• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১

 

প্রকাশ্য বিবাদে নির্বাচন কমিশন

এ দ্বন্দ্ব কতখানি শোভন, প্রশ্ন উঠেছে

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১

সংবাদ :
  • সংবাদ অনলাইন ডেস্ক
image

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর অর্পিত সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে না- নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বরাবরই এমন অভিযোগ করে আসছেন। বিভিন্ন সময় এসব অভিযোগ খন্ডন করে বক্তব্য দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। তবে মঙ্গলবার (২ মার্চ) ‘জাতীয় ভোটার দিবস’ উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় একই মঞ্চে এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের ঘটনা ঘটেছে।

সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে কমিশনের দু’জন সদস্যের প্রকাশ্যে দ্বন্দ্বে জড়ানোর ঘটনায় দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। এ দ্বন্দ্ব কতখানি শোভন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে একাধিক বার পদত্যাগ করার কথা বলেও মাহবুব তালুকদার এখনও ‘অনিয়মের’ এই প্রতিষ্ঠানে কেন, এমন প্রশ্নও আছে জনমনে।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.) এ বিষয়ে মঙ্গলবার রাতে সংবাদকে বলেন, ‘আসলে যা ঘটছে, এমনটি আগে কখনও, কোন কমিশনে হয়নি। আগেও বিভিন্ন কমিশনে সদস্যদের বিভিন্ন ইস্যুতে দ্বন্দ্ব ছিল। তবে পাবলিক মিটিংয়ে এভাবে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের ঘটনা ঘটেনি। এমনটি কেউ আশাও করেনি।’

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘একজন কমিশনার যখন নিজ কমিশনের ব্যর্থতার বিষয়ে বক্তব্য দেন, আবার সিইসি তার পাল্টা বক্তব্য জনসম্মুখে দেন, তখন কমিশন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। একজন সদস্য এমন বক্তব্য দিতে পারেন। তবে এ বিষয়ে কমিশন সভায় অভ্যন্তরীণ আলোচনা হতে পারতো।’

ভোটার দিবসের অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, ‘বর্তমানে আমরা দেশব্যাপী পৌরসভা নির্বাচনের প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী এপ্রিল মাস থেকে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় নির্বাচনগুলোর গতিপ্রকৃতি দেখে আমার ধারণা হচ্ছে, বহুদলীয় গণতন্ত্রের জন্য নির্বাচনের যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ও ভারসাম্য রক্ষিত হওয়ার প্রয়োজন ছিল, তা হচ্ছে না। এককেন্দ্রীয় নির্বাচনে স্থানীয় নির্বাচনের তেমন গুরুত্ব নেই, নির্বাচনে মনোনয়ন লাভই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।’ লিখিত বক্তব্যে তিনি নির্বাচনের নানা অনিয়ম তুলে ধরেন।

মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘স্থানীয় নির্বাচনেও হানাহানি, মারামারি, কেন্দ্র দখল, ইভিএম ভাঙচুর ইত্যাদি মিলে এখন একটা অনিয়মের মডেল তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত এসব ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলা হলেও অসংখ্য বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা দুর্ঘটনা মিলে এক ধরনের অবিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়, যা নির্বাচনের অনুষঙ্গ হিসেবে রূপ লাভ করে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার সংস্কার না হলে এখন যে ধরনের নির্বাচন হচ্ছে, তার মান আরও নিম্নগামী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

একই অনুষ্ঠানে মাহবুব তালুকদারের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে সিইসি কেএম নূরুল হুদা বলেন, ‘মাহবুব তালুকদার সাহেব অভ্যাসগতভাবে আমাদের এ নির্বাচন কমিশনে যোগ দেয়ার পরদিন থেকে যা কিছু ইসির নেগেটিভ দিক তা পকেট থেকে একটা কাগজ বের করে পাঠ করতেন। আজকেও এর ব্যতিক্রম হয়নি।’ সিইসি বলেন, ‘দেশের নির্বাচন কমিশনের স্বার্থে তিনি কাজ করেন না। ব্যক্তি স্বার্থে ও একটা উদ্দেশ্য সাধন করার জন্য এ কমিশনকে অপদস্থ করার জন্য যতটুকু যা করা দরকার, ততটুকু করেছেন উনি।’ সিইসি আরও বলেন, ‘ভেবেছিলাম ভোটার দিবস হিসেবে তিনি কিছু বলবেন। কিন্তু তিনি রাজনৈতিক বক্তব্য রাখলেন। ইসিকে কতখানি হেয় করা যায়, কতখানি নিচে নামানো যায়, অপদস্থ করা যায় তা তিনি করে চলেছেন।’

এর আগেও নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন মাহবুব তালুকদার। কমিশন থেকেও যথাসম্ভব ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কমিশন বৈঠকে নানা ইস্যুতে দ্বিমত পোষণ করে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছেন তিনি। কিন্তু একই মঞ্চে বসে কেএম নূরুল হুদা ও মাহবুব তালুকদারের মধ্যে পাল্টাপাল্টি এমন বক্তব্য খুব একটা দেখা যায়নি। মঙ্গলবার অনুষ্ঠানে অপর তিনজন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী (অব.) এবং ইসি সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

একই অনুষ্ঠানে অপর নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেছেন, কোথাও সুষ্ঠু ভোট নেই, এ কথাটা কি সার্বিকভাবে গ্রহণযোগ্য? কোথাও কি সুষ্ঠু ভোট নেই? তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, সুষ্ঠু ভোট হওয়ার বিষয়টিও স্বীকৃতিতে আসা আবশ্যক। তা না হলে ভুল মেসেজ যায় জাতির কাছে।’

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার যেসব কথা বলছেন, সেগুলো ভুল কিনা। আবার ইসি যা বলছে, সেগুলো বাস্তব কিনা, এমন আলোচনাও চলছে রাজনীতি সচেতন মানুষের মাঝে।

এ বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.) বলেন, ‘ভোট কেমন হচ্ছে, সেটা যারা পর্যবেক্ষণ করেন তারা তো দেখছেন। নির্বাচন কমিশন তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারছে না। একরকম জোর-জবরদস্তির ভোট হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এমনিতে এ কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা কমে গেছে। এখন সদস্যদের মধ্যে যা ঘটছে, তাতে এই কমিশনের ভাবমূর্তি অনেক নিচে নেমে গেছে।’

পুলিশ মুভমেন্ট পাস ইস্যু ইতোমধ্যে ৫ লাখ

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

সরকার ঘোষিত লকডাউনে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কারও ঘর থেকে বের হওয়া নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল পুলিশের পক্ষ থেকে।

সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় চিকিৎসকদের জন্য করোনা টেস্টিং বুথ স্থাপন

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সম্মুখসারিতে কর্মরত চিকিৎসকদের করোনা স্যাম্পল সংগ্রহে চট্টগ্রাম মেডিকেল

লকডাউনে স্বাস্থ্যকর্মীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

করোনা মহামারীর মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা পরিচয়পত্র দেখানোর পর ঘাটে ঘাটে পুলিশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

sangbad ad

দু’দিনে রেকর্ড মৃত্যু ১৫ দিনে হাজার পার

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

‘লকডাউনে’ গত দু’দিনে করোনার নমুনা পরীক্ষা কমেছে। এই দু’দিনে প্রায় চার হাজার করে নমুনা পরীক্ষা কমেছে।

লকডাউনেও ঠেকানো যাচ্ছে না মানুষের চলাচল

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

লকডাউন ঘোষণা করে সরকারি-বেসরকারি সব অফিস বন্ধ করে দেয়া হলেও ঠেকানো যাচ্ছে না রাস্তায় মানুষের চলাচল।

সিলেটে মন্দিরে তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা, বৈষ্ণব গ্রেপ্তার

প্রতিনিধি, সিলেট

image

সিলেটের গোলাপগঞ্জের বাঘায় মন্দিরে তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক বৈষ্ণব (পুরোহিত) কে গ্রেপ্তার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।

চিকিৎসকের বাসায় ঢুকে জিনিসপত্র তছনছ

প্রতিনিধি, সিলেট

image

সিলেটে রােটারী ক্লাব নিয়ে বিরােধের জের ধরে একজন চিকিৎসকের বাসায় জােরপূর্বক ঢুকে ল্যাপটপ থেকে বিভিন্ন জায়গায় ই-মেইল পাঠিয়ে বাসার জিনিসপত্র তছনছ করার অভিযােগ পাওয়া গেছে।

ভােলাগঞ্জে অবৈধভাবে পাথর তুলতে গিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

প্রতিনিধি, সিলেট

image

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ রেলওয়ে বাংকারে সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করতে গিয়ে কালবৈশাখির কবলে পড়ে জহিরুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোর শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে।

সিলেটে নামাজের সময় গেটে তালা

প্রতিনিধি, সিলেট

image

মসজিদে ২০ জনের বেশি মুসল্লি নয়- সরকারের এমন নির্দেশনা মানতে গিয়ে সিলেটে মসজিদের গেইটে তালা মেরে দিলেও মুসল্লিদের জোর দাবি ও ক্ষোভের মুখে গেট খুলে দিতে বাধ্য হন মসজিদ কর্তৃপক্ষ।