• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯

 

নয় বছরেও ক্ষত শুকায়নি পুঁজিবাজারের

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯

সংবাদ :
  • রোকন মাহমুদ
image

দেশের পুঁজিবাজারে মহাধসের ৯ বছরেও ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই আরও একটি মহাধসের আশঙ্কায় দিন পার করছেন বিনিয়োগকারীরা। দেশের বড় পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক ডিএসইএক্স নেমে যাচ্ছে শুরুর অবস্থানে। একই অবস্থা অন্য শেয়ারবাজার সিএসইতেও। তালিকাভুক্ত ১৫ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম এখন ফেসভ্যালুর নিচে। এরপরও থামছে না বাজারের পতন। প্রায় প্রতিদিনই কমছে শেয়ারদর ও সূচক। এ অবস্থায় ১৯৯৬ ও ২০১০ সালের মহাধসের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে বিনিয়োগকারীদের। আরও একটি মহাধসের আশঙ্কায় দিন পার করছেন তারা। বাজারের এ অবস্থায় শুধু বিনিয়োগকারীরাই পুঁজি হারাচ্ছেন তা নয়, অনেক ব্রোকারেজ হাউসও তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে অনেকে বিএসইসিকে ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দিয়েছেন। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীরা চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করছেন। তবে তারল্য সংকট আর চড়া সুদের হারও পুঁজিবাজারের মন্দার অন্যতম কারণ বলছেন কেউ কেউ।

ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর দেশের ইতিহাসে ডিএসই সাধারণ সূচক সর্বোচ্চ স্থানে পৌঁছে। ওইদিন লেনদেন শেষে ডিএসই সূচক দাঁড়ায় ৮ হাজার ৯১৮ পয়েন্টে। একই সঙ্গে ওইদিন মোট লেনদেনকৃত শেয়ারের সংখ্যা, বাজার মূলধন ও মোট লেনদেনের পরিমাণও সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায়। কিন্তু এর পরদিন অর্থাৎ ৬ ডিসেম্বর থেকেই শুরু হয় পতন। কয়েক দিনের ব্যবধানেই তা মহাধসে পরিণত হয়। পুঁজিবাজারের ওই ধসে লোকসানের মুখে পড়েন লাখো বিনিয়োগকারী। ওই সময় পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব কয়েক বিনিয়োগকারীর আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটে। পুঁজিবাজারে সূচকের পতনের পর ফুঁসে ওঠেন বিনিয়োগকারীরা। প্রায় প্রতিদিনই রণক্ষেত্রে পরিণত হতে থাকে পুরো মতিঝিল এলাকা। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও মামলা-মোকদ্দমার ঘটনাও ঘটে। এর রেশ এখনও অনেক বিনিয়োগকারীকে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। দেশের পুঁজিবাজারে মহাধসের ৯ বছর পার হলেও ওই ক্ষত এখনও শুকায়নি। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও এর প্রভাব খুব বেশি পড়েনি বাজারে। ফলে ২০১০ সালের ধসে পুঁজিহারা বিনিয়োগকারীরা এখনও আটকে আছেন লোকসানের বৃত্তে। তাদের আরও গভীরে ডুবিয়ে দিচ্ছে বাজারের অব্যাহত পতনে।

জানা গেছে, ওই ধস কাটিয়ে উঠতে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো সেকেন্ডারি বাজারগুলোকে ডিমিউচুয়ালইজড করা। এছাড়া ওই দুঃসহ স্মৃতি ভুলতে ডিএসইর বড় সূচককে নতুন করে সাজানো হয়। ২০১৩ সালে ২৭ জানুয়ারি ৪ হাজার ৫৫ পয়েন্ট দিয়ে শুরু হয় ডিএসইএক্স। এরপর ৯০০ কোটি টাকার একটি ফান্ড তৈরি করা হয় ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বল্পসুদে ঋণ দিতে। সর্বশেষ ২০১৮ মালে চীনের বড় দুই শেয়ারবাজার শেনজেন ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের কৌশলগত অংশীদার হিসেবে নেয়া হয় ডিএসইতে।

শেয়ারবাজারের তারল্য সংকট কাটাতে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ আমানত অনুপাত (এডিআর) বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেপোর (পুনঃক্রয় চুক্তি) মাধ্যমে অর্থ সরবরাহের সুযোগও দেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বন্ড বিক্রি করে পাওয়া ২০০ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

৪ হাজার ৫৫ পয়েন্টে শুরু করা সূচক ওই বছরই সাড়ে তিন হাজারে নেমে গিয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে বেড়ে ওই সূচক ২০১৬ সালে ২৭ ডিসেম্বর ৫ হাজার অতিক্রম করে। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে তা ৬ হাজার পেরিয়ে যায়। কিন্তু তা বেশিদিন টেকেনি। আর পতনের ধারায় নেমে আসে। ২২ অক্টোবর মঙ্গরবার পর্যন্ত ডিএসই সূচক কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭০৮ পয়েন্টে। চলতি বছর বাজারের অধিকাংশ সময় গেছে পতনে। মাঝে হঠাৎ হঠাৎ বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। এতে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা হারিয়েছে অনেক আগেই। এখন শঙ্কা নিয়ে দিন পার করছেন তারা। একই সঙ্গে ক্ষোভ জমা হয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতি। তারা বলছেন, বাজারের সার্বিক বিষয় দেখার দায়িত্ব বিএসইসির। কিন্তু তারা ওই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। বিএসইসিকে ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরাও। তবে বর্তমানে ব্যাংকগুলোয় তারল্য সংকট ও ঋণের চড়া সুদও বাজারধসের অন্যতম কারণ বলছেন অর্থনীতিবীদরা। যদিও সরকার ঋণের সুদ হার কামানোর জন্য ব্যাংকগুলোকে চাপ দিচ্ছে, তবুও অধিক খেলাপি ঋণের ফাঁদে পড়ে অব্যাহত তারল্য সংকটে পড়েছে ব্যাংকগুলো। এতে কমে আসার পরিবর্তে উল্টো সুদের হার বাড়ছে।

শেয়ারবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ সংবাদকে বলেন, শেয়ারবাজারের স্বার্থে চেয়ারম্যানের পদত্যাগ বিষয়ে সরকারের বিবেচনা করা উচিত। দীর্ঘদিন একই জায়গায় থাকার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বেশকিছু দুর্বল কোম্পানিকে আইপিওতে প্রিমিয়ামে অনুমোদনের কারণে এই খারাপ অবস্থা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে বাজারবিমুখ হচ্ছেন। ফলে আস্থার সংকট আরও প্রকট হচ্ছে।

পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী সংবাদকে বলেন, এ মুহূর্তে শেয়ারবাজারে সব থেকে বড় সমস্যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট। বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের কোন আস্থা নেই। বিএসইসির চেয়ারম্যানকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। কারণ তিনি এতদিনেও বাজার ঠিক করতে পারেননি। একই সঙ্গে যেসব কোম্পানির শেয়ার দর ইস্যুমূল্যের নিচে নেমে গেছে, তা কোম্পানির মালিকদের কিনতে হবে।

বাজারচিত্র : মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এবং ইউনিটের দাম কমছে। ফলে বড় পতন হয়েছে মূল্যসূচকের। পতনের কবলে পড়ে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স প্রায় তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেন ৩০০ কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে। এর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে গত ১২ কার্যদিবসের মধ্যে ১০ দিনই পতন ঘটেছে। এতে লেনদেন নেমে এসেছে ৩০০ কোটি টাকার নিচে। ধারাবাহিক পতনের কবলে পড়ে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স গত ৩৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমেছে। ডিএসইর এ সূচকটি ২ বছর ১১ মাস ৫ দিন বা ৭১১ কার্যদিবসের মধ্যে সর্বনিম্ন নেমেছে। এর আগে ২০১৬ সালের ১১ নভেম্বর ডিএসইএক্স সূচক মঙ্গলবার থেকে নিচে অবস্থান করছিল। অর্থাৎ ওইদিন ডিএসইএক্স সূচক অবস্থান করছিল ৪ হাজার ৬৯৮ পয়েন্টে।

মঙ্গলবার মূল্যসূচকের পতনের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনও। দিনভর ডিএসইর লেনদেন হয়েছে ২৮৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৩৫০ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ বাজারটিতে লেনদেন কমেছে ৬২ কোটি ১৩ লাখ টাকা। লেনদেন খরার বাজারে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ন্যাশনাল টিউবসের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনের ৯ কোটি ২৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুন্নু জুট স্টাফলার্স। এছাড়া লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে সিলকো ফার্মাসিউটিক্যাল, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, রেনেটা, গ্রামীণফোন, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল ও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন।

অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর প্রধান মূল্যসূচক সিএএসপিআই ১৬২ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৩২০-এ অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১০ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৬টির দাম বেড়েছে, ১৯৩টির কমেছে ও ২১টির অপরিবর্তিত রয়েছে।

পুঁজিবাজারে ধসের পর কারণ অনুসন্ধানে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। ওই কমিটি কৃত্রিমভাবে বাজারে কারসাজি করা হয় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করে। একই সঙ্গে এই কারসাজির সঙ্গে যুক্ত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখসহ পুঁজিবাজার পুনর্গঠনে বেশকিছু সুপারিশ করা হয়।

খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে যেসব সুপারিশ করা হয়েছিল, এর সবটি না হলেও বেশ কয়েকটি আংশিকভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জে ডিমিউচুয়ালাইজেশন হলেও সেটি যথার্থভাবে হয়নি বলে তার মতো। তিনি বলেন, ডিমিউচুয়ালাইজেশনের পরও স্টক এক্সচেঞ্জে ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর ৬০ শতাংশ। বাকি ৪০ শতাংশ পুরনোদের মধ্য থেকেই করা হয়েছে। ফলে বাজারে এখনো এর প্রভাব রয়ে গেছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সদিচ্ছার অভাবকেই দায়ী করেন তিনি বলেন, বিএসইসি দায়সারাভাবে কাজ করেছে। বিএসইসি পুনর্গঠন করা হলেও নতুন কমিশন বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করতে পারেনি। কারণ সেখানে আকৃষ্ট করার মতো নেতৃত্ব নেই। ফলে নতুন নতুন কোম্পানি বাজারে যুক্ত হলেও বিনিয়োগকারীরা তেমন আগ্রহী নয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে কারসাজির অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল, তাদের কাউকে এখনও বিচারের আওতায় আনা যায়নি। বিএসইসির সদিচ্ছার অভাবেই অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছেন বলে মত ইব্রাহিম খালেদের। তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হলে কমিশনে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, সৎ, দক্ষ ও আস্থা অর্জনকারী নেতৃত্ব প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১ লাখ ২৫ হাজার পিস কম্বল প্রদান আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শীতার্তদের মাঝে বিতরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১ লাখ ২৫ হাজার পিস কম্বল প্রদান করেছে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

গ্রামে ঋণ দিতে চায় না ব্যাংকগুলো

রেজাউল করিম

image

গ্রামে ঋণ দিতে অনিহা প্রকাশ করছে ব্যাংকগুলো। গ্রামের একজন দরিদ্র মানুষ ব্যাংকে ঋণ নিতে গেলে বিভিন্ন অজুহাতে তাদের ব্যাংকিং

খুচরা বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় : বাণিজ্যমন্ত্রী

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

পিয়াজের বাড়তি দাম আরও কিছুদিন থাকবে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, খুচরা বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা

sangbad ad

পুঁজিবাজারে শুদ্ধি অভিযান চায় বিনিয়োগকারীরা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

পুঁজিবাজারে মানুষের আস্থা ফেরাতে ক্যাসিনোর মতো সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)

আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের ব্যাংক হিসাব জব্দ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বিতর্কিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাংলাদেশে থাকা সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একইসঙ্গে তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি

তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৪ হাজার

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারী এখন ৮০ হাজারেরও বেশি। গত তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৪ হাজার ১১০ জন।

দেশে কৃষি খানার সংখ্যা ৩ শতাংশ কমেছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

দেশ ধীরে ধীরে শিল্পের দিকে আগ্রসর হওয়ায় কৃষি খানার সংখ্যা কমেছে। ২০০৮ সালে কৃষি খানার হার ছিল ৫৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ

কার নিয়ন্ত্রণে পুঁজিবাজার

রোকন মাহমুদ

image

কে বা কারা নিয়ন্ত্রণ করছে পুঁজিবাজার? পাগলা ঘোড়ার মতো আচরণ করছে দেশে মূলধন জোগানোর এক খাতটি। একদিন অস্বাভাবিক

শেয়ারবাজারে বড় দরপতনে দিশাহারা বিনিয়োগকারীরা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

শেয়ারবাজারে মূল্য সূচকের ধারাবাহিক পতনের সঙ্গে তারল্য সংকটও

sangbad ad