• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০

 

করোনায় অর্ধেকে নেমেছে কৃষি ঋণ বিতরণ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ২৮ জুন ২০২০

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

করোনাভাইরাসের কারণে বিপর্যস্ত দেশের অর্থনীতি। এই সময় অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক থমকে আছে। এর প্রভাব পড়েছে কৃষি ঋণ বিতরণেও। মাত্র তিন মাসে ব্যাংকের কৃষিঋণের বিতরণ অর্ধেকে নেমে এসেছে। করোনাকালীন ব্যাংকিং লেনদেন সীমিত থাকায় ঋণের আবেদনই করতে পারেননি কৃষকরা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

করোনায় বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে টেনে তুলতে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষি খাতে স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণ বৃদ্ধির জন্য আগামী ১ বছর সুদ ভর্তুকি দেবে সরকার। কৃষকরা ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। আর ৫ শতাংশ সুদ ভর্তুকি হিসেবে ব্যাংকগুলোকে পরিশোধ করবে সরকার। এছাড়া কৃষি খাতের ঋণের অন্তত ৬০ শতাংশ শস্য খাতে দিতে হবে। কিন্তু সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী- কৃষকদের সেবা দিতে এগিয়ে আসেনি ব্যাংকগুলো। সীমিত আকারে ব্যাংক খোলা ছিল শুধু শহরাঞ্চলে। উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ের সব শাখা বন্ধ ছিল। নতুন ফসল আবাদে ঋণের জন্য আবেদনই করতে পারেননি কৃষকরা। সংকটের সময় ঋণই পাচ্ছে না কৃষকরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চলতি বছরের মার্চে কৃষি খাতে ৩ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা ঋণ দেয় ব্যাংকগুলো, যা আগের বছরের মার্চের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।

গত বছরের এই মাসে ৬ হাজার ২২২ কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়। পরের মাস এপ্রিলে কৃষিঋণ বিতরণে ধস নামে। এপ্রিলে মাত্র ৪৯৬ কোটি টাকা ঋণ দেয় ব্যাংকগুলো। আগের বছর একই সময় ঋণ দেয় ২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা। এপ্রিলে ঋণ বিতরণ কমে প্রায় ৭৯ শতাংশ। এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে ঋণ বিতরণ বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ১৩২ কোটি টাকা। তবে তা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ঋণ বিতরণ কমেছে ৩৭ শতাংশ। আগের বছরে মে মাসে ব্যাংকগুলো কৃষি খাতে ১ হাজার ৮১০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করে। সব মিলিয়ে লকডাউনের তিন মাসে কৃষি খাতে ব্যাংকগুলো ৫ হাজার ৮৬ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। আগের বছরের এই তিন মাসে ঋণ দেয় ১০ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে ঋণ বিতরণ কমেছে ৫০ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনাকালীন ব্যাংকিং সীমিত ছিল। ফলে অন্য ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণ করতে পারেনি। তবে অন্য ব্যাংকও ঋণের কার্যক্রম শুরু করেছে। তারাও সাধারণ ঋণের পাশাপাশি প্রণোদনার ঋণও দিচ্ছে। অনেক ব্যাংকই লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে ঋণ বিতরণ করতে পারবে বলে আমার মনে হয়। কারণ অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য কৃষিকে চাঙ্গা করা জরুরি। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে কৃষি খাতে ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ২৪ হাজার ১২৪ কোটি টাকা। কিন্তু ১১ মাসে (জুলাই-মে) পর্যন্ত বিতরণ করেছে ১৮ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে এক মাসে ৫ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করতে হবে। এছাড়া আগের বছরের আলোচ্য ১১ মাসে ব্যাংকগুলো কৃষি খাতে ঋণ দেয় ২০ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা।

এই হিসেবে ঋণ বিতরণ কমেছে প্রায় ৯ শতাংশ। এদিকে লকডাউনে শাখা বন্ধ থাকায় কৃষিঋণের আদায়ও অনেক কমে গেছে। এপ্রিলে আদায় হয়েছে মাত্র ৭৬৭ কোটি টাকা। আগের বছরে এই মাসে আদায় হয় ১ হাজার ৯১৬ কোটি টাকা। মে মাসে আদায় আরও কমে মাত্র ৫৬১ কোটি টাকায় নেমে আসে। আগের বছরের মে মাসে আদায় হয় ১ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা। এগারো মাসে আদায় ২০ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা থেকে কমে ১৮ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। সামগ্রিকভাবে আদায় কার্যক্রম কমেছে সাড়ে ১১ শতাংশ। তবে এপ্রিল ও মে মাসে আদায় অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ ও আদায় কার্যক্রম স্বাভাবিক ধারায় ছিল। জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি এই নয় মাসে কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ হয় ১৫ হাজার ৯২ কোটি। আগের বছর ছিল ১৪ হাজার ১১৩ কোটি টাকা। কৃষিঋণ বৃদ্ধি পায় ৭ শতাংশ। অন্যদিকে আদায়ের পরিমাণ ১৫ হাজার ৩২১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয় ১৫ হাজার ৫০৮ কোটি।

জনপ্রিয় হচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং ঋণ আমানত রেমিট্যান্স বাড়ছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

দেশে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে এজেন্ট ব্যাংকিং। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এজেন্ট আউটলেট খোলা হচ্ছে এবং এই সব এজেন্ট আউটলেটে গ্রাহকের

১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলেই নগদ সহায়তা নেয়া যাবে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ পরিবারের মধ্যে যাদের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব খোলা সম্ভব নয়, তারা ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলেও সরকারের নগদ অর্থ সহায়তা নিতে পারবে। ব্যাংকগুলো ১০ টাকায় আমানতসংবলিত হিসাবের মাধ্যমে এই অর্থ বিতরণ করতে পারবে। এর আগে শুধু বিকাশ, রকেট, নগদ ও শিওরক্যাশের মাধ্যমে অর্থ সহায়তা নেওয়ার সুযোগ ছিল। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

গত অর্থবছরে ৬৩০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি কমেছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক খাত। এই খাত থেকে রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশই আসে। কিন্তু করোনা

sangbad ad

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে পতন

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

গত বৃহস্পতিবারের মতো রোববারও পতনে শেষ হয়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন। এদিন উভয় শেয়ারবাজারের সব সূচক কমেছে। একইসঙ্গে কমেছে টাকার পরিমাণে লেনদেন।

একদিনের ব্যবধানে কমেছে পাঁচ নিত্যপণ্যের দাম

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

একদিনের ব্যবধানে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কমেছে পাঁচটি নিত্যপণ্যের দাম। এরমধ্যে রয়েছে- পোল্ট্রি মুরগি, ধনে, শুকনা মরিচ, তেজপাতা এবং ছোলা।

করোনায় ভাটা পড়েছে বৈদেশিক বিনিয়োগে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

করোনায় বিপর্যস্ত সারা বিশ্ব। এতে নেতিবাচক অবস্থানে রয়েছে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির সূচকগুলো। এর গতি প্রকৃতি কখন কি হয় তা কেউ...

করোনায় পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবের মৃত্যু

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব খুরশীদ আলম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

ভারত থেকে আমদানি করায় পিয়াজের দাম কমছে হিলিতে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজারে একদিনের ব্যবধানে পিয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৩ টাকা। ৩ জুলাই শুক্রবার সেখানকার

গভর্নর ফজলে কবিরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ শুক্রবার (৩ জুলাই)। অর্থাৎ পরদিন শনিবার (৪ জুলাই) থেকে গভর্নরের পদ খালি। তবে গভর্নরের অবর্তমানে ডেপুটি গভর্নর-১ এসএম মনিরুজ্জামান ও ডেপুটি গভর্নর-২ আহমেদ জামাল এ দায়িত্ব পালন করবেন।

sangbad ad