• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ২৭ মে ২০২০

 

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে ১১ কৌশলে নেয়া হবে ১৩৭টি পদক্ষেপ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

মানিলন্ডারিং অর্থনীতির শত্রু আর মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে সন্ত্রাস তৈরি হয়, যা দেশের শত্রু। তাই অর্থনীতি এবং মানব সভ্যতার জন্য মানিলন্ডারিং বড় হুমকি। এটি শুধু আমাদের জন্যই হুমকি এমনটি নয়, মানিলন্ডারিং সব দেশের জন্যই হুমকি। আমাদের এই মাটি থেকে আমরা মানিলন্ডারিং দূর করব। তবে আমরা একা আওয়াজ তুলে এর প্রতিরোধ করতে পারব না। এ সমস্যা সমাধানে কোন দেশের একক প্রচেষ্টায় ফলাফল পাওয়া সম্ভব নয়। জাতীয় স্বার্থেই বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশকে অর্থপাচার রোধে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। যদি সবাই মিলে কাজ করি তবে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে সফল হব বলে আশা করি।

১৭ নভেম্বর রোববার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘অর্থপাচাররোধে জাতীয় কৌশলপত্র ২০১৯-২১’ শীর্ষক সেমিনারে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়, বিএফআইইউ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে কৌশলপত্র বাস্তাবয়নের সঙ্গে সশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সঞ্চালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পুলিশের এডিশনাল আইজিবি চৌধুরি আবদুল্লা আল মামুন, এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদসহ আরও অনেকে। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও জাতিসঙ্ঘের প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশের অবস্থান মূল্যায়ন করতে এশীয় প্যাসিফিক গ্রুপ (এপিজি) ৪০টি শর্ত দিয়েছে। এর প্রথমটি হচ্ছে অর্থ পাচার, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে ‘জাতীয় কৌশলপত্র’ প্রণয়ন করা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এরই ভিত্তিতে কৌশলপত্র তৈরি করে। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশের কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন এপিজি প্রতি বছর করে। এ কৌশলপত্রের আলোকে সংস্থাটি মূল্যায়ন করবে। তিন বছরের জন্য প্রণিত কৌশলপত্র ২০১৯-২০২২ অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দেয়া হয়।

রোববার সেমিনারের শুরুতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে জাতীয় কৌশলপত্র উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান আবু হেনা মো. রাজি হাসান। কৌশলপত্রে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন রোধে মোট ১১টি কৌশলের বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হয়। এই ১১টি কৌশলের মাধ্যমে ১৩৭টি কার্যকর পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। কোন কৌশল কোন কোন সংস্থা বাস্তাবয়ন করবে এবং কার কি দায়িত্ব রয়েছে তা তুলে ধরা হয়।

কৌশলপত্রটি বাস্তাবায়নে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রয়েছেন- দুদক চেয়ারম্যান, এটর্নি জেনারেলের অফিস, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এনবিআর চেয়ারম্যান, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের আইজি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিএফআইইউর প্রধান, নারকোটিক বিভাগের মহাপরিচালক ও এনজিও ব্যুরোর মহাপরিচালক।

দেশ থেকে টাকা পাচার প্রতিরোধের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত, ব্যবসা-বাণিজ্যের আড়ালে সংঘটিত মানিলন্ডারিং কমিয়ে আনা, আর্থিক ঘটনা অনুসন্ধানের গুণগতমান বৃদ্ধি ও সরকারি-বেসরকারি খাতে দুর্নীতি প্রতিরোধে অ্যাকশন প্ল্যান ঘোষণা করা হয় ওই কৌশলপত্রে। সেখানে মানবপাচার, চোরাচালন ও মাদক ব্যবসা প্রতিরোধ এবং আর্থিক খাতে প্রযুক্তির ব্যবহারকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। জাতীয় কৌশলপত্রে ১৩৭টি কার্যকরী পদক্ষেপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- এ পর্যন্ত বিদেশে কত টাকা এবং কিভাবে পাচার হয়েছে তা বের করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফইউ), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দায়িত্ব দেয়া। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সংস্থা তিনটি এ সংক্রান্ত রিপোর্ট দাখিল করবে। এ ছাড়া বিদেশে সেকেন্ড হোম কারা গড়ে তুলছে, এসব ক্ষেত্রে কতজন বিনিয়োগকারী আছে, কারা দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন এবং দেশে দ্বৈত নাগরিক সংখ্যা কত তাও বের করা হবে। এ তথ্য বের করার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিএফইউ, পুলিশ ও সরকারের একটি এজেন্সির। পাশাপাশি দেশে কতজন বিদেশি কাজ করছে, তাদের মাধ্যমে কত টাকা বিদেশে রেমিটেন্স আকারে যাচ্ছে এটিও বের করা হবে।

টাকা পাচারের রুট শনাক্ত করতে বিদেশের মিডিয়াগুলোতে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন প্রচার ও অনলাইনে বেচাকেনার নামে কত টাকা বেরিয়ে যাচ্ছে সেটি শনাক্ত করা হবে। ব্যাংকের ঋণের মাধ্যমে টাকা নিয়ে বিদেশে কত টাকা পাচার করা হয়েছে তাও সন্ধান করা হবে। কর ফাঁকি রোধে এ সংক্রান্ত আইন সংশোধন করা হবে। ২০২০ সালের মধ্যে মধ্যে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে আন্ডার ইনভয়েস ও ওভার ইনভেয়স কার্যক্রমকে মনিটরিং করা হবে।

ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং, মূলত আন্ডার ও ওভার ইনভয়েসের মাধ্যমে সেটি বের করা হবে। সেখানে বলা হয়, শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, সফটওয়্যার, শিল্পায়নের ডিজাইন, কম্পিউটার এক্সেসরিজ ও পণ্যের মূল্য নির্ধারণ ও কর কম আরোপ করার মাধ্যমেও অর্থ পাচার হচ্ছে। এসব খাত খতিয়ে দেখা হবে। এ ছাড়া ১১টি কার্যকরী পদক্ষেপের মধ্যে উল্লেযোগ্য হচ্ছে- ব্যাংকগুলোর এলসিতে দেয়া মূল্য অধিক যাচাই-বাছাই করা, প্রত্যেক বাণিজ্যিক ব্যাংকে নিজস্ব ডাটাবেজ স্থাপন ও এলসির মূল্য যাচাই-বাছাই করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলা হয়।

সেমিনারে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন নিয়ে আমরাও সমস্যায় আছি। তবে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে। সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব সমস্যা একা সমাধান করা যাবে না। সব রাষ্ট্রের সহায়তা লাগবে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার মতো অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন রোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে উৎসাহিত করতে পশ্চিমা বিশ্বের একটি দেশের প্রবাসীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে বাংলাদেশে পাঠানো হতো। আমরা কয়েক বছর ওই দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, কিন্তু তারা আমাদের বিষয়টি উপলব্ধি করতে চায়নি। সম্প্রতি নিজেরাই একটি সমস্যায় পড়ার পর আমাদের বিষয়টি তারা উপলব্ধি করেছে। আমাদের সমস্যাটা তারা এখন দেখছে। অনেক আগে তারা বিষয়টি উপলব্ধি করলে আমরা অনেক সমস্যা থেকে রক্ষা পেতাম। শাহরিয়ার আলম বলেন, সিঙ্গাপুরের সঙ্গে আমাদের এ ধরনের একটি সমস্যা ছিল। দেশটিকে জানানোর পর, সঙ্গে সঙ্গে তারা পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন সিঙ্গাপুরের সঙ্গে আমাদেও কোনও সমস্যা নেই।’ তিনি বলেন, ‘বন্ধুরাষ্ট্রগুলোকে আমাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা অনুধাবন করতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)- এর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ওভার ইনভয়েসিং এবং আন্ডার ইনভয়েসিং এর মাধ্যমেই মূলত টাকা পাচার হয়। অর্থপাচারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে সবাই একে অপরের সঙ্গে তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যমে সহযোগিতা করে। তাই অপরাধীদের চিহ্নিত করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। এ ছাড়া এসব মামলার সমাধানে অনেক কালক্ষেপণ হয়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ২০৪০টি অপরাধের সমাধান করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ৫০০ মিলিয়ন ডলার অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু সংঘটিত অপরাধের সংখ্যার চেয়ে অনেকগুণ বেশি। সুতরাং এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই প্রতিরোধ করার মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, মানিলন্ডারিং হলো প্রাতিষ্ঠানিক অপরাধের অক্সিজেন। একটি দেশের অর্থনীতিকে রক্ষা করতে হলে এটা প্রতিরোধ করা খুবই জরুরি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম বলেন, অর্থপাচার রোধ করা আমাদেও নৈতিক দায়িত্ব। আজকে প্রকাশিত এই কৌশলপত্রের মাধ্যমে অর্থপাচার প্রতিরোধ করা যাবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি বলেন, এজন্য বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, পুলিশ এবং পররাষ্ট্র্র মন্ত্রণালয় একত্রে কাজ করছে।

জরিমানা-সুদ ছাড়া মার্চ-এপ্রিলের ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সুযোগ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

গত মার্চ ও এপ্রিল মাসের ভ্যাট রিটার্ন জরিমানা ও সুদ ছাড়া ৯ জুন পর্যন্ত দাখিল করা যাবে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর। গতকাল মঙ্গলবার ছুটির দিনেও এক বিশেষ আদেশে এনবিআর বলেছে, লকডাউনের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান মার্চ ও এপ্রিল মাসের ভ্যাট রিটার্ন (দাখিলপত্র) সময়মতো জমা দিতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ও সুদ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৯ জুন পর্যন্ত এসব রিটার্ন দাখিল করা যাবে।

এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান কুতুবুদ্দিন আহমেদ করোনায় আক্রান্ত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী কুতুবুদ্দিন আহমেদ। এখন তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন । গত সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুস সালাম মুর্শেদী। তিনি জানান, শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থ অনুভব করায় তার করোনার পরীক্ষা করানো হয়। গত ২৩ মে টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে বেক্সিমকোর ৬৫ লাখ পিপিই গাউন রপ্তানি

মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন

image

বিশ্বমানের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পারসোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট বা পিপিই) উৎপাদনকারী দেশের কাতারে যোগ দিলো বাংলাদেশ।

sangbad ad

৩১ মে লেনদেন চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে ডিএসই

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ঈদের পর ৩১ মে লেনদেন চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এজন্য ডিএসইর সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে ৩১ মে অফিসে যোগদান করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৪ মে) ডিএসইর চেয়ারম্যানের নির্দেশনার আলোকে মানব সম্পদ বিভাগ থেকে ডিএসইর সকল বিভাগের প্রধানের কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের দাবিতে ১৬ লাখ ৩৯৯৪৮ কোটি টাকার জাতীয় স্বপ্নবাজেট প্রস্তাবনা পেশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২০ নং অনুচ্ছেদে অধিকার ও কর্তব্যরুপে কর্ম শীর্ষক (ক) অধ্যায়ে বলা হয়েছে: “কর্ম হইতেছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং “প্রত্যেকের নিকট হইতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী”-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মে জন্য পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

বহুজাতিক কোম্পানি পুঁজিবাজারে নিয়ে আসবো

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নব নিযুক্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল

এসএমই ব্যবসায়ীদের বিশেষ ঋণ পেতে সহায়তা করবে এফবিসিসিআই

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাস চলাকালে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ব্যবসায়ীদের সাথে

পরিবর্তিত বিশ্ববাণিজ্যের সুযোগ গ্রহণের সুযোগ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিবর্তিত বিশ্ববাণিজ্যের সুযোগ গ্রহণের সুযোগ এসেছে।

বিএসইসি চেয়ারম্যানকে বিএমবিএ-স্টেকহোল্ডার সোসাইটির অভিনন্দন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে

sangbad ad