• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯

 

২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ডাকসু নির্বাচন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ১০ মার্চ ২০১৯

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, ঢাবি
image

দীর্ঘ ২৮ বছর পর কার্যকর হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। ১১ মার্চ সোমবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিগত সময়ে বিভিন্ন কারণে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নি। সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং বড় দুটি ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ও ছাত্রদল দৃশ্যত এই নির্বাচনের বিরোধিতা করেনি। কিন্তু ওই নির্বাচন আয়োজনে চারটি পক্ষের কারোরই উদ্যোগ, আগ্রহ বা চাপ ছিল না। এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বা শিক্ষকদের পক্ষ থেকেও নির্বাচনের জোরালো দাবি ওঠেনি। অথচ এই সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি, রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি, সিন্ডিকেট সদস্য, ডিন, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠনসহ সব সংগঠনের নির্বাচন নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন সূত্রে জানা যায়, ডাকসুর প্রতিষ্ঠা হয় ১৯২৪ সালে। ১৯৫৩ সালের আগ পর্যন্ত ডাকসুর সহ-সভাপতি মনোনয়ন করা হতো। ওই বছরই প্রথম নির্বাচন হয়। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতবার ডাকসু নির্বাচন হয়। ১৯৭৩ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশে ২০ ধারা অনুযায়ী, সিনেটের ১০৫ জন সদস্যের মধ্যে ৫ জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি থাকার কথা, যাঁরা ডাকসুর মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে আসবেন। কিন্তু দিনের পর দিন নির্বাচন না হওয়ায় খণ্ডিত সিনেট নিয়েই সভা বসেছে।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খানের সামরিক সরকারের সময় প্রায় নিয়মিত ডাকসু নির্বাচন হয়েছে। কেবল ১৯৬৫-৬৬ ও ১৯৬৯-৭০ সালে নির্বাচন হয়নি। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকারের শুরুতেই (১৯৭২-৭৩) ডাকসু নির্বাচন হয়। ১৯৭৩-৭৪ সালেও নির্বাচন দেয়া হয়েছিল, তবে সেটা পণ্ড হয়ে যায়। এরপর জিয়াউর রহমানের আমলে দুবার (১৯৭৯-৮০ ও ৮০-৮১), আবদুস সাত্তার সরকারের আমলে একবার (১৯৮২-৮৩) এবং এরশাদের আমলে দুবার (১৯৮৯-৯০ ও ১৯৯০-৯১) ডাকসু নির্বাচন হয়েছে। ১৯৯০ সালে এরশাদের স্বৈরশাসনের পতনের পর গত ২৮ বছরে আর এই ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি।

ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয় ১৯৯০ সালের ৬ জুন। তখন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দেশের রাষ্ট্রপতি। ১৯৯৮ সালে ডাকসুর কমিটি ভেঙে দেয়া হয়। পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। মাঝেমধ্যে ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। সিনেটে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব এসেছে। কিন্তু তাতে ফল হয়নি। ২০১২ সালে বিক্ষোভ, ধর্মঘট, কালো পতাকা মিছিল এবং ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে ডাকসু নির্বাচনের দাবি জানান সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী অধিকার মঞ্চ’ তৈরি করে লাগাতার কর্মসূচিও চলে বেশ কিছুদিন। এরপর বিভিন্ন সময় ডাকসুর নির্বাচনের দাবি উঠলেও সেটা খুব জোরালো ছিল না। চলতি বছরের মাঝামাঝি থেকে এই দাবিটি আবার সামনে আসে। গত বছরের ২৯ জুলাই ছাত্র প্রতিনিধি ছাড়া উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে নতুন করে ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে বাম ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন অব্যাহত রাখেন।

১৯৯০ সালের নির্বাচনের পর ১৯৯১ সালের ১৮ জুন নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই সময় সহিংস ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য মনিরুজ্জামান মিঞা নির্বাচন বন্ধ করে দেন। ১৯৯৪ ও ১৯৯৫ সালে পরপর দুবার উপাচার্য এমাজউদ্দীন আহমদ ডাকসুর তফসিল ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু তখন ছাত্রলীগের বিরোধিতার কারণে নির্বাচন হয়নি। অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী উপাচার্য হওয়ার পর ১৯৯৬ সালে একাধিকবার ডাকসু নির্বাচনের সময়সীমার কথা জানিয়েছিলেন। সর্বশেষ ২০০৫ সালের মে মাসে উপাচার্য এস এম এ ফায়েজ ওই বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের ঘোষণা দেন। তখন ক্ষমতাসীন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে একাধিকবার মিছিল, সমাবেশ ও উপাচার্যকে স্মারকলিপি দেয়। কিন্তু বিরোধিতা করে ছাত্রলীগ।

গত ২০ বছরে ছয়জন অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে চার বছরের পূর্ণ মেয়াদ বা তার বেশি সময় ছিলেন এ কে আজাদ চৌধুরী, এস এম এ ফায়েজ এবং আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। আগের সাত বছরে তিনবার তফসিল ঘোষণা করেও নির্বাচন দেয়া যায়নি। ফলে এই তিনজনসহ ছয়জনের কেউই ওই পথ মাড়াননি। সাবেক উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিক ২০০৯ সালে নিয়োগ পাওয়ার পর গণমাধ্যমে ডাকসু নির্বাচনের কথা বললেও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি। সাড়ে আট বছরে একবারও নির্বাচনের উদ্যোগ নেননি।

ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশনা চেয়ে গত পাঁচ বছরে উচ্চ আদালতে পৃথক দুটি রিট আবেদন করা হয়েছে। ২০১২ সালের ২১ মার্চ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ শিক্ষার্থী। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ৮ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল দেন। পরবর্তীতে সেই রুলের সূত্র ধরেই আদালত ডাকসু নির্বাচনের আয়োজন করতে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশের কারণে দীর্ঘদিন পর হলেও ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রজেক্ট বাস্তবায়নে তিন গুন সময় পার হওয়ার পর প্রশ্ন: ঢাবি ক্যাম্পাস সিসিটিভির আওতায় আসবে কবে!

আবদুল্লাহ আল জোবায়ের

image

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০১৬ সালে পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস সিসিটিভির আওতায় আনার কর্মসূচি হাতে নেয়া

জবির সমাবর্তনে রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়লো

প্রাতিনিধি, জবি

image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রথম সমাবর্তনে অংশগ্রহণের রেজিস্ট্রেশনের সময় ৩০ এপ্রিল মঙ্গলবার শেষ হবার কথা থাকলেও তা চালিয়ে

গ্রন্থ সংগ্রাহক আজীবন সম্মাননা পেলেন ১০ জন

image

ঢাকার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি চর্চার প্রতিষ্ঠান ‘ঢাকা কেন্দ্র’। প্রতিষ্ঠানটি দশ গ্রন্থসুহৃদকে ‘গ্রন্থ সংগ্রাহক আজীবন সম্মাননা পুরস্কার ২০১৯’ প্রদান

sangbad ad

ছিনতাইয়ের অভিযোগে জাবির ৫ ছাত্রলীগ কর্মী বহিষ্কার

প্রতিনিধি, জাবি

image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারীর স্বজনকে (জামাতা) ‘মারধর ও ছিনতাইয়ের’ অভিযোগে ছাত্রলীগের পাঁচ কর্মীকে সাময়িকভাবে

জাবিতে ‘জিওগ্রাফি ডিবেটিং ক্লাব’র নতুন কমিটি

প্রতিনিধি, জাবি

image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জিওগ্রাফি ডিবেটিং ক্লাব’ এর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ৪৪তম ব্যাচের

বিকৃত রাজনীতির কারণেই স্বাধীনতা যুদ্ধে গণহত্যা চালানো হয় : সম্মেলনে বক্তারা

প্রতিনিধি, ঢাবি

image

গণহত্যা রাজনীতির অংশ। বিকৃত রাজনীতি পরিকল্পিতভাবে গণহত্যার পটভূমি তৈরি করে। পরবর্তীতে

রবিউলের ওপর হামলার বিচার না হলে রাজপথ ছাড়বে না প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা

প্রতিনিধি, ঢাবি

image

অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে ডাকসুর পুনর্নির্বাচনের দাবিতে অনশন করায়

পুনরায় ডাকসু নির্বাচন দাবিতে অনশন অব্যাহত

প্রতিনিধি, ঢাবি

image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন বাতিল করে পুনরায়

ডাকসুর নতুন যুগের সূচনা

আবদুল্লাহ আল জোবায়ের, ঢাবি

image

নানা অনিয়মের অভিযোগ এবং অধিকাংশ প্যানেলের প্রার্থীদের বর্জন, ফল বাতিলে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার পরও

sangbad ad