• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯

 

বুয়েট ছাত্রকে পিটিয়ে মারল ছাত্রলীগ নেতারা

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ০৭ অক্টোবর ২০১৯

সংবাদ :
  • আবদুল্লাহ আল জোবায়ের, ঢাবি
image

‘ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে (২১) পিটিয়ে হত্যা করেছে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কয়েক নেতা। ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার গ্রন্থনা ও গবেষণা সম্পাদক এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক মুন্নার নির্দেশেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থার একটি সূত্র।

নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) মেধাবী ছাত্র। তিনি বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। রোববার রাত ৩টার দিকে ওই হলের নিচতলার সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ভারতকে সমুদ্রবন্দর, পানি ও গ্যাস দেয়ার চুক্তির বিরোধিতা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন আবরার। এ কারণেই পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে আবরারকে।

সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণপদ রায় জানান, আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ পেয়েছি। সেটা পর্যালোচনা করছি। এ ঘটনায় মোট ১৪ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা করেছে নিহত আবরারের বাবা।

আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সোহেল মাহমুদ বলেন, ময়নাতদন্তে আবরারের দেহে জখমের অনেক চিহ্ন পাওয়া গেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

আবরারের সহপাঠীরা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবরার সক্রিয় ছিলেন। লেখালেখি করতেন। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে একটি গোয়েন্দা সংস্থা সূত্র বলছে, গত ৫ অক্টোবর ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন আবরার। যেখানে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের পানি ও গ্যাস চুক্তির বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন। সেই স্ট্যাটাস ইশতিয়াক মুন্নার নজরে আসে। তিনি একই হলের শিক্ষার্থী বুয়েট শাখা ছাত্রলীগ সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু, উপ-দফতর সম্পাদক মোস্তফা রাফি, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ-আইন সম্পাদক অমিত সাহা, ক্রীড়া সম্পাদক মেজবাউল ইসলাম জিয়ন ও তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকারকে বিষয়টি জানিয়ে আবরারকে ডেকে আনার নির্দেশ দেন। এরা সবাই ১৬তম ও ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে দু’জন রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আবরারকে ডেকে ২০১১নং কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে নেয়ার পর আবরারের কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে তার ফেসবুক ও মেসেঞ্জার চেক করে মুন্না। এ সময় আবরার শিবিরের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ আনা হয়। আবরার এসব অস্বীকার করলে শুরু হয় স্ট্যাম্প দিয়ে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন। বেধড়ক পেটানো হয় তাকে। মার খেয়ে একপর্যায়ে অচেতন হয়ে পড়লে কোলে করে মুন্নার কক্ষে (২০০৫নং) নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে দোতলা ও নিচতলার সিঁড়ির মধ্যবর্তী জায়গায় অচেতন আবরারকে নিয়ে যান তারা। গোয়েন্দা সূত্র বলছে, অচেতন আবরারের চিকিৎসার জন্য হল প্রাধ্যক্ষ ও চিকিৎসককে খবর দেয় ছাত্রলীগের কর্মীরা। কিন্তু এরই মধ্যে তিনি মারা যান। চিকিৎসক এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তখন কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দেয়। সিসিটিভির ফুটেজে ছাত্রলীগের চার নেতাকর্মী আবরারকে ধরে নিয়ে যেতে এবং একজনকে সঙ্গে যেতে দেখা গেছে।

সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ ছাত্রলীগ নেতা আটক

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এখন পর্যন্ত ৯ জনকে আটক করা হয়েছে, যারা সবাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। তারা হলেন- বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহতাসিম ফুয়াদ, সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু, উপ-দফতর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ-আইন সম্পাদক অমিত সাহা, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ মুন্না।

ছাত্রলীগের জড়িত থাকার কথা স্বীকার

বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার জামিউস সানি। জড়িত যেই হোন না কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে খন্দকার জামিউস সানি বলেন, রাতে খবর পাওয়ার পরই আমি সেখানে যাই। কয়েকজন তাকে ওই কক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে মারধর করা হয়েছে বলে শুনেছি। যারা মারধরে জড়িত তারা সবাই ছাত্রলীগের পদধারী নেতা। এমন একটি ঘটনায় ছাত্রলীগের কর্মীরা জড়িত থাকতে পারে, এটা খুবই ন্যক্কারজনক। এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখতে দুই সদস্যের কমিটি

ফাহাদ হত্যার ঘটনায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত আছে কিনা তদন্তে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। তদন্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই ছাত্রলীগ নেতা হলেন সহ-সভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ ও সাহিত্য সম্পাদক আসিফ তালুকদার। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের রিপোর্ট প্রদান করতে বলা হয়েছে।

ক্যাম্পাসে যাননি উপাচার্য

আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার পর উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ক্যাম্পাসে যাননি। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে উপাচার্যকে মোবাইলে কল দেন শেরেবাংলা হলের প্রাধ্যক্ষ। তবে উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) কল রিসিভ করে উপাচার্য অসুস্থ বলে জানান। এজন্য তিনি ক্যাম্পাসে আসতে পারবেন না বলেও নিশ্চিত করেন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। আবরারকে হত্যার ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েন তার সহপাঠীরা।

আমরা আওয়ামী লীগের সমর্থক : আবরারের মা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি জানান, সন্তানের মৃত্যুর খবরে আবরার ফাহাদের কুষ্টিয়ার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন মা রোকেয়া খাতুন। বারবার মুর্ছা যাচ্ছেন তিনি। তাকে সান্ত¡না দেয়ার ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না স্বজনরা। আবরারের বাবার নাম বরকতুল্লাহ। তিনি বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের নিরীক্ষক কর্মকর্তা ছিলেন। মা রোকেয়া খাতুন একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক। দুই ভাইয়ের মধ্যে ফাহাদ বড়। ছোট ভাই আবরার ফায়াজ ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। সে ঢাকা কলেজের হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে। কুষ্টিয়ার পিটিআই সড়কে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের বাসার পাশেই তাদের বাড়ি।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১০ দিন আগে ছুটিতে দুই ভাই বাড়িতে এসেছিলেন। এ মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত বাড়িতে থাকতে চেয়েছিলেন আবরার। তবে সামনে পরীক্ষা, তাই পড়াশোনার চাপ আছে একথা বলে রোববার (৬ অক্টোবর) ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন আবরার। ছোটবেলা থেকেই আবরার ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। ২০১৫ সালে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পাস করেন আবরার। এইচএসসিতে ভালো ফলাফল করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিপরীক্ষায় মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হন আবরার। চান্স পেয়েছিলেন মেডিকেল কলেজেও।

সোমবার আবরার ফাহাদের মা রোকেয়া খাতুন বলেছেন, ছেলে আবরার ফাহাদের কোন শত্রু ছিল না। সে কোন রাজনৈতিক দল বা শিবিরের সঙ্গে জড়িত ছিল না। তবে তাবলিগে জড়িত ছিল। তাদের পুরো পরিবার আওয়ামী লীগের সমর্থক। কেন, কী কারণে তাকে খুন করা হলো, তা তিনি কিছুতেই বুঝতে পারছেন না। সোমবার সকালে নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই সড়কের বাড়িতে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে এসব কথা বলেন তিনি।

ছেলের হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে মা রোকেয়া খাতুন বলেন, রোববার বিকেল ৫টায় হলে পৌঁছে ছেলে আমাকে ফোন দেয়। এরপর আর কথা হয়নি। রাতে অনেকবার ফোন দিয়েছিলাম, ও আর ফোন ধরেনি।

আবরার ফায়াজ বলেন, ফোন না ধরায় আমি ফেসবুকের মেসেঞ্জারে ভাইয়াকে নক করি। ভাইয়া সে সময়ও ফেসবুকে অ্যাকটিভ ছিল, তবে সাড়া দেয়নি। চাচা মিজানুর রহমান বলেন, ফাহাদ শিবিরের কর্মী বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এটা বানোয়াট, আবরার একজন উদারমনা ও প্রগতিশীল ছেলে। আমরা গোটা পরিবার আওয়ামী লীগের সমর্থক। হানিফ সাহেবের সব প্রোগ্রামে আমরা যাই। তবে আবরার তাবলিগে যেত। বুয়েটে ভর্তির পরও দুই-তিনবার সে তাবলিগে গিয়েছিল।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০১৯ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজন

প্রতিনিধি, জবি

image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামী ২০ অক্টোবর

জবি ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে মুত্তাকী-জাহিন

প্রতিনিধি, জবি

image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে কেএম মুত্তাকী সভাপতি, খায়রুল

চাপাতি দিয়ে কোপানোর পর ‘ছাত্রদল-শিবির’ বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা

প্রতিনিধি, জবি

image

বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার হত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এক পক্ষকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ‘ছাত্রদল-শিবির’ বলে

sangbad ad

মাঠ পর্যায়ের আন্দোলন স্থগিত করে ক্লাসে ফিরছেনা বুয়েট শিক্ষার্থীরা

প্রতিনিধি, ঢাবি

image

আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার দাবিতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) আন্দোলরত শিক্ষার্থীরা মাঠ পর্যায়ের আন্দোলন

জাবি উপাচার্যকে অপসারণের দাবিতে পদযাত্রা ও সমাবেশ

প্রতিনিধি, জাবি

image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে অপসারণের দাবিতে পদযাত্রা ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে আন্দোলনকারী শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ‘দুর্নীতির

জবিতে ‘মুক্তমঞ্চ’ নির্মানের প্রস্তাবণা

প্রতিনিধি, জবি

image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নাট্যচর্চা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান ভবন সংলগ্ন মাঠে মুক্তমঞ্চ

জবির বাণিজ্য শাখার ফলাফল প্রকাশ

প্রতিনিধি, জবি

image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০১৯-২০ শিক্ষার্বষের বিবিএ ১ম র্বষের ভর্তি পরীক্ষা ইউনিট-৩ ( বাণিজ্য শাখার) ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

বুয়েটের হলগুলোকে অবৈধ ও বহিরাগতমুক্ত করার অভিযান

প্রতিনিধি, ঢাবি

image

১২ অক্টোবর শনিবার থেকে হলগুলোতে আমাদের অভিযান শুরু হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত অবৈধ ও বহিরাগতমুক্ত করা না হবে, ততক্ষণ

বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কক্ষ সিলগালা

প্রতিনিধি, ঢাবি

image

বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জামিউস সানি ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেলের কক্ষ সিলগালা করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

sangbad ad