• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

 

শিক্ষাবিদ নিলুফার মঞ্জুরের মৃত্যুতে এমসিসিআই’র স্মরণসভা ও দোয়া

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

শিক্ষাবিদ নিলুফার মঞ্জুরের মৃত্যুতে এমসিসিআই’র স্মরণসভা ও দোয়া -ছবি জুম থেকে নেয়া।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সানবিমস স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ নিলুফার মঞ্জুরের মৃত্যুতে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের(এমসিসিআই)উদ্যোগে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণের কারণে আজ শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে ‘জুম অ্যাপের’ মাধ্যমে ভার্চ্যুয়াল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এমসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার নিহাদ কবির অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। তিনি মরহুমা নিলুফার মঞ্জুরের কর্মময় জীবন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাকালে বলেন, নিলুফার মঞ্জুর আর নেই। এ কথা সত্য। তবে তিনি আমাদের মাঝে আজীবন বেঁচে থাকবেন। তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

ব্যারিস্টার নিহদা কবিরের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় নিলুফার মঞ্জুরের কর্মময় জীবনের উপর আলোকপাত করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, এমসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট আনিস খান, এমসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিন্ডেন্ট তপন চৌধুরী, এমসিসআইয়ের সাবেক প্রেসিন্ডেন্ট মাহবুবুর রহমান, মরহুমার ছেলে এমসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিন্ডেন্ট সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। স্মরণসভায় সানবিমস স্কুলের পক্ষে নিলুফার মঞ্জুরের আলোকিত জীবনী নিয়ে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা নাদিয়া মুনিমের একটি ভিডিও উপস্থাপন করা হয়। স্মরণসভা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন গুলশান জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান। এমসিসিআইয়ের মহাসচিব ফারুক আহমেদের হোস্টিংয়ে জুম অ্যাপের এই ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ শতাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি যোগ দেন।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ মরহুমা নিলুফার মঞ্জুরের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেন, তিনি অত্যন্ত বিনয়ী মানুষ ছিলেন। তার বাবা ড. মফিজ আলী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ছিলেন। বঙ্গবন্ধু তার পরিবারকে ব্যক্তিগতভাবে চিনতেন। আমার নাতি তার স্কুলে পড়ত। আমি মাঝে মাঝে ওই স্কুলে যেতাম। তার সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল। বাইরে কোন অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে দেখা হলেও তিনি তার ছাত্রের (আমার নাতির) খোঁজ নিতেন। আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন। তিনি আমাদের হৃদয়ের মনিকোঠায় চিরদিন বেঁচে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, এই পরিবারের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। তার (নিলুফার মঞ্জুর) মত ভাল মানুষ হয় না। মানুষ নেতা হতে চায়। আর তিনি ছিলেন নেতা বানানোর কারিগর। মঞ্জুর ভাই (মরহুমার স্বামী) স্ত্রীর পাশপাশি একজন প্রিয় বন্ধুকেও হারালেন। আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন। তার পরিবারকে শোক সহ্য করার ক্ষমতা দিন।

এমসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট আনিস খান বলেন, মরহুমা নিলুফার মঞ্জুরের মত মহিয়সী নারি অনেক যুগ পর পর আসে। তার মৃত্যুতে শুধু পরিবারেরই নয় দেশেরও অপূরণীয় ক্ষতি হলো।

এমসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিন্ডেন্ট তপন চৌধুরী বলেন, এই পরিবারের সঙ্গে আমাদের তিন প্রজন্মের সম্পর্ক। নিলুফার মঞ্জুরের মৃত্যুর খবরে পেয়ে আমি ফোন দিয়ে সহানুভুতি জানানোর মনোবল পেলাম না। তার স্বামীকে মেসেজ দিলাম। সঙ্গে সঙ্গে মেসেজের উত্তরে তিনি আমার মায়ের কুশল জানতে চাইলেন। কত মহত্ব এই পরিবারে এ থেকেই বোঝা যায়। প্রার্থনা করি সৃষ্টিকর্তা তাকে বেহেশতের সর্বশ্রেষ্ঠ স্থানে রাখুন।

এমসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিন্ডেন্ট মাহবুবুর রহমান বলেন, মরহুমার পরিবারের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। আমরা দুই পরিবার অনেকবার একসঙ্গে বিদেশ ভ্রমণেও গিয়েছি। তাকে (নিলুফার মঞ্জুর) দেখেছি, বিদেশে গিয়েও সর্বদা স্কুলের খবর রাখতেন। কেমন মহিয়সী নারী ছিলেন তিনি। আর আত্মার মাগফেরাত কমনা করছি।

সানবিমস স্কুলের পক্ষ থেকে পাঠানো ভিডিওতে বলা হয়, অধ্যক্ষ ‍নিলুফার মঞ্জুর এমন মহৎ হৃদয়ের অধিকারী ছিলেন যে, তিনি স্কুলের সব শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের চোখে দেখতেন। পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে সবাই হাল ছেড়ে দিলেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাদের খেয়াল রাখতেন, তত্ত্বাবধায়ন করতেন যাতে তারা এগিয়ে যেতে পারে। নিলুফার মঞ্জুরের মৃত্যুতে শুধু স্কুলের নয়, পুরো দেশ ও জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হলো বলে ভিডিওতে উল্লেখ করা হয়।

মরহুমার ছেলে এমসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিন্ডেন্ট সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, মা চলে যাওয়ার পর অনুভব করছি, তিনি কত কিছু করে গেছেন। তিনি বাংলাদেশকে এত ভালোবাসতেন যে, তিনি চাইতেন তার ছেলে-মেয়েরা বাংলাদেশেই থাকুক। দেশের জন্য কিছু করুক। নাসিম মঞ্জুর তার মায়ের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামানায় সবার দোয়া প্রার্থনা করেন। মায়ের জন্য স্মরণসভা ও দোয়া আয়োজনের জন্য তিনি এমসিসিআইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্মরণসভায় আলোচকরা বলেন, সত্যিকার অর্থে নিলুফার মঞ্জুর ছিলেন একজন জাতি গঠনকারী নারী। তার পরিবারের সদস্যরাও নিজ নিজ জায়গা থেকে দেশে ব্যাপক অবদান রেখে আসছেন। খ্যাতির প্রতি তিনি আকাঙ্ক্ষা কিংবা মুখিয়ে থাকতেন, এমন কিছু না। তিনি ছিলেন অধ্যাবসায়ী, ধৈর্যশীল, বিনয়ী ও অনুপ্রেরণার উৎস। নারী ক্ষমতায়নের অন্যতম উদাহরণ ছিলেন এই শিক্ষাবিদ। মানুষ গড়ার ক্ষেত্রে তার অনাবদ্য ভূমিকা গল্পের মতো হয়ে আছে। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে দেশে ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষার বৈপ্লবিক স্বপ্ন নিয়ে যে বীজ তিনি রোপণ করেছিলেন, পরবর্তীকালে তা বহুমুখী সম্ভাবনার এক অনন্য মহীরূহ হয়ে উঠেছিল মূলত তারই নিরলস পরিশ্রম ও উদ্যমী কর্মকাণ্ডে। পাশাপাশি অন্যদেরও এটি অনুপ্রাণিত করেছিল। আজ দেশে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের যে জয়জয়কার তার একজন সফল রূপকার নিলুফার মঞ্জুর। সানবিমসে ৪৬ বছর ধরে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এভাবে নিলুফার মঞ্জুর ছিলেন শিক্ষা ও আশার বাতিঘর। তিনি শিক্ষার্থীদের সবসময় বিনয়ী হতে বলতেন। আর ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত করতেন। যে কারণে মানুষের কাছে তিনি শ্রদ্ধার পাত্র হয়েছে আছেন।

স্মরণসভা শেষে মরহুমা নিলুফার মঞ্জুরের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে, তার স্বামীর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মুক্তির লক্ষ্যে এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের কল্যাণে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন গুলশান জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান।

উল্লেখ্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ নিলুফার মঞ্জুর দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও অ্যাপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর স্ত্রী। মঞ্জুর এলাহীও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। তিনি বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী ও নিলুফার মঞ্জুর দম্পতির দুই সন্তান। ছেলে সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মেয়ে মুনিজ মঞ্জুর পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোভিড-১৯ প্রটোকল ও স্বাস্থবিধি মেনে সীমিত আকারে জানাজার পর নিলুফার মঞ্জুরকে মঙ্গলবার (২৯ মে) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজা ও দাফনের কাজে সহায়তা করেন আল-মারকাজুল ইসলামীর সদস্যরা। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছেলে নাসিম মঞ্জুর এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নিলুফার মঞ্জুর ১৯৭৪ সালে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সানবিমস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ঢাকার ইন্দ্রিরা রোডে নিজের বাড়ির বাইরে ‘সানবিমস’ সাইনবোর্ড দিয়ে তার স্কুলের যাত্রা শুরু হয়। যেটা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের সবচেয়ে অগ্রগামী একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। বর্তমানে ধানমণ্ডি ও উত্তরায় এ স্কুলের দুটি শাখায় প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। দেশ-বিদেশে এই স্কুলের হাজার হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। অধ্যক্ষ নিলুফার মূলত একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিলেন। প্রখ্যাত এই শিক্ষাবিদের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষাবিদ নিলুফার মঞ্জুরের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। শোক প্রকাশ করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। দেশ-বিদেশে থাকা হাজার হাজার সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রিয় অধ্যক্ষের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।

পাঁচ কোটি টাকায় ট্রেক বিক্রির সিদ্ধান্ত ডিএসই’র

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

পাঁচ কোটি টাকায় ট্রেক বা শেয়ারবাজারে লেনদেন মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই। মাত্র ৬ লাখ টাকা দিয়েই ট্রেকের

পোশাক শ্রমিকদের কাজে যোগ না দেয়ার অভিযোগ মালিকপক্ষের

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি শেষে নারায়ণগঞ্জে রপ্তানিমুখী বিভিন্ন তৈরি পোশাক কারখানা চালু হলেও

বিপিও শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রাইম ব্যাংক ও বাক্কোর সমঝোতা স্মারক সাক্ষর

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো) করোনাভাইরাস

sangbad ad

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংকের

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণে নীতিমালা সহজীকরণসহ বিশেষ সুবিধা

শেয়ারবাজারে বড় উত্থান সূচক-লেনদেন উভয় বেড়েছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

বুধবার (৮ জুলাই) বড় উত্থানে শেষ হয়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স...

জনপ্রিয় হচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং ঋণ আমানত রেমিট্যান্স বাড়ছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

দেশে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে এজেন্ট ব্যাংকিং। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এজেন্ট আউটলেট খোলা হচ্ছে এবং এই সব এজেন্ট আউটলেটে গ্রাহকের

১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলেই নগদ সহায়তা নেয়া যাবে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ পরিবারের মধ্যে যাদের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব খোলা সম্ভব নয়, তারা ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলেও সরকারের নগদ অর্থ সহায়তা নিতে পারবে। ব্যাংকগুলো ১০ টাকায় আমানতসংবলিত হিসাবের মাধ্যমে এই অর্থ বিতরণ করতে পারবে। এর আগে শুধু বিকাশ, রকেট, নগদ ও শিওরক্যাশের মাধ্যমে অর্থ সহায়তা নেওয়ার সুযোগ ছিল। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

গত অর্থবছরে ৬৩০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি কমেছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক খাত। এই খাত থেকে রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশই আসে। কিন্তু করোনা

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে পতন

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

গত বৃহস্পতিবারের মতো রোববারও পতনে শেষ হয়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন। এদিন উভয় শেয়ারবাজারের সব সূচক কমেছে। একইসঙ্গে কমেছে টাকার পরিমাণে লেনদেন।

sangbad ad