• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২০

 

পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের অবস্থা জানতে তদন্তে নামল বিএসইসি

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২০

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য ব্যাংকগুলোকে তহবিল গঠনের সুযোগ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, প্রত্যেক ব্যাংক সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারবে। বর্তমানে সেই বিনিয়োগের অবস্থা কি তা জানতে চেয়ে তালিকাভুক্ত ৩০ ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে গত ২৯ জুন চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বিএসইসির উপপরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, কভিড-১৯ মহামারীর এ সময়ে দেশের পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়ন ও তারল্য পরিস্থিতির উন্নতির জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারের তারল্য সংকট নিরসনে প্রতিটি ব্যাংককে বিশেষ তহবিলের মাধ্যমে ২০০ কোটি টাকার বিনিয়োগের সুযোগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকগুলোর বিশেষ তহবিল গঠন ও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন। চিঠি পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়ে কমিশনকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগের জন্য সুযোগ দেয়া হয়েছে। কভিড-১৯-এর এই পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে এগিয়ে এলে তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এ কারণে ব্যাংকগুলোর কাছে চিঠি পাঠিয়ে তহবিল গঠন ও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়েছে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান চিঠির বিষয়ে বলেন, পুঁজিবাজারের তারল্য সংকট নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের যে সুযোগ দেয়া হয়েছে, সেটার সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে আমরা জানতে চেয়েছি। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিশেষ তহবিল গঠন করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে সে বিষয়েও ব্যাংকগুলো আমাদের অবহিত করতে পারে। পুঁজিবাজারের তারল্য সংকট নিরসনে ব্যাংকগুলোর কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করছে কমিশন। চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে দ্য সিটি ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী মাশরুর আরেফিন বলেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার জন্য আমরা সবদিক থেকে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি ও ফ্লোর প্রাইস বেধে দেয়ার কারণে আমরা বিনিয়োগ করতে পারিনি। যেদিন ফ্লোর প্রাইস তুলে দেবে, সেদিন থেকে শেয়ারবাজারের সূচকে বড় পতন হবে। এ ভয়ে বিনিয়োগকারীরা বাজার ছাড়ছেন। বিদেশিরা না ফিরলে দেশের পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শুধু বাজারই নয়, বরং দেশ থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নিচ্ছেন। গ্রামীণফোনের সঙ্গে সরকারের বিরোধ বিদেশিদের মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছে। এজন্য দলে দলে তারা বাজার থেকে বিনিয়োগ তুলে নিয়েছেন। সিটি ব্যাংকের শেয়ারের ২১ শতাংশ বিদেশিদের হাতে ছিল। বর্তমানে আইএফসির বিনিয়োগ ছাড়া বিদেশি বিনিয়োগ নেই বললেই চলে। বিদেশিরা না ফিরলে দেশের পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নেই। এজন্য গ্রামীণফোনের সঙ্গে সরকারের বিরোধ মিটিয়ে বিদেশিদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিতে হবে। এছাড়া ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়ার বিষয়ে রূপরেখা ঘোষণা করতে হবে। এটি হলে বিদেশিরা আস্থা পাবেন। তাদের বিনিয়োগ পুঁজিবাজারে সাহস জোগায়।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বিএসইসির পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোর কাছে চিঠি পাঠানোর বিষয়টি তাদের জানা নেই। এখন পর্যন্ত ১৩ ব্যাংক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য তহবিল গঠন করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে অনুমোদন চেয়েছে। এ ব্যাংকগুলো এ পর্যন্ত ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে। এ তহবিলের ১০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হয়েছে। দেশের পুঁজিবাজারে ২০১৯ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকেই নি¤œমুখিতা চলছে। মাঝেমধ্যে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও সার্বিকভাবে ক্রমশ নিচের দিকেই ধাবিত হয়েছে সূচক। সূচক পতনে বছরের ধারাবাহিকতা দেখা যায় চলতি বছরেও। টানা দরপতনে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের নাভিশ্বাস চরমে উঠে গেলে একসময় তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভও করেন। পুঁজিবাজারে টানা দরপতন ঠেকাতে সরকারের পক্ষ থেকে বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়। এর মধ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়ানো ছিল অন্যতম। চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর মাধ্যমে তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রতিটিকে সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হয়।

তহবিল গঠনের বিষয়টি ঐচ্ছিক হলেও বাজারসংশ্লিষ্টদের ধারণা, সব ব্যাংকই হয়তো পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার জন্য বিনিয়োগে এগিয়ে আসবে। বিশেষ তহবিল গঠনসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির পর এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছিল বাজারে। বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ায় সে সময় ডিএসইর লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার জারির পরে চার মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ১৩টি ব্যাংক তহবিল গঠনের আবেদন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে। অথচ দেশে তফসিলি ব্যাংক রয়েছে ৬০টি। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাংকের বিনিয়োগ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হওয়ার নেতিবাচক প্রভাব দেখা যায় পুঁজিবাজারেও। তার ওপর করোনাভাইরাস আতঙ্কে পুঁজিবাজারে দরপতন আরও তীব্র হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় পুঁজিবাজারের দরপতন ঠেকাতে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির শেয়ারের সর্বনি¤œ দর বেধে দেয় বিএসইসি। ফলে একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে আটকে যায় পুঁজিবাজার। কভিড-১৯-এর প্রভাবে ৬৫ দিন বন্ধ থাকার পর ৩১ মে থেকে পুঁজিবাজারে লেনদেন চালু হলেও ফ্লোর প্রাইসের কারণে প্রাণ নেই বাজারে। নামমাত্র লেনদেন হচ্ছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে। বাজারসংশ্লিষ্ট সবাই ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে দেয়া উচিত বলে মনে করলেও দরপতন আরও তীব্র হওয়ার ভয়ে কেউই মুখ ফুটে ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে দেয়ার কথা বলছেন না। বিএসইসিও বাজার কিছুটা ঘুরে না দাঁড়ালে ফ্লোর প্রাইস ওঠাতে পারছে না। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে এগিয়ে এলে বাজারে তারল্য পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, তালিকাভুক্ত অধিকাংশ ব্যাংকের পুঁজিবাজারে কার্যক্রম পরিচালনাকারী সাবসিডিয়ারি যেমন ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংক রয়েছে। সাবসিডিয়ারি এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়লে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা বাড়বে। এজন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির পক্ষ থেকে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। প্রজ্ঞাপন জারির পরও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে ব্যাংকগুলো আগ্রহী না হওয়ার কারণে ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি অর্থমন্ত্রীও উদ্যোগ নেন। ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সঙ্গে একাধিকবার এ ইস্যুতে বৈঠকও করেছেন তিনি। এমনকি এ বছরের মার্চে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর সঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পর্ষদ বৈঠক করে। তবে নানামুখী এসব উদ্যোগ সত্ত্বেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে এখন পর্যন্ত সেভাবে এগিয়ে আসেনি ব্যাংকগুলো। এর পরিপ্রেক্ষিতে সর্বশেষ বিএসইসির পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোর তহবিল গঠন ও বিনিয়োগ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে।

প্রাইজবন্ডের ১০০তম ড্র, প্রথম পুরস্কার ০৯০৭৪৮৫

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের সর্ব?শেষ ১০০তম ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছয় লাখ টাকার প্রথম পুরস্কার বিজয়ীর নম্বর ০৯০৭৪৮৫

মাইক্রোসফটের টিকটক কেনা থমকে গেছে

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

টিকটকে কিনতে কথাবার্তা চালাচ্ছিল মাইক্রোসফট। তবে এখন তা থমকে গেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

সিলেটে গরুর চামড়া ২০ টাকা, ছাগলের চামড়া ফ্রি

প্রতিনিধি, সিলেট

image

সিলেটে কােরবানিতে জবাইকৃত একটি গরুর চামড়া ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে! আর

sangbad ad

রিলায়েন্স-জেরার বিদ্যুৎ প্রকল্পে ৬৪ কোটি ডলারের ঋণ

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

দেশে একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ভারত ও জাপানের যৌথ মালিকানার একটি কোম্পানি ৬৪ কোটি ২০ লাখ ডলারের ঋণচুক্তি করেছে কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে।

চামড়া সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে কন্ট্রোল সেল গঠন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

গত বছর কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। কিন্তু তা মানেনি অনেক ব্যবসায়ী। তাই গত বছর কোরবানির

পার্বত্য অঞ্চলে কৃষিঋণ দিতে বিশেষ নির্দেশনা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

পার্বত্য চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় সাধারণ কৃষক ও জুমচাষিদের সহজে ব্যাংক হিসাব খোলা এবং প্রণোদনা সুবিধার

আইপিডিসির অর্ধ-বার্ষিক ইনভেস্টরস মিট অনুষ্ঠিত

image

বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইপিডিসি ফাইন্যান্স আয়োজন করলো প্রতিষ্ঠানটির অর্ধবার্ষিক ইনভেস্টরস মিট যেখানে আইপিডিসি-র আর্থিক

১৭ বছর পর কমল ব্যাংক রেট

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনা সঙ্কটে অর্থের জোগান বাড়াতে প্রায় ১৭ বছর পর ব্যাংক রেট কমিয়ে ৪ শতাংশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বুধবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে মুদ্রানীতির এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং সরকার নির্ধারিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরের জন্য সম্প্রসারণমুখী মুদ্রানীতি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ করে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও সরকারের নির্ধারিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের মুদ্রানীতি ঘোষণা