• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২০

 

বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতার নামে বছরে ২৬ হাজার কোটি টাকা পাচার

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতার নামে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ২৬ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। কম করে ধরলেও বাংলাদেশে আড়াই লাখ বিদেশি কর্মী কাজ করেন। এর মধ্যে পর্যটক ভিসায় এসে কাজ করেন ১ লাখ ৬০ হাজার কর্মী। এসব বিদেশ কর্মী প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেন। বাংলাদেশে বিদেশিদের কর্মসংস্থান: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এক গবেষণার পর্যবেক্ষণে এই প্রাক্কলন তুলে ধরা হয়।

রাজধানীর ধানমণ্ডির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) তুলে ধরা ওই গবেষণা প্রতিবেদনে বৈধ বিদেশি কর্মীরা কীভাবে বেতন কম দেখিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে তারও একটি হিসাব দিয়েছে টিআইবি।

সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীদের সাক্ষাৎকার এবং আইনি নথি-নীতিমালা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য, গবেষণা প্রতিবেদন ও গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে এ গবেষণা হয়েছে।

২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে করা গুণগত এ গবেষণায় কোনো জরিপ চালানো হয়নি, শুধু তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে বলে টিআইবি জানিয়েছে।

টিআইবি বলছে, বাংলাদেশে বৈধ ও অবৈধভাবে কর্মরত বিদেশি কর্মীর প্রকৃত সংখ্যা ও পাচার করা অর্থের পরিমাণ নিয়ে নির্ভরযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক কোনো তথ্য না থাকলেও গবেষণার সার্বিক পর্যবেক্ষণে অর্থ পাচার ও রাজস্ব ক্ষতির যে পরিমাণ উঠে এসেছে তা উদ্বেগজনক।

পর্যবেক্ষণে বলা হয় “বাংলাদেশে বিদেশি কর্মী নিয়োগে কোনো সমন্বিত ও কার্যকর কৌশলগত নীতিমালা নেই। বিদেশি কর্মী নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ নেই। ফলে এসব বিদেশি কর্মী নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়হীনতা লক্ষণীয়।”

বছরে পাচার ২৬ হাজার কোটি টাকা: গবেষণার প্রাক্কলন অনুযায়ী, বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কর্মীর ন্যূনতম সংখ্যা ধরা হয়েছে ন্যূনতম আড়াই লাখ, যারা বছরে ন্যূনতম ২৬ হাজার ৪০০ লাখ কোটি টাকা পাচার করে। এর মধ্য বাংলাদেশ বছরে ন্যূনতম ১২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

আড়াই লাখ বিদেশির সংখ্যা নির্ধারণ ও রাজস্ব ফাঁকির একটি অনুমিত ব্যাখ্যাও দিয়েছে টিআইবি।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন জানান, দেশে বৈধভাবে কর্মরত বিদেশির সংখ্যা ৮৫ হাজার ৪৮৬ জন। পর্যটন কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর ৮ লাখ পর্যটক ভিসা নিয়েছে।

টিআইবি বলছে, পর্যটক ভিসায় কাজ করা নিষিদ্ধ হলেও এই ভিসায় বিদেশিরা অবৈধভাবে দেশের বিভিন্ন খাতে কাজ করছেন। ৮ লাখ পর্যটকের অন্তত ৫০ শতাংশ বা চার লাখ ভিসা কাজের উদ্দেশ্যে ব্যবহার হয়।

এসব ভিসার সর্বোচ্চ মেয়াদ ৩ মাস হওয়ায় তারা তিন মাস পর পর দেশে গিয়ে আবার ভিসা নিয়ে ফিরে আসে। অর্থাৎ একজনকে বছরে গড়ে আড়াইবার ভিসা নিতে হয়। সে হিসেবে পর্যটক ভিসায় প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার (৪ লাখ/২.৫) বিদেশি কাজ করেন।

এর সঙ্গে বৈধ বিদেশি কর্মী প্রায় ৯০ হাজার যোগ করে মোট বিদেশি কর্মীর সংখ্যা ন্যূনতম আড়াই লাখ ধরা হয়েছে। জনপ্রতি ন্যূনতম গড় মাসিক বেতন দেড় হাজার ডলার ধরে বিদেশি কর্মীদের মোট বার্ষিক আয় ৪৫০ কোটি ডলার হিসাব করা হয়েছে।

সেখান থেকে ৩০ স্থানীয় ব্যয় বাদ দিলে মোট পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ দাড়ায় ৩১৫ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা (১ ডলার = ৮৫ টাকা)। বিদেশিদের ৩০ শতাংশ করহার ধরে ন্যূনতম রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩৫ কোটি ডলার বা প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা।

টিআইবি বলছে, বাংলাদেশে কর্মরত বৈধ বিদেশির হিসাবে নিয়ে সরকারি সংস্থার মধ্যেই মিল নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে বিদেশি কর্মীর সংখ্যা ৮৫ হাজার ৪৮৬ জন বলেছেন। কিন্তু ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের হিসাবে কর্মোপযোগী ভিসার সংখ্যা ৩৩ হাজার ৪০৫টি। আর বিডা, বেপজা ও এনজিও ব্যুরো- তিন সংস্থার দেওয়া কর্মানুমতির সংখ্যার ১১ হাজার ১৮০টি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, “তথ্যের অভাব আছে এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব আছে। সরকারের কতটুকু সদিচ্ছা আছে সেটাও দেখতে হবে।

“যারা রিটার্ন দিচ্ছেন, তারা সঠিকভাবে দিচ্ছেন কিনা সেটাও দেখার বিষয় আছে। অনেক সময় হয়, টুরিস্ট ভিসা নিয়ে কাজ করছে, ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে, কারণ সেখানে অবৈধ লেনদেন আছে।”

কম বেতন দেখিয়ে রাজস্ব ফাঁকি: টিআইবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কর অঞ্চল-১১-তে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন সাড়ে ৯ হাজার বিদেশি, যাদের বার্ষিক আয় ৬০৩ কোটি টাকা। যাতে মোট কর পাওয়া গেছে ১৮১ কোটি টাকা।

তৈরি পোশাকখাতে কর্মরত বিদেশিদের আয়ের হিসাব তুলে ধরে গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ খাতের একটি প্রতিষ্ঠানের বিদেশি প্রধান নির্বাহীর মাসিক বেতন ১০ থেকে ১২ হাজার মার্কিন ডলার। কিন্তু দেখানো হয়েছে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার ডলার।

আর একজন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক বেতন ৩-৬ হাজার ডলার হলেও দেখানো হয় ১-২ হাজার ডলার।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “এখানে পরিষ্কারভাবে একটি যোগসাজশ। আয় যা তা দেখাতে হলে রিটার্নে দেখাতে হবে- এটা নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান যেমন চায় না, তেমনি কর্মী চায় না।

“ফাঁকি দেওয়া সম্ভব বলে তারা এটি করছে। এই অবৈধ কাজ চলছে। এটা সম্পর্কে সরকারের বিভিন্ন মহলে বিক্ষিপ্ত ধারণা ছিল। তাদের কাছে সেভাবে তথ্য নেই।”

অবৈধ লেনদেনে গোয়েন্দা সংস্থা: টিআইবি বলছে, বাংলাদেশে বৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম পেয়েছে টিআইবি। নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পদে যোগ্য দেশি কর্মী খোঁজা হয় না এবং বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ম রক্ষার তাগিদে আনুষ্ঠানিকভাবে সারা হয়।

এসব কর্মী নিয়োগে ভিসার সুপারিশপত্রে জন্য ৫-৭ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনে হয়। বিদেশে বাংলাদেশ মিশন থেকে ভিসা নিতে ৪ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা, কাজের অনুমতি নিতে ৫-৭ হাজার টাকা, পুলিশের বিশেষ শাখার ছাড়পত্র পেতে ৫-৭ হাজার টাকা, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) ছাড়পত্রের জন্য ৩-৫ হাজার টাকা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাড়ের জন্য ২-৩ হাজার টাকা এবং ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য ৩-৫ হাজার টাকা নিয়ম বহির্ভূতভাবে দিতে হয়।

এসব নিয়মবহির্ভূত অর্থ লেনদেনে একটি শ্রেণি লাভবান হচ্ছে জানিয়ে টিআইবি মনে করছে, এজন্য এ খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা যাচ্ছে না।

কোন দেশের কর্মী বেশি: প্রায় ৪৪টি দেশ থেকে আসা বিদেশিরা বাংলাদেশে বিভিন্ন কাতে কর্মরত বলে টিআইবি বলেছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভারত, চীন, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, নরওয়ে ও নাইজেরিয়া।

কোন দেশের মানুষ বেশি আছে জানতে চাইলে টিআইবির গবেষক মনজুর ই খোদা বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে যে তথ্য দিয়েছেন সেখানেই বলা আছে, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কর্মী আসে ভারত থেকে।”

সরকারি প্রকল্পে কর্মরত বিদেশিদের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সরকারি বভিন্ন প্রকল্পে যারা কাজ করেন, অনেকেই ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজ করছেন। তারাও সঠিক বেতন কত সেটা জানায় না “

বিদেশি কর্মীদের ভিসার সুপারিশ পত্র, নিরাপত্তা ছাড়, কর্মানুমতি ও ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত সেবা ওয়ান স্টপ সার্ভিস করার সুপারিশ করেছে টিআইবি।

বিদেশি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন সীমা হালনাগাদ, তথ্য অনুসন্ধানে বিভিন্ন অফিস/কারখানায় এনবিআর বিডা, এসবি সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠন করে অভিযান ও স্থানীয় কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করার সুপারিশও রয়েছে।

১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলেই নগদ সহায়তা নেয়া যাবে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ পরিবারের মধ্যে যাদের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব খোলা সম্ভব নয়, তারা ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলেও সরকারের নগদ অর্থ সহায়তা নিতে পারবে। ব্যাংকগুলো ১০ টাকায় আমানতসংবলিত হিসাবের মাধ্যমে এই অর্থ বিতরণ করতে পারবে। এর আগে শুধু বিকাশ, রকেট, নগদ ও শিওরক্যাশের মাধ্যমে অর্থ সহায়তা নেওয়ার সুযোগ ছিল। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

গত অর্থবছরে ৬৩০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি কমেছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক খাত। এই খাত থেকে রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশই আসে। কিন্তু করোনা

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে পতন

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

গত বৃহস্পতিবারের মতো রোববারও পতনে শেষ হয়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন। এদিন উভয় শেয়ারবাজারের সব সূচক কমেছে। একইসঙ্গে কমেছে টাকার পরিমাণে লেনদেন।

sangbad ad

একদিনের ব্যবধানে কমেছে পাঁচ নিত্যপণ্যের দাম

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

একদিনের ব্যবধানে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কমেছে পাঁচটি নিত্যপণ্যের দাম। এরমধ্যে রয়েছে- পোল্ট্রি মুরগি, ধনে, শুকনা মরিচ, তেজপাতা এবং ছোলা।

করোনায় ভাটা পড়েছে বৈদেশিক বিনিয়োগে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

করোনায় বিপর্যস্ত সারা বিশ্ব। এতে নেতিবাচক অবস্থানে রয়েছে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির সূচকগুলো। এর গতি প্রকৃতি কখন কি হয় তা কেউ...

করোনায় পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবের মৃত্যু

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব খুরশীদ আলম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

ভারত থেকে আমদানি করায় পিয়াজের দাম কমছে হিলিতে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজারে একদিনের ব্যবধানে পিয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৩ টাকা। ৩ জুলাই শুক্রবার সেখানকার

গভর্নর ফজলে কবিরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ শুক্রবার (৩ জুলাই)। অর্থাৎ পরদিন শনিবার (৪ জুলাই) থেকে গভর্নরের পদ খালি। তবে গভর্নরের অবর্তমানে ডেপুটি গভর্নর-১ এসএম মনিরুজ্জামান ও ডেপুটি গভর্নর-২ আহমেদ জামাল এ দায়িত্ব পালন করবেন।

আগস্টের মধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণের নির্দেশ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবিলায় ঘোষিত বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ বিতরণ দ্রুত সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ করে শিল্প ও সেবাখাতের ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের ২০ হাজার কোটি টাকা চলতি জুলাই ও আগামী আগস্টের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

sangbad ad