• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯

 

রুগ্ণ পুঁজিবাজারে পতন হচ্ছে আরও

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯

সংবাদ :
  • রোকন মাহমুদ
image

রুগ্ণ পুঁজিবাজার দিন দিন আরও জীর্ণশীর্ণ হচ্ছে। নানা অনিয়মে প্রাইমারি বাজারে বন্ধ হয়েছে নতুন কোম্পানির আবেদন গ্রহণ। আর সেকেন্ডারি বাজারে ব্যর্থ হচ্ছে পতন ঠেকানোর সব চেষ্টা। উল্টো সাম্প্রতিক দরপতন রূপ নিচ্ছে বাজারধসে। ডিমিউচুয়ালাইজেশন থেকে শুরু করে কাজে আসছে না চীনা বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও। এমনকি বাজেট প্রণোদনার প্রভাবও নেই সেকেন্ডারি বাজারে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বারবার পুঁজিবাজারের উন্নয়ন আর শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে বাজার পতনে পড়ে শেষ আস্থাটুকুও হারিয়ে যাচ্ছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের। তারল্যসংকসহ নানা কারণে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছে বাজারে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অবস্থাও একই রকম। এমন পরিস্থিতিতে পিপলস লিজিংয়ের অবসায়ন সিদ্ধান্ত এবং বিএসইসির সঙ্গে ডিএসইসির মতপার্থক্য বাজারকে আরও সংকটে ফেলে দিচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠেছে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছেন। এমনকি সংস্থার চেয়ারম্যানের পদত্যাগও চাইছেন তারা।

২০১০ সালের ধসের পর বাজারকে শক্ত অবস্থানে দাঁড় করাতে পুঁজিবাজারগুলোতে ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথক্করণ করা হয়। যাকে ২০১৩ সালে বাস্তাবায়ন করা সেই ডিমিউচুয়ালাইজেশন শেষ পর্যন্ত পুঁজিবাজারকে স্থীতিশীল বা শক্ত অবস্থানে আনতে পারেনি। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য গঠন করা হয় ৯০০ কোটি টাকার একটি স্বল্প সুদের ফান্ড। কিন্তু ঋণের সেই ফান্ডও আস্থা ফেরাতে পারেনি দুই পুঁজিবাজার। যদিও গত বছর সেই ফান্ডের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু বাজার নেমে যাচ্ছে পতনের দিকে। তারপর অনেক সমারোহে চীনা দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে নেয়া হলো। তাদের দেয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ বাজারে আসেনি। এমনকি তখন বলা হয়েছিল চীনা বিনিয়োগকারীরা যে অবকাঠামোগত সুবিধা দেবে তাতে বাজারের অবস্থা শক্ত হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাজারের পতন ঠেকাতে তাও ব্যর্থ হয়েছে। সর্বশেষ বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য কয়েকটি সুবিধা দেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের করমুক্ত লভ্যাংশ আয়ের সীমা ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার থেকে প্রাপ্ত লাভের ওপর দ্বৈত কর পরিহার করা হয়েছে। এছাড়া বাজারে আস্থা বাড়তে নানা সময় নানা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রচারণা, নীতিমালার পরিবর্তন ও প্রশিক্ষণ প্রদানসহ নানা পদক্ষেপ চলমান রয়েছে। কিন্তু এত কিছুর পরও বাজার তার স্বাভাবিক গতি ফিরে পায়নি। বাজারে অধিকাংশ সময় ছিল অস্থিরতা। পতনের মধ্য দিয়েই পার করছে বছরের বেশির ভাগ সময়। সাম্প্রতিক পতন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বিনিয়োগকারীরা আবারও ধসের আশঙ্কা করছেন।

বাজার বিশ্লেষণ : আগের কার্যদিবসের ধারাবাহিকতায় সপ্তাহের প্রথম দিন ডিএসইতে সূচক কমেছে প্রায় ১০০ পয়েন্ট, যা গত কয়েক বছরের মধ্যে ভয়াবহ পতন। এদিন ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি পুঁজি হারিয়েছে বিনিয়োগকারীরা। সোমবারও (২২ জুলাই) আগের দিনের মতোই অবস্থা। দরপতন হয়েছে উভয় পুঁজিবাজারে। এর মধ্য দিয়ে শেষ ১২ কার্যদিবসের মধ্যে ১০ কার্যদিবসেই দরপতন হলো। সেই সঙ্গে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের পর ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক আবারও পাঁচ হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে গেছে। সোমবার লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৬৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯৬৬ পয়েন্টে। অপর দুটি সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ২৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৭৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। শরিয়াহ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৩৯ পয়েন্টে।

এর আগে গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই দেশের পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। তার আগের সপ্তাহে পাঁচ কার্যদিবসেই দরপতন হয়। এমন টানা দরপতনে দুই সপ্তাহে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক হারিয়েছে প্রায় ৫ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাওয়া হয়ে গেছে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। দেখা দিয়েছে লেনদেন খরাও। বাজারের এমন দুরবস্থায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

কারণ অনুসন্ধানে কমিটি : ভয়াবহ এ দরপতনের কবলে পড়ে দিন যতই যাচ্ছে ততই পুঁজি হারাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে প্রতিনিয়তই বাড়ছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাহুতাশ। তবে অতীতের বহুবারের মতো চলমান দরপতনেরও যৌক্তিক কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা। তবে দরপতনের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিএসইসি। বিএসইসির পরিচালক রেজাউল করিমকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ তদন্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে উপপরিচালক মো. অহিদুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম ও মো. রাকিবুর রহমানকে। কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিনিয়োগকারীদের আন্দোলন : অবশ্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে এ মন্দা অবস্থার জন্য কারসাজি চক্রকে দায়ী করা হচ্ছে। ফলে পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা এসব বিনিয়োগকারী শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বারস্থ হয়েছেন। ভয়াবহ দরপতনের প্রতিবাদে দিনের পর দিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করতে থাকা বিনিয়োগকারীরা গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন। বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের নামে দেয়া এ স্মারকলিপিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানসহ পুরো কমিশনারদের অপসারণ করে কমিশন পুনর্গঠন করাসহ ১৫ দফা দাবি জানানো হয়েছে।

বিশ্লেষকরা যা বলছেন : বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে এ দরপতনের পেছনে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য মিলিয়ে একগুচ্ছ কারণ রয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যেসব কারণ উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে দৃশ্যমান কারণগুলো হলো বিনিয়োগকারীর আস্থার সংকট, ব্যাংক খাত তথা আর্থিক খাতের তারল্যসংকট, সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার পাওনা আদায়ে বিটিআরসির পক্ষ থেকে গ্রামীণফোনের ব্র্যান্ডউইডথের সক্ষমতা কমিয়ে দেয়া, মানহীন কিছু কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি, পিপলস লিজিংয়ের অবসায়নের সিদ্ধান্তের প্রভাব। আর অদৃশ্য কিন্তু বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে এমন কারণের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ইস্যুতে নীতির প্রশ্নে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বড় একটি অংশের পরস্পরবিরোধী অবস্থান, প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বা লকইন নিয়ে মার্চেন্ট ব্যাংকার ও ব্রোকারদের ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান, তালিকাভুক্ত কোম্পানির মুনাফা ও লভ্যাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা ইত্যাদি।

বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী সামগ্রিক বিষয়ে বলেন, বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য যেসব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, সেখানে প্রণোদনার কিছু নেই। বাজেটে করমুক্ত লভ্যাংশ আয়ের সীমা বাড়ানো হয়েছে। এ সুবিধা পাবেন যারা কর দেন কেবল তারাই। শেয়ারবাজারের বেশির ভাগ বিনিয়োগকারীই কর দেন না। তাই তাদের জন্য এ সুবিধা কোন কাজে আসবে না। এ ছাড়া বোনাস লভ্যাংশ ও রিটেইনড আর্নিংস নির্ধারিত সীমার বেশি হলে বাড়তি করারোপের যে প্রস্তাব করা হয়েছে তাতে তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানির লভ্যাংশ প্রদানের সক্ষমতা কমে যেতে পারে। কারণ অনেক কোম্পানির নগদ প্রবাহ কম থাকে, তখন তারা বোনাস লভ্যাংশ দেয়। এখন বাড়তি করের ভয়ে বোনাস লভ্যাংশ দেয়াও তাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে। আবার আমাদের বিনিয়োগকারীরা বোনাস লভ্যাংশ অপছন্দ করে এমন নজিরও কম। এ কারণে বাজেটে যেসব ব্যবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে তা বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।

গ্রামীণফোন : সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার পাওনা আদায়ে কোম্পানিটিকে ২ এপ্রিল প্রথম চিঠি দেয় টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। এরপর ৪ জুলাই পাওনা আদায়ে কোম্পানিটির ব্র্যান্ডউইডথ সক্ষমতা কমিয়ে দেয়া হয়। বিটিআরসির নেয়া এ দুই উদ্যোগের কারণে শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির শেয়ারের দামে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। যার প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক বাজারে। গত ১ এপ্রিল গ্রামীণফোনের শেয়ারের বাজারমূল্য ছিল ৪১৭ টাকা। সোমবার তা ৩২২ টাকায় দাঁড়ায়।

পিপলস লিজিংয়ের অবসায়ন : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের এ প্রতিষ্ঠানটিকে অবসায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৯ জুলাই এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এরপর শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির শেয়ারের দামের পাশাপাশি আর্থিক খাতের অন্যান্য কোম্পানির দামেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এর মধ্যে পিপলস লিজিংসহ আর্থিক খাতের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের খেলাপি হয়ে পড়ার তথ্য সংসদে প্রকাশ করা হয়। খেলাপি হয়ে পড়া অন্য চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, এফএএস ফাইন্যান্স, বিআইএফসি ও প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট। এর মধ্যে প্রথম তিনটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত।

বিএসইসি ও বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরোধ : সম্প্রতি কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের তালিকাভুক্তির ইস্যুতে ডিএসই ও বিএসইসির মধ্যে একধরনের বিরোধ তৈরি হয়। আর্থিক প্রতিবেদনে বড় ধরনের অসংগতি থাকায় কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত না করতে অনড় অবস্থান নেয় ডিএসই। পাশাপাশি আর্থিক প্রতিবেদনের অসংগতির বিষয়গুলো বিএসইসিকে অবহিত করে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা চেয়ে চিঠি দেয় ডিএসই। কিন্তু বিএসইসি সেই চিঠির জবাব না দিয়ে উল্টো প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর টাকা কোম্পানির ব্যাংক হিসাবে জমার নির্দেশ দেয়। অন্যদিকে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিতে নানা পক্ষ থেকে ডিএসইর ওপর চাপ ও নানাভাবে ভয়ভীতিও দেখানো হয়। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে ডিএসই কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়। তবে এ ক্ষেত্রে বিএসইসির অবস্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ রয়েছে ডিএসইর সদস্যদের মধ্যে।

১১ জুলাই ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমানের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ তাকে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়ে অনুমোদনের জন্য বিএসইসিতে পাঠায়। কিন্তু বিএসইসি এ বিষয়েও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। এ নিয়েও ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদে ক্ষোভ রয়েছে।

এর বাইরে প্রাকআইপিও বা প্লেসমেন্ট শেয়ারের বিক্রয় নিষেধাজ্ঞা বা লকইনের মেয়াদ নিয়েও ডিএসই, বিএসইসি ও প্লেসমেন্টের সুবিধাভোগী একটি শক্তিশালী পক্ষের মধ্যে রয়েছে তীব্র মতপার্থক্য। আইন পরিবর্তন করে প্লেসমেন্ট শেয়ারের লকইনের মেয়াদ তিন বছর করার উদ্যোগ নিয়েছে বিএসইসি। কিন্তু বাজারে প্লেসমেন্টের সুবিধাভোগী মার্চেন্ট ব্যাংকারদের একটি পক্ষ তা এক বছর রাখতে নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিএসইসি সিদ্ধান্ত না নিয়ে লকইনের মেয়াদসহ সংশ্লিষ্ট আইনের বেশ কিছু সংশোধনীর বিষয়ে জনমত সংগ্রহ করেছে।

ব্রাজিলে রপ্তানি বাড়াতে এফটিএ চুক্তির বিষয়ে আশাবাদী বাণিজ্যমন্ত্রী

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

ব্রাজিলে তৈরি পোশাকসহ অন্যসব পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধিতে নানা উদ্যোগ হাতে নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর একটি হচ্ছে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ)।

পুঁজিবাজারে চার ডজন কোম্পানির পরিচালকের নেই ন্যূনতম শেয়ার

এস এম জাকির হোসাইন

image

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তাদের সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ এবং পরিচালকের ব্যক্তিগতভাবে ২ শতাংশ শেয়ার থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩১৭ কোম্পানির মধ্যে ৪৮

কর ফাঁকি রোধে অ্যাপ তৈরি করবে এনবিআর

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

রাজস্ব ও কর ফাঁকি রোধে সফটওয়্যার এবং মোবাইল অ্যাপ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সফটওয়্যারের মাধ্যমে আয়কর বিভাগের ৬৪৯টি কর অঞ্চলকে মোবাইল অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত

sangbad ad

ঋণ প্রবাহ বাড়ানোর সঙ্গে কমাতে হবে সুদহার : এফবিসিসিআই

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহজলভ্য

এবারও কঠিন হবে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যপূরণ

রোকন মাহমুদ

image

বেসরকারি খাতে ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যপূরণ করাও কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, চলতি

ব্যাংকারদের আইসিটিতে দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) ‘ইউজ অব

বেসকারি ঋণে অর্জন হয়নি মুদ্রানীতির লক্ষ্য

রোকন মাহমুদ

image

বেসরকারি খাতে ব্যাংকের ঋণপ্রবাহ কমছেই। এমনকি গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো। গত জুন পর্যন্ত বার্ষিক

পুঁজিবাজারকে শক্ত ভিত্তিতে দাঁড় করাতে চান অর্থমন্ত্রী

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

পুঁজিবাজারের চলমান দুরবস্থায় বিনিয়োগকারীরা যখন রাস্তায় তখন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানালেন, পুঁজিবাজারকে শক্ত ভিত্তিতে

২০২১ সাল থেকে সকল স্কুল-মাদ্রাসায় কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশে প্রতি বছর ২২ লাখ লোক শ্রমবাজারে প্রবেশ করে, কিন্তু কর্মসংস্থানের জন্য যে পরিমান দক্ষতা দরকার তা তাদের নাই। ফলে অধিকাংশই

sangbad ad