• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯

 

খুন করার পর স্বাভাবিক আচরণ করেও পার পায়নি খুনি!

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ১৯ মে ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

সহকর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যার পর পুলিশ ও স্বজনদের খবর দেয়ার পাশাপাশি দাফনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে হত্যাকারী। সন্দেহ এড়াতে হত্যার পর চাকরি ছেড়ে দিয়ে খুন হওয়া সহকর্মীর স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে খুনি। রাজধানীর বারিধারায় যমুনা ব্যাংকের এটিএম বুথে ডিউটিরত সিকিউরিটি গার্ড মো. শামীম হত্যার তদন্তে এমন তথ্য পেয়েছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যার চার মাস পর ১৫ মে শামিম

হত্যায় জড়িত সন্দেহে সহকর্মী কফিলকে গ্রেফতার করার পর হত্যার দায় স্বীকার করে ১৭ মে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। মূলত পছন্দ করা এক মেয়েকে বিয়ে করতে না পেরে ব্যক্তিগত শক্রতার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে নিরাপত্তা কর্মী শামিমকে হত্যা করে সহকর্মী কফিল।

পিবিআই সূত্র জানায়, গত ২০ জানুয়ারি রাজধানীর ভাটারা থানার বারিধারা এলাকায় জে-ব্লকের প্রগতি সরণিতে অবস্থিত যমুনা বাংকের এটিএম বুথের নিরাপত্তা কর্মী শামিমকে নৃংশসভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২১ জানুয়ারি তার বাবা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ভাটারা থানায় হত্যা মামলা করে। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশ পিবিআই। প্রায় ৪ মাস তদন্ত করে পিবিআই তদন্তকারী কর্মকর্তা শামিমের সঙ্গে নিরাপত্তা রক্ষী হিসেবে কর্মরত কফিলকে ১৫ মে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার পূর্ব ধনিরাম গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে শামিমকে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করে। এরপর রিমান্ড হেফাজতে শামিমকে কী কারণে হত্যা ও কীভাবে হত্যার পরিকল্পনা করেছে, এ বিস্তারিত বর্ণনা দেয়। ১৭ মে আদালতে হত্যার বর্ণনা দিয়ে ১৬৪ ধারায় জবাববন্দি দেয় সে।

পিবিআই সূত্র জানায়, মো. কফিল ও শামিম সম্পর্কে প্রতিবেশী ভাই। শামীম এলিট ফোর্সে চাকরি দেয়ার কথা বলে ২০১৮ সালে কফিলকে ঢাকায় নিয়ে আসে ও চাকরি দেয়। কফিল ঢাকা এসে প্রথমে চাকরিদাতা শামিমের বাসায় এক মাস থাকে। শামিমের মা-বাবা কফিলকে তাদের বাসায় রাখতে আপত্তি করলে সে বাসা ছেড়ে চলে যায়। এরপর পার্শ্ববর্তী এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নেয়। ওই এলাকায় সাবিনার সঙ্গে পরিচয় হয় তার। এ সঙ্গে সম্পর্কের সূত্র ধরে সাবিনার ছোট বোনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায় কফিল। একপর্যায়ে সাবিনা কফিলকে প্রস্তাব দেয় তার ছোট বোনকে বিয়ে করার জন্য। এতে কফিল রাজি হয়ে যায়। বিয়ের দিনক্ষণও ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু সাবিনার স্বামী কফিলের গ্রামের বাড়ি পূর্ব ধনিরাম গ্রামে কফিল সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে সে ভালো ছেলে নয়। গ্রামে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণে সাবিনার স্বামী এসে আপত্তি জানালে কফিলের সঙ্গে সাবিনার বোনের বিয়ে ভেঙে যায়। এর আগে কফিলের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা ধারও নেয় শামিম। এছাড়া কফিলের বিরুদ্ধে সিকিউরিটি কোম্পানির জোন কমান্ডার শাহীনের কাছেও একবার অভিযোগ করেছিল শামিম। পাওনা টাকা ফেরত না দেয়ার পাশাপাশি কফিল সম্পর্কে কোম্পানির কাছে নালিশ করায় চাকরিদাতা শামিমের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল সে। সর্বশেষ বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় কফিল মনে করেছিল এর নেপথ্যে শামিমের ভূমিকা আছে। এতে শামিমের ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে কফিল। সিদ্ধান্ত নেয় শামিমকে মেরে ফেলবে।

পিবিআই জানায়, পরিকল্পনামতো শামিমকে হত্যার ২ থেকে ৩ দিন আগে কফিল ভাটারা থানার নতুনবাজার থেকে হাতুড়ি, সাদা প্যান্ট, সোয়েটার (জ্যাকেট) ও মুখোশ কিনে একটি ব্যাগে লুকিয়ে রাখে। ঘটনার দিন ২০ জানুয়ারি ইউসিবি ব্যাংকের এটিএম বুথের ছাদ থেকে পূর্বপরিকল্পনামতো মুখোশ পরে এবং নিজের পোশাক পরিবর্তন করে। এরপর সে এটিএম বুথে শুয়ে থাকা শামিমকে হাতড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।

শামিম হত্যায় যাতে কেউ সন্দেহ না করে, এ জন্য কফিল যমুনা ব্যাংকের ভেতরের সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে এটিএম বুথ থেকে বের হয়ে যায়। বুথের সামনের রাস্তার পরিবর্তে অন্য রাস্তা দিয়ে তার ডিউটিরত পোস্ট ইউসিবি বুথের ছাদ থেকে ব্যাগটি নিয়ে খুনের সময় পরা পোশাক পরিবর্তন করে এলিট ফোর্সের পোশাক পড়ে। খুনে ব্যবহৃত পোশাক, মুখোশ ও হাতুড়ি তার ব্যাগের ভেতর রাখে। এরপর ব্যাগটি নিয়ে বাসায় চলে যায় এবং তার মেস রুমে গিয়ে ব্যাগটি রেখে দেয়। পরে শামিমের আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সে স্বাভাবিক আচরল করে এবং ভিকটিমের লাশ ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামে নিয়ে দাফনসহ যাবতীয় কাজে শামিমের পরিবারকে সহযোগিতা করে।

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে এনামুল : নতুন অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে ‘দায়মুক্তির’ চুক্তিতে ৪০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেনে ফেঁসেছেন অভিযোগ সংশ্লিস্ট পুলিশের ডিআইজি

বরখাস্ত দুদক পরিচালকের ঘুষ নেওয়ার বিষয়টির প্রমাণ রয়েছে বলে ডিআইজি মিজানুরের দাবি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতি দমন কমিশনের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট বললেও অভিযোগকারী

অনুসন্ধানের তথ্য অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে প্রকাশ করায় খন্দকার এনামুল বাছির সাময়িক বরখাস্ত : দুদক চেয়ারম্যান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধান করতে গিয়ে পুলিশের ডিআইজি (বরখাস্ত) মোঃ মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া এবং গাড়ি

sangbad ad

ভূয়া কাগজপত্রে সরকারকে জড়িত করে ২৫ কোটি টাকা ঋণ আত্মসাৎ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ভূয়া কাগজপত্র দিয়ে বাংলাদেশ ডেভেলোপমেন্ট ব্যাংক(বিডিবিএল) থেকে ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে টিপু সুলতান নামে এক ব্যবসায়ী।

দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তাকে ঘুষ : বরখাস্ত ডিআইজি করছে অভিযোগ দুদক বলছে অনুসন্ধান বিতর্কিতকরণ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আলোচিত পুলিশের জিআইজি (বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত) মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদ থাকার

লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের কানুনগো মেজবাহ বরখাস্ত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতি এবং অসদাচরণের প্রমাণ পাওয়ায় ঢাকার লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের কানুনগো এইচ এম মেজবাহ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আমদানিকারকের স্টিকার না বসিয়ে ইচ্ছেমতো মূল্যে বিদেশি পণ্য বিক্রি : জরিমানা তিন লাখ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিদেশি পণ্যের মোড়কে আমদানিকারক স্টিকার নেই। ইচ্ছেমতো দাম নিয়ে ভোক্তাদের ঠকানো হচ্ছে। এ অপরাধে রাজধানীর বেইলি রোডের

বরখাস্ত কর্নেল শহীদ খানের জঙ্গি সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে লন্ডন পুলিশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

লন্ডনে পালানো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বরখাস্ত হওয়া কর্নেল শহীদ উদ্দিন খানের জঙ্গি সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে সেখানকার পুলিশ। সেখানে

সিনেমায় নায়িকা না হতে পেরে বাস্তবে খলনায়িকা!

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অভিনব কায়দায় প্রতারণা করে সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া একটি চক্রের মূলহোতা সুন্দরী তানিয়াসহ

sangbad ad