• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

 

২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ডাকসু নির্বাচন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ১০ মার্চ ২০১৯

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, ঢাবি
image

দীর্ঘ ২৮ বছর পর কার্যকর হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। ১১ মার্চ সোমবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিগত সময়ে বিভিন্ন কারণে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নি। সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং বড় দুটি ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ও ছাত্রদল দৃশ্যত এই নির্বাচনের বিরোধিতা করেনি। কিন্তু ওই নির্বাচন আয়োজনে চারটি পক্ষের কারোরই উদ্যোগ, আগ্রহ বা চাপ ছিল না। এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বা শিক্ষকদের পক্ষ থেকেও নির্বাচনের জোরালো দাবি ওঠেনি। অথচ এই সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি, রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি, সিন্ডিকেট সদস্য, ডিন, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠনসহ সব সংগঠনের নির্বাচন নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন সূত্রে জানা যায়, ডাকসুর প্রতিষ্ঠা হয় ১৯২৪ সালে। ১৯৫৩ সালের আগ পর্যন্ত ডাকসুর সহ-সভাপতি মনোনয়ন করা হতো। ওই বছরই প্রথম নির্বাচন হয়। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতবার ডাকসু নির্বাচন হয়। ১৯৭৩ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশে ২০ ধারা অনুযায়ী, সিনেটের ১০৫ জন সদস্যের মধ্যে ৫ জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি থাকার কথা, যাঁরা ডাকসুর মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে আসবেন। কিন্তু দিনের পর দিন নির্বাচন না হওয়ায় খণ্ডিত সিনেট নিয়েই সভা বসেছে।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খানের সামরিক সরকারের সময় প্রায় নিয়মিত ডাকসু নির্বাচন হয়েছে। কেবল ১৯৬৫-৬৬ ও ১৯৬৯-৭০ সালে নির্বাচন হয়নি। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকারের শুরুতেই (১৯৭২-৭৩) ডাকসু নির্বাচন হয়। ১৯৭৩-৭৪ সালেও নির্বাচন দেয়া হয়েছিল, তবে সেটা পণ্ড হয়ে যায়। এরপর জিয়াউর রহমানের আমলে দুবার (১৯৭৯-৮০ ও ৮০-৮১), আবদুস সাত্তার সরকারের আমলে একবার (১৯৮২-৮৩) এবং এরশাদের আমলে দুবার (১৯৮৯-৯০ ও ১৯৯০-৯১) ডাকসু নির্বাচন হয়েছে। ১৯৯০ সালে এরশাদের স্বৈরশাসনের পতনের পর গত ২৮ বছরে আর এই ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি।

ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয় ১৯৯০ সালের ৬ জুন। তখন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দেশের রাষ্ট্রপতি। ১৯৯৮ সালে ডাকসুর কমিটি ভেঙে দেয়া হয়। পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। মাঝেমধ্যে ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। সিনেটে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব এসেছে। কিন্তু তাতে ফল হয়নি। ২০১২ সালে বিক্ষোভ, ধর্মঘট, কালো পতাকা মিছিল এবং ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে ডাকসু নির্বাচনের দাবি জানান সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী অধিকার মঞ্চ’ তৈরি করে লাগাতার কর্মসূচিও চলে বেশ কিছুদিন। এরপর বিভিন্ন সময় ডাকসুর নির্বাচনের দাবি উঠলেও সেটা খুব জোরালো ছিল না। চলতি বছরের মাঝামাঝি থেকে এই দাবিটি আবার সামনে আসে। গত বছরের ২৯ জুলাই ছাত্র প্রতিনিধি ছাড়া উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে নতুন করে ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে বাম ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন অব্যাহত রাখেন।

১৯৯০ সালের নির্বাচনের পর ১৯৯১ সালের ১৮ জুন নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই সময় সহিংস ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য মনিরুজ্জামান মিঞা নির্বাচন বন্ধ করে দেন। ১৯৯৪ ও ১৯৯৫ সালে পরপর দুবার উপাচার্য এমাজউদ্দীন আহমদ ডাকসুর তফসিল ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু তখন ছাত্রলীগের বিরোধিতার কারণে নির্বাচন হয়নি। অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী উপাচার্য হওয়ার পর ১৯৯৬ সালে একাধিকবার ডাকসু নির্বাচনের সময়সীমার কথা জানিয়েছিলেন। সর্বশেষ ২০০৫ সালের মে মাসে উপাচার্য এস এম এ ফায়েজ ওই বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের ঘোষণা দেন। তখন ক্ষমতাসীন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে একাধিকবার মিছিল, সমাবেশ ও উপাচার্যকে স্মারকলিপি দেয়। কিন্তু বিরোধিতা করে ছাত্রলীগ।

গত ২০ বছরে ছয়জন অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে চার বছরের পূর্ণ মেয়াদ বা তার বেশি সময় ছিলেন এ কে আজাদ চৌধুরী, এস এম এ ফায়েজ এবং আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। আগের সাত বছরে তিনবার তফসিল ঘোষণা করেও নির্বাচন দেয়া যায়নি। ফলে এই তিনজনসহ ছয়জনের কেউই ওই পথ মাড়াননি। সাবেক উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিক ২০০৯ সালে নিয়োগ পাওয়ার পর গণমাধ্যমে ডাকসু নির্বাচনের কথা বললেও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি। সাড়ে আট বছরে একবারও নির্বাচনের উদ্যোগ নেননি।

ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশনা চেয়ে গত পাঁচ বছরে উচ্চ আদালতে পৃথক দুটি রিট আবেদন করা হয়েছে। ২০১২ সালের ২১ মার্চ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ শিক্ষার্থী। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ৮ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল দেন। পরবর্তীতে সেই রুলের সূত্র ধরেই আদালত ডাকসু নির্বাচনের আয়োজন করতে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশের কারণে দীর্ঘদিন পর হলেও ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

জবিতে বশেমুরবিপ্রবির ইতিহাস বিভাগের অনুমোদনের দাবিতে বিক্ষোভ

প্রতিনিধি, জবি

image

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) ইতিহাস বিভাগ চালু রাখার দাবিতে সংহতি

জবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিলো ছাত্রফ্রন্ট

প্রতিনিধি, জবি

image

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ১৫তম ব্যাচের নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার

জবি’র পরিসংখ্যান বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শেখ গিয়াস উদ্দিন

প্রতিনিধি, জবি

image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) পরিসংখ্যান বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছে বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ গিয়াস উদ্দিন। তিনি পূর্ববর্তী

sangbad ad

‘মুজিব বর্ষ-২০২০’ উপলক্ষে ঢাবিতে সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধি, ঢাবি

image

‘মুজিব বর্ষ-২০২০’ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইমপাওয়ারমেন্ট দি লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন প্রফেশনালস ফর এচিভিং দি এসডিজিস’

জবিতে সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধি,জবি

image

‘সাংবাদিকদের তথ্য জানার ক্ষেত্রে পারদর্শী হতে হবে। যে সাংবাদিক যতবেশি তথ্য জানেন তিনি তত বেশি দক্ষ হবেন বলে মন্তব্য করেছেন

সনদ হাতে পেয়েই অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা!

জাহিদুল ইসলাম, কুবি (কুমিল্লা)

image

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রথম সমাবর্তনে ভুলে ভরা সনদপত্র দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। কারও বিভাগের নামে ভুল, কারও হলের নামে

জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি নূরে আলম, সম্পাদক শামীমা

প্রতিনিধি , জবি

image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়(জবি) শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি অধ্যাপক ড. নূরে

প্রধানমন্ত্রীকে ঢাবি ছাত্রলীগের স্বরস্বতী পূজার নিমন্ত্রণ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্বরস্বতী পূজার নিমন্ত্রণ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে গণভবনে গিয়ে নিমন্ত্রণ

জবি শিক্ষক সমিতি নির্বাচন : তিন নৌকা নিয়ে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের ত্রিমুখী লড়াই

প্রতিনিধি, জবি

image

আওয়ামীপন্থীদের ত্রিমুখী লড়াই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন আগামী ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

sangbad ad