীয় অনুসন্ধান কর্মকর্তা খন্দকার এনামুল বাছিরকে ঘুষের ট্রাফে ফেলেন। নিজেকে বাচাঁতে দুদক পরিচালককে ২ দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেন। ঘুষের লেনদেনের তথ্য তিনি মোবাইলে কথা বলেন এবং সেই কথা তিনি রেকর্ড করে রাখেন। প্রশ্ন হলে যে ৪০ লাখ টাকা তিনি ঘুষ দিয়েছেন সেই টাকার উৎস কি। বরখাস্ত থাকা অবস্থায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা ৪০ লাখ টাকা কোথায় পেলেন, আইনের লোক হয়েও ঘুষ দেওয়া অপরাধ জেনেও তিনি কেন আরেকজন কর্মকর্তাকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন এসব বিষয় তদন্ত করা হবে।

সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা যায়, ডিআইজি মিজানকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া এবং কমিশনের তথ্য পাচারের অভিযোগে বরখান্ত হওয়া দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এর আগেও একবার ৪০ মাস সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন। তখন ৩৫০ কোটি টাকা উদ্ধার সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তদন্তে অসততার অভিযোগ উঠলে তাকে বরখাস্ত করা হয়। তবে পরে পরিস্থিতি সামলে উঠে চাকরিতে পুনর্বহাল হন তিনি, পান পদোন্নতি। দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের নামে রাজধানীর মেরাদিয়ায় ৬ শতাংশ জমির ওপর স্থাপিত একটি স্কুল এবং তার স্ত্রী নামে উত্তরায় একটি ফ্ল্যাট রয়েছে বলে তথ্য রয়েছে। স্ত্রী রুমানা শাহীন শেফা মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। এনামুলের দাবি, তার এবং স্ত্রী শেফার সার্ভিস অ্যাকাউন্টের বাইরে কোনও ব্যাংক হিসাব নেই। তবে অনুসন্ধানে রুানা শাহীন শেফার নামে সার্ভিস অ্যাকাউন্টের বাইরে সোনালী ব্যাংকে এবং বাছিরের নামে এক্সিম ব্যাংকে দু’টি ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে । খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ হলো, তিনি ৩০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে স্ত্রী শেফাকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বানাতে চেয়েছিলেন। শেফাকে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পরিষদের চার সদস্য নিয়ে একটি নিয়োগ কমিটিও গঠিত হয়। তবে নিয়োগ নিয়ে ৩০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ উঠলে গত ২৯ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগ নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করে। গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তৎকালীন পিজি থেকে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) শরীরবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন খন্দকার এনামুল বাছির, তার পড়াশোনা শেষ হয় ১৯৮৮ সালে। ১৯৯১ সালে তিনি দুর্নীতি দমন ব্যুরোতে যোগ দেন। ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর দুর্নীতি দমন ব্যুরোর নাম হয় দুর্নীতি দমন কমিশন। পরিচালক হওয়ার আগে দুদকের আইন বিভাগের উপ-পরিচালকও ছিলেন তিনি। ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানের দায়িত্ব যখন পান তখন তিনি বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত অনু বিভাগরে পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। ৬ মাস আগে তিনি ওই খান থেকে বদলী হয়ে অবৈধ সম্পদ উদ্ধাার ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব পান।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, ‘কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলেই তাকে গ্রেফতারের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে না দুদক। ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে খন্দকার এনামুল বাছিরকে বরখাস্ত করা হয়নি। তথ্য পাচারের অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। যে কারও বিরুদ্ধেই অভিযোগ আসতে পারে. এটাই স্বাভাবিক। তার মানে এই নয় যে, সে অপরাধী। কে অপরাধী সেটা প্রমাণ হবে আদালতে। বাছিরের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে দুদক। অনুসন্ধানে প্রকৃত সত্য উৎঘাটিত হবে।তিনি বলেন, দুদকের অনুসন্ধানে যাতে কোন প্রভাব সৃস্টি না করে এ জন্য খন্দকার এনামুল বাছিরকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান জানান, পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমানের সম্পদ অনুসন্ধানের জন্য নতুন অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করেছেন কমিশন। দুদক পরিচালক মঞ্জুর মোরশেদকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগের অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদের বিষয়ে যে প্রতিবেদন দুদকে জমা দিয়েছে তা আমলে নেয়নি দুদক। নতুন করে ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদের বিষয়ে অণুসন্ধান করে নতুন অনুসন্ধান কর্মকর্তা।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির বলেছেন, তাকে নিয়ে গণমাধ্যমে ভুল, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে, এতে তিনি ‘ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন’। সংবাদ প্রকাশে তারা যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন মনে করছে না।

গত ২৩ মে ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদের তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন দিয়েছেন ঘুষ লেনদেন ও তথ্য পাচারের অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। ওই প্রতিবেদনে তিনি ডিআইজি মিজানের ৪ কোটি টাকার বেশি সম্পদ রয়েছে এবং এর মধ্যে ২ কোটি টাকার বেশি জ্ঞাত বহির্ভূত সম্পদ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন। ওই প্রতিবেদের জমা দেওয়ার পর ৩০ মে পুলিশ প্লাজায় অণুসন্ধান কর্মকর্তা দুদক পরিচালক এনামুল বাছির ডিআইজি মিজানের স্ত্রীর মালিকানাধীণ পুলিশ প্লাজার দোকানে যান। ওইদিন সেখানে ডিআইজি মিজানের সঙ্গে তার কথা হয়। সেখানে ডিআইজি মিজান তার বিরুদ্ধে চলা সম্পদের অনুসন্ধানে রিপোর্ট সম্পর্কে জানতে চাইলে এনামুল বাছির প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানান। এর পর ডিআইজি মিজান অনুসন্ধান কর্মকর্তার সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের অডিও ফাসঁ করেন। ওই অডিও বক্তব্য অনুযায়ী ডিআইজি মিজানের সঙ্গে অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের সঙ্গে ঘুষের টাকা চাওয়া, গাড়ি চাওয়ার বিষয়ে কথা বলতে শোনা গেছে। গণ মাধ্যমে এ বক্তব্য প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে দুর্নীতি দমন কমিশন। ডিআইজি মিজান দাবী করে, তাকে বাধ্য করে অনুসন্ধান কর্মকর্তা খন্দকার এনামুল বাছির দু ধফায় তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। আরো ১০ লাখ টাকা ঘুষের জন্য তিনি বার বার চাপ দিয়েছেন। এছাড়া তার কাছে একটি গাড়িও দাবী করেছেন খন্দকার এনামুল বাছির। অনুসসন্ধান চলাকালে তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণ করা যাবে না এমন বক্তব্য দিয়ে ঘুষের টাকার বিষয়ে এবং গাড়ি চেয়ে খন্দকার এনামুল বাছিরের কথপকথন রেকর্ড করেছেন তিনি। দুদক চাইলে তিনি সেইসব রেকর্ড দিতে পারবেন। অণ্যদিকে বরখাস্ত হওয়া দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের দাবী প্রযুক্তি সহযোগিতায় এমন অডিও রেকর্ড তৈরী করে প্রকাশ করেছে ডিআইজি মিজান। ঘুষের টাকার জন্য তিনি ডিআইজি মিজানের সঙ্গে কোন কথা বলেননি। এমনকি গাড়িও চাননি। কেবল অণুসন্ধান বিষয়ে দুটি বিষয়ে তিনি জানতে ডিআইজি মিজানকে ফোন করেছিলেন।

বরখাস্ত দুদক পরিচালকের ঘুষ নেওয়ার বিষয়টির প্রমাণ রয়েছে বলে ডিআইজি মিজানুরের দাবি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতি দমন কমিশনের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট বললেও অভিযোগকারী

অনুসন্ধানের তথ্য অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে প্রকাশ করায় খন্দকার এনামুল বাছির সাময়িক বরখাস্ত : দুদক চেয়ারম্যান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধান করতে গিয়ে পুলিশের ডিআইজি (বরখাস্ত) মোঃ মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া এবং গাড়ি

ভূয়া কাগজপত্রে সরকারকে জড়িত করে ২৫ কোটি টাকা ঋণ আত্মসাৎ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ভূয়া কাগজপত্র দিয়ে বাংলাদেশ ডেভেলোপমেন্ট ব্যাংক(বিডিবিএল) থেকে ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে টিপু সুলতান নামে এক ব্যবসায়ী।

sangbad ad

দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তাকে ঘুষ : বরখাস্ত ডিআইজি করছে অভিযোগ দুদক বলছে অনুসন্ধান বিতর্কিতকরণ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আলোচিত পুলিশের জিআইজি (বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত) মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদ থাকার

লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের কানুনগো মেজবাহ বরখাস্ত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতি এবং অসদাচরণের প্রমাণ পাওয়ায় ঢাকার লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের কানুনগো এইচ এম মেজবাহ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আমদানিকারকের স্টিকার না বসিয়ে ইচ্ছেমতো মূল্যে বিদেশি পণ্য বিক্রি : জরিমানা তিন লাখ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিদেশি পণ্যের মোড়কে আমদানিকারক স্টিকার নেই। ইচ্ছেমতো দাম নিয়ে ভোক্তাদের ঠকানো হচ্ছে। এ অপরাধে রাজধানীর বেইলি রোডের

বরখাস্ত কর্নেল শহীদ খানের জঙ্গি সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে লন্ডন পুলিশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

লন্ডনে পালানো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বরখাস্ত হওয়া কর্নেল শহীদ উদ্দিন খানের জঙ্গি সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে সেখানকার পুলিশ। সেখানে

সিনেমায় নায়িকা না হতে পেরে বাস্তবে খলনায়িকা!

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অভিনব কায়দায় প্রতারণা করে সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া একটি চক্রের মূলহোতা সুন্দরী তানিয়াসহ

আরও এক মানব পাচারকারী গ্রেফতার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মানব পাচারে জড়িত চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন

sangbad ad