• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

 

১০ মাসে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৪ মে ২০১৯

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। গত অর্থবছরের মতো চলতি অর্থবছরও ভালো প্রবৃদ্ধি নিয়ে বছর শেষ করতে চলেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিট্যান্সের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে অর্থাৎ জুলাই-এপ্রিল সময়ে ১ হাজার ৩৩০ কোটি ৩০ লাখ (১৩.৩০ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের একই সময়ে পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ২০৯ কোটি ২৮ লাখ (১২.০৯ বিলিয়ন) ডলার। এ হিসাবে এই দশ মাসে প্রবাসীরা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। সর্বশেষ এপ্রিল মাসে ১৪৩ কোটি ৪০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত বছর এপ্রিলে পাঠিয়েছিলেন ১৩৩ কোটি ১৩ লাখ ডলার। এ হিসাবে এবছর রেমিট্যান্স বেড়েছে ৭ দশমিক ৭২ শতাংশ। টাকার বিপরীতে ডলারের তেজি ভাব এবং হুন্ডি ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা পদক্ষেপের কারণে গত অর্থবছরের মতো চলতি অর্থবছরেও রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতির গবেষক ও ব্যাংকাররা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ খুবই ভালো। প্রতি মাসেই বাড়ছে। প্রবাসীদের বৈধ্য পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তারই ফল পাওয়া যাচ্ছে এখন। অর্থবছরের বাকি মাসগুলোতেও রেমিট্যান্সের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম। ২০১৯ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ১৫৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা ছিল এক মাসের হিসেবে রেকর্ড। এর আগে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫০ কোটি ৫০ লাখ ডলার; গত বছরের মে মাসে। বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান সূচক রেমিট্যান্সে সুখবর দিয়ে শেষ হয়েছিল ২০১৮ সাল।

গত বছরে এক হাজার ৫৫৩ কোটি ৭৮ লাখ (১৫.৫৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ঐ অঙ্ক ছিল ২০১৭ সালের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে অর্থনীতির গবেষক জায়েদ বখত বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই আমাদের রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে ভালো প্রবৃদ্ধি হচ্ছে তাতে অবদান রাখছে রেমিট্যান্স। এভাবে বলা যায়, আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বড় ভূমিকা রাখছেন প্রবাসীরা। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিছু ভালো পদক্ষেপ নিয়েছে। একদিকে অবৈধ পথে রেমিট্যান্স আসা ঠেকাতে হুন্ডির বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। অন্যদিকে টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বাড়ানোরও কৌশল নিয়েছে। এসবই রেমিট্যান্স বাড়াতে অবদান রাখছে বলে মনে করেন রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জায়েদ বখত।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্সের নিম্নগতি সরকারের নীতি-নির্ধারকদের কপালে ভাঁজ ফেলেছিল। হুন্ডি ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা পদক্ষেপের কারণে গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বাড়ে। খরা কাটিয়ে বাংলাদেশ ২০১৭-১৮ অর্থবছর শেষ করেছিল ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে।

বর্তমানে এক কোটির বেশি বাংলাদেশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। তাদের পাঠানো অর্থ বাংলাদেশে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বাংলাদেশের জিডিপিতে রেমিট্যান্সের অবদান ১২ শতাংশের মতো।

রিজার্ভ ৩২.১৬ বিলিয়ন ডলার : এদিকে রেমিট্যান্স বাড়ায় বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার ভা-ারও (রিজার্ভ) সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার। প্রতি মাসে ৪ বিলিয়ন ডলার আমদানি খরচ হিসেবে এই রিজার্ভ দিয়ে আট মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশের রিজার্ভ বেশ ভালো অবস্থায় রয়েছে। ২০১৬ সালের পর অর্থনীতির এই সূচকটি ৩১ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামেনি। আন্তর্জাতিক মানদ- অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়।

এবার আকুর বিল ১.২৪ বিলিয়ন ডলার : আগামী সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মার্চ-এপ্রিল মেয়াদের আমদানি বিল পরিশোধ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এবার আকুর বিল হয়েছে ১২৪ কোটি ১০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ- এই নয়টি দেশ বর্তমানে আকুর সদস্য। এই দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ যেসব পণ্য আমদানি করে তার বিল দুই মাস পর পর আকুর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়। আকুর দেনা শোধের পর রিজার্ভ কমে আসবে।

২.১৪ বিলিয়ন ডলার বিক্রি : মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবারও ৮৪ টাকা ৪৫ পয়সা দরে ১ কোটি ৫০ লাখ (১৫ মিলিয়ন) ডলার বিক্রি করা হয়েছে। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ২ মে পর্যন্ত (দশ মাসে) সর্বমোট ২১৪ কোটি (২.১৪ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর বেশিরভাগই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কাছে বিক্রি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

স্বপ্ন প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ালো ম্যারিকো ও ইউএনডিপি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ম্যারিকো বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) তাদের “স্ট্রেংথেনিং উইম্যানস অ্যাবিলিটি ফর প্রোডাক্টিভ নিউ অপরচ্যুনিটিস”

ডিপ্লোমেটিক কর্পসের সদস্য ও উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মানে এমসিসিআই এর নেটওয়ার্কিং লাঞ্চ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এমসিসিআই) ১৭ ফেব্রুয়ারি

উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের জন্য কেনা হচ্ছে কোটি টাকার গাড়ি

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) জন্য প্রায় কোটি টাকা মূল্যের পাজেরো স্পোর্টস কিউ এক্স জিপ গাড়ি কিনছে সরকার। সরাসরি

sangbad ad

নারী উদ্যোক্তা বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার : টিপু মুনশি

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, নারী উদ্যোক্তা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে নারীদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

জনপ্রিয় হচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

প্রত্যন্ত গ্রামে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে সহজ মাধ্যম হয়ে উঠেছে এজেন্ট ব্যাংকিং। ব্যাংকের শাখা খুলতে যে পরিমান খরচ হয় তার চেয়ে

বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতার নামে বছরে ২৬ হাজার কোটি টাকা পাচার

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতার নামে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ২৬ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। কম করে ধরলেও বাংলাদেশে আড়াই

জনমনে বীমার আস্থা অর্জনে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো বেগবান করতে ‘জাতীয় বীমা দিবস’ এর দিন ঘোষনা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বীমা একটি সম্ভাবনাময় গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক খাত। তবে দেশের প্রেক্ষাপটে বীমার প্রতি জনগণের আস্থা তেমন নেই। তাই বীমার ব্যাপ্তি

ব্যাংক আমানতের সুদহার ৬ শতাংশ কার্যকর

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

ঋণের সুদহারে সিঙ্গেল ডিজিট বাস্তবায়নে আমানতে ৬ শতাংশ সুদহার কার্যকর করেছে ব্যাংকগুলো। রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে

২০১৯ সালে ১৪,৩৭০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে গ্রামীণফোন

মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন

image

২০১৯ সালে ১৪,৩৭০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে গ্রামীণফোন যা আগের বছরের তুলনায় ৮.১% বেশি। ইন্টারনেট সেবা খাত থেকে

sangbad ad