• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

 

ক্লিন ক্লথ ক্যাম্পেইনের প্রতিবেদন

মার্চে বেতন পাননি ১ লাখ ৪৭ হাজার পোশাক শ্রমিক

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

শ্রম অধিকার রক্ষা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংগঠন ক্লিন ক্লথ ক্যাম্পেইন (সিসিসি) সম্প্রতি একটি জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেছে। সেই ফলাফলে বলা হয়েছে, করোনার প্রকোপ বাড়তে থাকলে মার্চে বাংলাদেশের পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে। এই সময়ে দ্রুতগতিতে ক্রয়াদেশ বাতিল হতে থাকে এবং ২৩ মার্চের মধ্যে ১৫০ কোটি ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল হয়। মার্চে ন্যূনতম ১৫০টি কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সেই হিসাব অনুযায়ী, ১ লাখ ৪৭ হাজার শ্রমিক কোন মজুরি পাননি। বাকি ৪২ লাখ শ্রমিক গড়ে ৮ হাজার ৬২২ টাকা বা ১০১ ডলার করে পেয়েছেন। ‘আন্ডার পেইড ইন দ্য প্যানডেমিক : অ্যান এসটিমেট অব হোয়াট দ্য গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রি ওজ ইটস ওয়ার্কার্স’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

জরিপের ফলাফলে আরও বলা হয়, করোনার প্রভাবে গত মার্চ থেকে মে- তিন মাসে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের শ্রমিকরা মজুরি বাবদ হারিয়েছেন ৫০ কোটি ১৬ লাখ ২০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৪ হাজার ২৬১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পোশাক শ্রমিকরা নিয়মিত আয়ের ৩৮ শতাংশ পেয়েছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলে এ হার ৫০ শতাংশেরও বেশি। মহামারী পরিস্থিতিতে ভালো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এমন দেশ এবং চীন ছাড়া অন্য দেশগুলোর শ্রমিকরা মার্চ থেকে মে মাসের মজুরি বাবদ ন্যূনতম ৩ দশমিক ১৯ থেকে ৫ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন। জানুয়ারিতে চীন থেকে পোশাক প্রস্তুতকারক দেশগুলোতে যখন কাঁচামাল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তখন অনেক কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ হতে বাধ্য হয়। পোশাক শিল্পে এর পরের ধাক্কা আসে যখন ইউরোপ ও আমেরিকায় মহামারী ছড়িয়ে পড়ে। তখন পোশাকের ভোক্তা চাহিদা হঠাৎ করেই পড়ে যায়। পাশাপাশি ক্রেতা ব্র্যান্ডগুলো ক্রয়াদেশ বাতিল করে এবং এরই মধ্যে রপ্তানি হওয়া পণ্যের দামি পরিশোধে অস্বীকৃতি জানায়।

সার্বিক পরিস্থিতির ফলেই কারখানা বন্ধ হতে বাধ্য হয়ে শ্রমিকরা বিপাকে পড়েছেন এমন তথ্য উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, যতবার কারখানা বন্ধ হতে বাধ্য হয়েছে, তখনই শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ ছাড়া বা বিনা নোটিসে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদাহরণ দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, কাজ থেকে বরখাস্ত ৭২ দশমিক ৪ শতাংশ শ্রমিককে ছুটি দেয়া হয়েছে ও ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ শ্রমিককে মার্চের মজুরি পরিশোধ ছাড়াই বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনের আরও উল্লেখ করা হয়, মহামারীর আঘাতের আগের হিসাবে বাংলাদেশের ৪ হাজার ৫০০ পোশাক কারখানায় ৪৪ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান হতো। পোশাক খাতের ন্যূনতম মজুরি মাসিক ৮ হাজার টাকা কিন্তু সাধারণ আনুমানিক হিসাবে মাস শেষে শ্রমিকরা পান গড়ে ৯ হাজার ৫৮০ টাকা। এ হিসেবে মাসে সব শ্রমিক পান ৪ হাজার ২১৫ কোটি টাকা বা ৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

মার্চ মাসের ২৬ তারিখ থেকে সরকারি ঘোষণায় শুরু হওয়া শাটডাউন ১৬ মে পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছিল এ তথ্য উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সময়ে কারখানা সচল বা বন্ধ রাখা নিয়ে দিকনির্দেশনার অস্পষ্টতায় শ্রমিক হয়রানির ঘটনা ঘটে। কাজের অনিশ্চয়তা দেখা দেয়ার পাশাপাশি গণপরিবহনের অনুপস্থিতিতে গ্রামে যাওয়া ও গ্রাম থেকে আসা নিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় শ্রমিকদের।

লকডাউন ও ক্রয়াদেশ বাতিলের সমন্বয়ে এপ্রিলে মজুরি পরিস্থিতি আরও প্রকট হয় জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২ হাজার ২০৩টি কারখানার কার্যক্রম অব্যাহত থাকলেও ৫৮০টি কারখানা বন্ধ হয়। ১১৯টি কারখানা লকডাউনের মধ্যে সরকারি সহায়তার বাইরে ছিল। ১ হাজার ৫৯৮টি কারখানা এপ্রিলের বেশির ভাগ সময় কার্যক্রম চলমান রাখে। মে মাসের লকডাউন থাকলেও ২৬ এপ্রিলের পর স্বল্প শ্রমিক নিয়ে বেশির ভাগ কারখানা চালু হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, এপ্রিলে পুরো মাস কাজ করেছেন এমন শ্রমিকরা তাদের মজুরির ৬০ শতাংশ পান, যা পরে ৬৫ শতাংশে বৃদ্ধি করা হয়। ২৬ এপ্রিলে যে শ্রমিকরা পুনরায় কাজ শুরু করেন, তারা ২৬ দিনের জন্য ৬৫ শতাংশ মজুরি এবং বাকি পাঁচ দিনের পূর্ণাঙ্গ মজুরি পান। এ মজুরি কারখানা মালিকের দেয়ার কথা। বন্ধ কারখানাগুলোর শ্রমিকরা কোন মজুরি পাননি, লকডাউনের আওতায় থাকা শ্রমিকরা ৬৫ শতাংশ মজুরি গ্রহণ করেছেন এবং সরকারি সুবিধার বাইরে থাকা শ্রমিকরা কোনকিছুই গ্রহণ করেননি। এপ্রিলে শ্রমিকরা নিয়মিত মজুরির চেয়ে ১৩ শতাংশ কম পেয়েছেন, এপ্রিলে পেয়েছেন ৪৬ শতাংশ কম, মে মাসে পেয়েছেন ২৫ শতাংশ কম। এ হিসেবে মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত গড়ে ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ কম মজুরি পেয়েছেন শ্রমিকরা। ডলারে যার পরিমাণ ৫০ কোটি ১৬ লাখ ২০ হাজার এবং বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ২৬১ কোটি ২৪ লাখ।

রেমিট্যান্সের কাগজ দ্রুত পাঠানোর তাগিদ বাংলাদেশ ব্যাংকের

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

গ্রাহকের নগদ সহায়তা প্রাপ্তিতে বিলম্ব ও রেমিট্যান্স আহরণকারী ব্যাংকের হিসাবায়ন নিষ্পত্তিতে সময় নষ্ট না করায় কাগজপত্র দ্রুত পাঠানোর তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কার্যকর সাপ্লাইচেইন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার আহ্বান

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

কার্যকর সাপ্লাইচেইন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

বাজার মূলধন ফিরেছে ১৭ হাজার কোটি টাকা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

গত সপ্তাহ পতনে শেষ হয়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন। গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারের সব সূচক কমেছে।

sangbad ad

বস্ত্র অধিদফতরের নিবন্ধন নেই ৮০ শতাংশের বেশি প্রতিষ্ঠানের

নাজমুল হুদা

image

দেশে বস্ত্র শিল্পের বিকাশে ২০১৮ সালে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। এই আইনে বস্ত্র অধিদফতরের মাধ্যমে এই শিল্প খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধন করতে বলা হয়।

পুঁজিবাজারের বিনিয়োগে বিশেষ তহবিলে সুদহার কমলো

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

দেশের পুঁজিবাজারকে চাঙ্গা করতে বিশেষ তহবিল গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এই তহবিলের সুদহার আগের থেকে কমিয়েছে

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ৭৯৪তম সভা

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের নির্বাহী কমিটির ৭৯৪তম সভা সম্প্রতি ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে যথাযথ

স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ২৪৪৯ টাকা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৪৪৯ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ফলে দেশের বাজারে ভালো

ফিনসেনে প্রকাশিত লেনদেনের তথ্য সন্দেহজনক নয় : ব্যাংক কর্র্র্তৃপক্ষ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশের তিন ব্যাংকের সন্দেহজনক লেনদেনের যে নথি যুক্তরাষ্ট্রের ফিনানশিয়াল ক্রাইম এনফোর্সমেন্ট নেটওয়ার্কের

শনিবার নোয়াখালী গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

আগামী শনিবার ঢাকাস্থ বৃহত্তর নোয়াখালী গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।