• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২০

 

শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২০

সংবাদ :
  • বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
image

শততম বর্ষে পদার্পণ করল প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আজ ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯২১ সালের এই দিনে যাত্রা শুরু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের।

বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রতি বছর জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারির কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এবার স্বল্পপরিসরে দিবসটি উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকালে স্বাধীন জাতিসত্তার বিকাশের লক্ষ্যে বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ। এর মাত্র তিনদিন আগে ভাইসরয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আবেদন জানিয়েছিলেন ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, ধনবাড়ির নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক এবং অন্যান্য নেতারা।

২৭ মে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ব্যারিস্টার আর নাথানের নেতৃত্বে ডি আর কুচলার, ড. রাসবিহারী ঘোষ, নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, নবাব সিরাজুল ইসলাম, ঢাকার প্রভাবশালী নাগরিক আনন্দচন্দ্র রায়, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ ডব্লিউ এ টি আর্চিবল্ড, জগন্নাথ কলেজের অধ্যক্ষ ললিত মোহন চট্টোপাধ্যায়, ঢাকা মাদরাসার (বর্তমান কবি নজরুল সরকারি কলেজ) তত্ত্বাবধায়ক শামসুল উলামা আবু নসর মুহম্মদ ওয়াহেদ, মোহাম্মদ আলী (আলীগড়), প্রেসিডেন্সি কলেজের (কলকাতা) অধ্যক্ষ এইচ এইচ আর জেমস, প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যাপক সি ডব্লিউ পিক এবং সংস্কৃত কলেজের (কলকাতা) অধ্যক্ষ সতীশ চন্দ্র আচার্যকে সদস্য করে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠিত হয়।

১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয় নাথান কমিটির ইতিবাচক রিপোর্ট এবং ওই বছরই ডিসেম্বর মাসে সেটি অনুমোদিত হয়। ১৯১৭ সালে গঠিত স্যাডলার কমিশনও ইতিবাচক প্রস্তাব দিলে ১৯২০ সালের ১৩ মার্চ ভারতীয় আইন সভায় পাস হয় ‘দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট (অ্যাক্ট নম্বর-১৩) ১৯২০’। ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বার উন্মুক্ত হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই।

সে সময়কার ঢাকার সবচেয়ে অভিজাত ও সৌন্দর্যমণ্ডিত রমনা এলাকায় প্রায় ৬০০ একর জমির ওপর পূর্ববঙ্গ এবং আসাম প্রদেশ সরকারের পরিত্যক্ত ভবনসমূহ ও ঢাকা কলেজের (বর্তমান কার্জন হল) ভবনসমূহের সমন্বয়ে মনোরম পরিবেশে গড়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তিনটি অনুষদ ও ১২টি বিভাগ নিয়ে একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়। কলা, বিজ্ঞান ও আইন অনুষদের অন্তর্ভুক্ত বিভাগগুলো ছিল সংস্কৃত ও বাংলা, ইংরেজি, শিক্ষা, ইতিহাস, আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ, ফারসি ও উর্দু, দর্শন, অর্থনীতি ও রাজনীতি, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত এবং আইন।

প্রথম শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৮৭৭ জন এবং শিক্ষক সংখ্যা ছিল মাত্র ৬০ জন। যেসব প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে শিক্ষকতার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন তারা হলেন-হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, এফ সি টার্নার, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, জি এইচ ল্যাংলি, হরিদাস ভট্টাচার্য, ডব্লিউ এ জেনকিন্স, রমেশচন্দ্র মজুমদার, এ এফ রহমান, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত, জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন অস্থিরতা ও দেশভাগের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা কিছুটা ব্যাহত হয়। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন পূর্ববঙ্গের বা পরবর্তী সময়ের পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত প্রদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে এ দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা উজ্জীবিত হয়। নতুন উদ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকাণ্ড শুরু হয়। তৎকালীন পূর্ববাংলার ৫৫টি কলেজ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হবার সুযোগ লাভ করে। ১৯৪৭-৭১ সময়ের মধ্যে পাঁচটি নতুন অনুষদ, ১৬টি নতুন বিভাগ ও চারটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং এর পরবর্তী সকল জন-আন্দোলন ও সংগ্রামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে গৌরবময় ভূমিকা। স্বাধীনতা যুদ্ধে এ বিশ্ববিদ্যালয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমণের শিকার হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ছাত্রছাত্রীসহ শহীদ হয়েছেন অনেকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে প্রণীত ১৯৬১ সালের আইয়ুব সরকারের জারিকৃত অর্ডিন্যান্স বাতিলের জন্য ষাটের দশক থেকে শিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উক্ত অর্ডিন্যান্স বাতিল করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ-১৯৭৩ জারি করেন। ফলে এই বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে এবং পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক রীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩টি অনুষদ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৮৪টি বিভাগ, ৬০টি ব্যুরো ও গবেষণা কেন্দ্র এবং ছাত্রছাত্রীদের ১৯টি আবাসিক হল, চারটি হোস্টেল ও ১৩৮টি উপাদানকল্প কলেজ ও ইনস্টিটিউট রয়েছে।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার ১৫০ জন। পাঠদান ও গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় দুই হাজার ৮ জন শিক্ষক।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিচ অ্যান্ড লিবার্টি’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণে উচ্চশিক্ষার সম্প্রসারণ ও অগ্রগতিতে নিবেদিত এ বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানবিজ্ঞানের প্রতিটি ক্ষেত্রে গবেষণা-কার্যক্রমকে উৎসাহিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

এলইউর সামার সেমিস্টারের অনলাইন পাঠদান উদ্বোধন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

লিডিং ইউনিভার্সিটি সামার ২০২০ সেমিস্টারের পাঠদান ১ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে। ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ পাঠদানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ রাগীব আলী।

শিক্ষার্থীদের বিশেষ ফি মওকুফ করল লিডিং ইউনিভার্সিটি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শিক্ষার্থীদের বিশেষ ফি মওকুফ করেছে সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটি। রোববার ২৮ জুন সাপ্তাহিক অনলাইন সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ সূত্র জানায়, করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে সামার সেমিস্টারে যেসব শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করবেন তাদেরকে পরিবহন ফি দিতে হবেনা। সেইসাথে ল্যাব ফিও এখন পরিশোধ করতে হবেনা, পরবর্তীতে পরিস্থিতির উন্নতির পর ল্যাব ক্লাশ ও পরীক্ষার হলে ফি নেয়া হবে।

লিডিং ইউনিভার্সিটির সামার সেমিস্টারের পাঠদান শুরু ১ জুলাই

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

উপাচার্য জানান, দেশে চলমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যে নানা প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও লিডিং ইউনিভার্সিটি আগামী ১লা জুলাই থেকে সামার সেমিস্টারের পাঠদান অনলাইনে শুরু করবে এবং পরবর্তিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক অতিরিক্ত ক্লাস এবং ছুটির দিনগুলোতেও পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করে শিক্ষাকার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

sangbad ad

বিডিইউ’র সব শিক্ষার্থীকে ইন্টারনেট বিল প্রদান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনা কালীন সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (বিডিইউ)

সম্পূরক শিক্ষাবৃত্তির দাবি আদায়ে শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম

প্রতিনিধি, জবি

image

করোনা ভাইরাসের কারণে দেশের একমাত্র অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাসাভাড়াসহ বিভিন্ন শিক্ষা সংকটে ভুগছে।

অনলাইনে এলইউর সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু

ওয়ালিয়ার রহমান

image

সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটিতে(এলইউ) অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ১১ জুন ২০২০ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকটি প্রোগ্রামের পরীক্ষা শুরু হয় । করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কায় ক্যাম্পাসে শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে সরকার এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন পেয়ে গত ২৩ মার্চ ২০২০ থেকে লিডিং ইউনিভার্সিটি অনলাইনে ক্লাস শুরু করে ঈদের পূর্বেই সেমিস্টারের শিক্ষাকার্যক্রম শেষ করে।

ছায়া সুনিবিড় প্রিয় মাইলস্টোন কলেজ

শাহ বুলবুল

image

২০২০ সালে মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে ১৩৮১ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, পাসের হার ১০০%। পাসকৃতদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৩৫ জন শিক্ষার্থী। মেধাতালিকা থাকাকালীন সময় এসএসসিতে ২০০৯ সালে ৫ম স্থান, ২০১৩ সালে ১০ম স্থান এবং ২০১৪ সালে ৪র্থস্থান অর্জন করে।

করোনাকালীন অনলাইনে পড়ালেখা

অনিক আহমেদ

image

বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, কেউ জানেনা। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সেশনজটের আশঙ্কায় চিন্তিত হয়ে পড়েছে তারা। তবে এতদসত্ত্বেও বেশ কিছু মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারে। এমন কয়েকটি মাধ্যম নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ সেশনের সব ক্লাস অনলাইনে

ক্যাম্পাস ডেস্ক

image

যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের সব ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি কোনো ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে না। ইউকে প্রেস এসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সব ক্লাস সরাসরি ক্লাসরুমের বদলে অনলাইনেই নেওয়া হবে।

sangbad ad