• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২০

 

চলতি বছর ১৮ বিলিয়ন ছাড়িয়ে রেমিট্যান্সের সুবাতাস দিয়ে শেষ হচ্ছে বছর

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

বিনিয়োগ, রপ্তানি, আমদানি, ব্যাংক, শেয়ারবাজার, রাজস্ব আদায়সহ দেশের অর্থনীতির প্রায় সব সূচকের পতন হলেও একমাত্র আশা জাগিয়ে রেখেছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। এই খাতটি চলতি বছরের রেকর্ড গড়ে ১৮ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে। দুই শতাংশ প্রণোদনা দেয়ায় জনশক্তি রপ্তানি কমার পরও রেমিটেন্সে সুখবর দিয়ে শেষ হতে চলেছে বছর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, ২০১৯ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরের ২৬ দিনে (১ ডিসেম্বর থেকে ২৬ ডিসেম্বর) ১৪৮ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। তার আগে ১১ মাসে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে নভেম্বর সময়ে এক হাজার ৬৬৩ দশমিক ৯০ কোটি (১৬.৬৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। সব মিলিয়ে চলতি বছরের ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক হাজার ৮১২ দশমিক ২৭ কোটি (১৮ দশমিক ১২ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অংক ২০১৮ সালের চেয়ে ১৬ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি। এর আগে এক বছরে এতো রেমিট্যান্স বাংলাদেশে আসেনি। ২০১৮ সালে ১৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।

রেমিট্যান্স প্রবাহে সন্তোষ প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এবং মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, বছরের বাকি ৫ দিনে আরও ৩৫-৪০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স আসবে। সে হিসাবে ২০১৯ সালে রেমিট্যান্স সাড়ে ১৮ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকবে।

রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ইতিবাচক ধারায় রপ্তানি আয়ে বড় ধাক্কার পরও বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভও সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। ২৯ ডিসেম্বর রোববার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। রেমিটেন্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। প্রবাসীরা এখন ১০০ টাকা দেশে পাঠালে যার নামে টাকা পাঠাচ্ছেন তিনি ওই ১০০ টাকার সঙ্গে ২ টাকা যোগ করে ১০২ টাকা তুলতে পারছেন। বাজেটে এ জন্য ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

রোববার ‘বাংলাদেশ থেকে শ্রম অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস ইউনিট-রামরু। এতে বলা হয়, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৬ লাখ ৪ হাজার ৬০ জন বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে গিয়েছেন। ডিসেম্বর মাসেও এ ধারা অব্যাহত থাকলে তা গত বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ কম হবে। ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭ লাখ ৩৪ হাজার ১৮১ কর্মী বাংলাদেশ থেকে বিদেশে গিয়েছিল।

এছাড়া অর্থনীতির অন্য সূচকের অবস্থা বেশ নাজুক। টানা চার মাস ধরে রপ্তানি আয় কমায় ২০১৯ সালে বড় ধাক্কা খেয়েছে অর্থনীতির অন্যতম প্রধান এই সূচক। আগামী দিনগুলোতেও ‘এই নেতিবাচক’ ধারা অব্যাহত থাকবে এমন আশঙ্কার কথা প্রকাশ করে সরকারের সহায়তা চেয়েছে রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা। বেশ কিছুদিন ধরেই আমদানিতে ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর অর্থ হল, দেশের মানুষের ভোগ ব্যয় কমেছে এবং নতুন শিল্প স্থাপনে বিনিয়োগ কমেছে। গত অর্থবছর আমদানি ব্যয় আগের বছরের চেয়ে ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়েছিল। কিন্তু চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে আমদানি ব্যয় ৩ দশমিক ১৭ শতাংশ কমেছে। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে (মাসওয়ারি) এবার নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ০৬ শতাংশ, গত বছরের নভেম্বর মাসে তা ছিল ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ চার বছর পর মূল্যস্ফীতি ৬ এর ঘর অতিক্রম করল। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৬ দশমিক ১০ শতাংশ। আর চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫ শতাংশে বেঁধে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এদিকে সরকারের নেয়া ঋণের অবস্থাও ভালো নয়। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেয়ার পরিমাণ বেড়েই চলেছে। চলতি অর্থবছরের পুরো সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ধরা হয়েছিল। কিন্তু তার প্রায় পুরোটা নেয়া হয়ে গেছে পাঁচ মাসেই। ১ জুলাই থেকে ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার ব্যাংক থেকে ধার নিয়েছে ৪৭ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা।

১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলেই নগদ সহায়তা নেয়া যাবে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ পরিবারের মধ্যে যাদের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব খোলা সম্ভব নয়, তারা ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলেও সরকারের নগদ অর্থ সহায়তা নিতে পারবে। ব্যাংকগুলো ১০ টাকায় আমানতসংবলিত হিসাবের মাধ্যমে এই অর্থ বিতরণ করতে পারবে। এর আগে শুধু বিকাশ, রকেট, নগদ ও শিওরক্যাশের মাধ্যমে অর্থ সহায়তা নেওয়ার সুযোগ ছিল। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

গত অর্থবছরে ৬৩০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি কমেছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক খাত। এই খাত থেকে রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশই আসে। কিন্তু করোনা

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে পতন

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

গত বৃহস্পতিবারের মতো রোববারও পতনে শেষ হয়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন। এদিন উভয় শেয়ারবাজারের সব সূচক কমেছে। একইসঙ্গে কমেছে টাকার পরিমাণে লেনদেন।

sangbad ad

একদিনের ব্যবধানে কমেছে পাঁচ নিত্যপণ্যের দাম

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

একদিনের ব্যবধানে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কমেছে পাঁচটি নিত্যপণ্যের দাম। এরমধ্যে রয়েছে- পোল্ট্রি মুরগি, ধনে, শুকনা মরিচ, তেজপাতা এবং ছোলা।

করোনায় ভাটা পড়েছে বৈদেশিক বিনিয়োগে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

করোনায় বিপর্যস্ত সারা বিশ্ব। এতে নেতিবাচক অবস্থানে রয়েছে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির সূচকগুলো। এর গতি প্রকৃতি কখন কি হয় তা কেউ...

করোনায় পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবের মৃত্যু

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব খুরশীদ আলম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

ভারত থেকে আমদানি করায় পিয়াজের দাম কমছে হিলিতে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজারে একদিনের ব্যবধানে পিয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৩ টাকা। ৩ জুলাই শুক্রবার সেখানকার

গভর্নর ফজলে কবিরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ শুক্রবার (৩ জুলাই)। অর্থাৎ পরদিন শনিবার (৪ জুলাই) থেকে গভর্নরের পদ খালি। তবে গভর্নরের অবর্তমানে ডেপুটি গভর্নর-১ এসএম মনিরুজ্জামান ও ডেপুটি গভর্নর-২ আহমেদ জামাল এ দায়িত্ব পালন করবেন।

আগস্টের মধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণের নির্দেশ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবিলায় ঘোষিত বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ বিতরণ দ্রুত সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ করে শিল্প ও সেবাখাতের ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের ২০ হাজার কোটি টাকা চলতি জুলাই ও আগামী আগস্টের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

sangbad ad