• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০

 

চার মাস পিয়াজ আমদানি বন্ধ রাখতে চায় কৃষি মন্ত্রণালয়

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

বছরে চার মাস পিয়াজ আমদানি বন্ধ রাখতে চায় কৃষি মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে বাণিজ্য ও অর্থমন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকও করেছে। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইতিবাচক অবস্থানে ছিল। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ও কৃষকদের কথা চিন্তা করে এ সিদ্ধান্ত ফলপ্রসূ হবে বলে মনে করছে। এ বিষয়ে একটি নীতিমালা করার প্রস্তাবও বিবেচনায় রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।

জানা গেছে, এখনও পিয়াজের দামে হতাশ ভোক্তা। সরকার নানা পদক্ষেপ ও ভরা মৌসুমেও গত বছরের মতো কমছে না দাম। দেশে পিয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ মেট্রিক টন। ১৬ থেকে ১৭ লাখ মেট্রিক টন দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি ৮ থেকে ৯ লাখ মেট্রিক টন আমদানি করা হয়। তবে কৃষকেরা পিয়াজের দাম পেলে বাকি ৮ থেকে ৯ লাখ মেট্রিক টন পিয়াজ বাড়তি উৎপাদন করা সম্ভব।

জানা গেছে, পিয়াজ হার্ভেস্টিং সময় (উত্তোলনকালীন) কৃষকেরা দাম পান না। তাই পিয়াজ উত্তোলনকালীন চার মাস বিশেষ করে এপ্রিল, মে, জুন ও জুলাই মাসে সব ধরনের পিয়াজ আমদানি বন্ধ থাকবে। যাতে করে কৃষকরা পিয়াজের ন্যায্যমূল্য পান এবং পিয়াজ চাষে উৎসাহী হন। চার মাস পিয়াজ আমদানি বন্ধ থাকলে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং দেশে পিয়াজের সংকট থাকবে না বলে মনে করে কৃষি মন্ত্রণালয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাণিজ্য ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে পিয়াজ আমদানি বন্ধের ব্যাপারে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি। চার মাস পিয়াজ বন্ধের বিষয়ে সবাই একমত পোষণ করেছেন। আগামী বছরেই এ বিষয়ে আইন পাস হবে। এবং নতুন বছরের এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে বলে নিশ্চিত করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। কৃষক বাঁচাতেই পিয়াজ আমদানি বন্ধের এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। এটা একটা বড় সিদ্ধান্ত।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ অনুবিভাগ) সনৎ কুমার সাহা জানান, এ বছর পিয়াজ অনেক অস্থিরতা তৈরি করেছে। পিয়াজ নিয়ে নতুন করে সংকট চায় না। আমরা পিয়াজের স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করব। বর্তমানে পিয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ মেট্রিক টন। আমরা বিশ্বাস কৃষক দাম পেলে ৩০ লাখ মেট্রিক টন পিয়াজ উৎপাদন সম্ভব। তাই হার্ভেস্টিং সময়ে আর পিয়াজ আমদানি নয়। বাণিজ্যমন্ত্রীকে এ বিষয়ে বলেছি তিনিও নীতিগত সমর্থন দিয়েছেন। সনৎ কুমার সাহা আরও বলেন, আমরা আশা করছি নতুন বছর থেকে চার মাস পিয়াজ আমদানি বন্ধ থাকবে। এতে কৃষকও বাঁচবে দেশের মানুষও বাঁচবে। পিয়াজের দাম কৃষক কিছুটা বেশি পাবে তবে আমাদের কখনও ২৫০ টাকায় পিয়াজ খেতে হবে না। আমরা পিয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবো। কোন দেশের প্রতি চেয়ে থাকবো না।

পিয়াজ আমদানির ৯৫ শতাংশের বেশি আসে ভারত থেকে। যেমন ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মোট আমদানির ৯৫ শতাংশ পিয়াজ ভারত থেকে এসেছে। এরপরে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১০০ শতাংশ ও ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ পিয়াজ ভারত থেকে এসেছে। এর পাশাপাশি চীন, মিশর, পাকিস্তান ও মায়ানমার থেকে সামান্য পরিমাণে পিয়াজ আমদানি করা হয়।

চলতি বছরের গত ১৩ সেপ্টেম্বর ভারত প্রতি মেট্রিক টন পিয়াজের দাম ৮৫০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পিয়াজের দাম বাড়তে শুরু করে। চলতি বছরে দেশের বাজারে ৩০০ টাকায় পর্যন্ত পিয়াজের দাম বাড়ে।

বিশ্বের ২৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ পিয়াজ চীনে উৎপাদিত হয়। এর পরিমাণ ২৩৯ লাখ ৮ হাজার মেট্রিক টন। এর পরেই ভারতে ১৯৪ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন পিয়াজ উৎপাদিত হয়। যা বিশ্বে মোট উৎপাদনের ২০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এরপরেই রয়েছে মিসর, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, তুরস্ক, রাশিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও ব্রাজিল। বিশ্বে পিয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবদান মাত্র ১ দশমিক ৮৬ শতাংশ। উৎপাদন বাড়লেও দ্রুত জনসংখ্যা বাড়ায় মূলত বেশি পিয়াজ আমদানি করতে হয়। অধিকাংশ পিয়াজ ভারত থেকে আমদানি করে বাংলাদেশ।

বিশ্বে পিয়াজ রপ্তানিতে শীর্ষে ভারত। এরপরেই রয়েছে মায়ানমার, আফগানিস্তান, মিসর, তুরস্ক, চীন, মালয়েশিয়া ও পাকিস্তান। বাংলাদেশে ১৩ লাখ পরিবার পিয়াজ চাষের সঙ্গে ওঁতপ্রোতভাবে জড়িত। দেশের প্রায় সব জেলাতেই পিয়াজ উৎপাদন হয়। প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে পিয়াজ হয়। দাম পাওয়ার পাশপাশি কৃষকদের মানসম্পত বীজ ও সহজ শর্তে ঋণ দিলে আমদানি নির্ভরতা কমবে। চলতি বছরে দাম পাওয়ার কারণে কৃষকেরা এক জমিতে দুইবার পিয়াজ চাষে উৎসাহ দেখাচ্ছেন। অনেক জেলাতে মুড়িকাটা পিয়াজের জমিতে নতুন করে পিয়াজ চাষ করছেন। এ উৎসাহ অব্যাহত থাকলে পিয়াজ আমদানি বন্ধ করা সম্ভব বলে মনে করছেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কৃষি গবেষকেরা। শুধু শীতকাল নয়, পিয়াজের দাম পেলে কৃষকেরা গ্রীষ্মেও চাষ করবেন।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্র (বিএআরআই-বারি) গাজীপুরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শৈলেন্দ্র নাথ মজুমদার বলেন, আমরা নতুন নতুন পিয়াজের জাত উদ্ভাবন করছি। কৃষকেরা দাম পেলে শুধু শীতকাল নয়, গ্রীষ্মেও চাষ করবেন। দাম পাওয়ার কারণে অনেক জেলায় কৃষকেরা মুড়িকাটা পিয়াজ ঘরে তোলার পরে নতুন করে পিয়াজ চাষ করছেন। অর্থাৎ এক বছরে দুইবার পিয়াজ চাষ করছেন। কৃষকের এমন আগ্রহ অব্যাহত রাখার জন্য নতুন বছরে চার মাস পিয়াজ আমদানি বন্ধ থাকবে। পিয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্জন করার আগা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

২৫ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

২৫ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শনোর নোটিশ পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর

ঋণের কিস্তি শোধের সময় আরেক দফা বাড়লো

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাসের কারণে ব্যাংকের ঋণগ্রহীতাদের জন্য বিশেষ সুবিধার সময় আরেক দফা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনো ঋণগ্রহীতা ঋণ শোধ না করলেও খেলাপির তালিকায় দেখানো যাবে না। এ সুবিধা আগে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছিল।

পেশা বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চায় বিড়ি শ্রমিকরা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

পেশা বাঁচাতে বিড়ি শিল্পে নিয়োজিত অসহায়, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, নদীভাঙন কবলিত মানুষ ও শারীরিক বিকলঙ্গ শ্রমিকরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।

sangbad ad

বঙ্গবন্ধুর বিশ্ব রাজনীতির প্রতিষ্ঠানের কৃতী শিক্ষার্থী শেখ হাসিনা : শিল্পমন্ত্রী

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব রাজনীতির একটি প্রতিষ্ঠান আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হচ্ছেন সে প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে কৃতী শিক্ষার্থী।

ভার্চুয়াল ও শারীরিক উপস্থিতি দু’ভাবেই হতে পারে আগামী বাণিজ্য মেলা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাসের কারণে আগামী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অনলাইনে হতে পারে বলে প্রস্তাব করা হয়েছে।

২ পেট্রল পাম্পকে বিএসটিআই’র জরিমানা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

ওজন ও পরিমাপে কম দেয়ার অপরাধে ২ পেট্রল পাম্পসহ ৩ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পণ্যের মান প্রণয়ন এবং নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

করোনায় বাড়ছে পণ্যমূল্য ভোক্তাদের নাভিশ্বাস

নাজমুল হুদা

image

করোনা মহামারী সংকটে রয়েছে দেশের প্রায় সব পেশার মানুষ।

চিনিকল বন্ধ কিংবা শ্রমিক ছাঁটাইয়ের কোন পরিকল্পনা নেই :শিল্পমন্ত্রী

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল বন্ধ কিংবা শ্রমিক ছাঁটাইয়ের কোন পরিকল্পনা শিল্প মন্ত্রণালয়ের নেই।

ছোট উদ্যোক্তাদের গুরুত্ব দিচ্ছে না রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকও

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো বড় উদ্যোক্তাদের যতটা গুরুত্ব দিচ্ছে ততটা গুরুত্ব দিচ্ছে না ছোট উদ্যোক্তাদের প্রতি।