• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

 

সারাদেশে বেহাল সড়ক-মহাসড়ক

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ মে ২০১৮

সংবাদ :
  • মাহমুদ আকাশ
image

কুমিল্লা : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দিতে তীব্র যানজট -সংবাদ

সারাদেশের বেহাল সড়ক। যানজট মহাসড়কে। দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। সড়ক ও সেতুমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ করেই দায়িত্ব শেষ। কমে গেছে মন্ত্রীর ঝটিকা সফর। তাই যানজট ও দুর্ভোগ থেকে রক্ষার কোন উপায় নেই সাধারণ মানুষের। আসছে রোজা ও ঈদ। খানাখন্দে ভরা সড়ক ও মহাসড়কের যানজটের কারণে ঈদে বাড়িফেরা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন নগরবাসী। সারাদেশের ২১ হাজার কিলোমিটার সড়ক ও মহাসড়ক। এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় অর্ধশত স্থানে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এছাড়া ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কসহ সারাদেশে ৩ হাজার ৮১৩ কিলোমিটারের ৯৬টি জাতীয় মহাসড়ক, ৪ হাজার ২৪৭ কিলোমিটারের ১২৬টি আঞ্চলিক মহাসড়ক ও ১৩ হাজার ২৪২ কিলোমিটারের ৬৫৪টি জেলা মহাসড়ক রয়েছে। এসব মহাসড়কে ঢাকা থেকে বের ও প্রবেশের ৭টি মুখের প্রচ- যানজটে শিকার হতে হয় আন্তঃজেলা পরিবহনকে। দীর্ঘদিন থেকে একই অবস্থা বিরাজ করলেও সমাধানের কোন উদ্যোগ নেই সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের।

ঢাকা-চট্টগ্রাম ১৯২ কিলোমিটার চার লেন মহাসড়কে প্রায় অর্ধশত স্থানে দীর্ঘদিন থেকে যানজটে শিকার হতে হয় যাত্রীদের। ট্রফিক অব্যবস্থাপনা, সিএনজি অটোরিকশা, লেগুনা, বাস, ট্রাক-কাভার্ড ভ্যানের অবৈধ পার্কিং কারণে প্রতিনিয়ত যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে মহাসড়কে ফেনীর ফতেহপুর এলাকার রেলওয়ে লেভেলক্রসিংয়ের ওভারপাস নির্মাণ কাজ। ফেনীর ফতেহপুর রেলক্রসিংয়ের ওভারপাস নির্মাণ কাজ শুরুর আগে দুই পাশে বাইপাস নির্মাণ করার বিধান থাকলেও শুধু এক পাশে তা রয়েছে। সেই পাশও প্রায় ৬০০ মিটার সড়ক খানাখন্দে ভরা, যা যান চলাচলের অনুপযোগী বলে স্থানীরা জানান। এছাড়া কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ও দাউদকান্দি টোল প্লাজাসহ প্রায় ১৩টি স্থানে মহাযানজটে আটকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের। বিশেষ করে মহাসড়কে প্রবেশের আগে কাচপুর ব্রিজ থেকেই শুরু হয় এই যান যানজট। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত থাকে এই যানজট। যানজটের কারণে জনভোগান্তি বাড়ছে প্রতিনিয়ত। ১৪ মে সোমবারও দাউদকান্দি থেকে কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার এলাকায় যানজট ছিলো। মহাসড়কের যানজটের কারণ স্থবির হয়ে পড়েছে ব্যবসা বাণিজ্য। ভয়াবহ এই যানজটের কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। এই দুর্ভোগ থেকে মানুষ রেহাই পেতে চায়। সরকারের ডিজিটাল ও উন্নয়নের যুগে এই দুর্ভোগের কারণে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়। তবে রোববার (১৩ মে) সচিবালয় এক সংবাদ সম্মেলনে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তিনটি রেল ওভারপাস নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনটির মধ্যে কুমিল্লারটি কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন। আরেকটি চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডু এলাকায় সেটা কোন সমস্যার কারণ হচ্ছে না। সেটার কাজও শেষ হওয়ার পথে। আরেকটি হচ্ছে ফেনীতে, ফেনীর রেল ওভারপাসটি একেবারেই প্রথম অবস্থায় কাজ সেøা হওয়ায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান পিবিএল থেকে নিয়ে আমরা সেনাবাহিনীতে কাজটি দিয়েছি। কারণ এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে আমরা যদি আবার টেন্ডার করতে যাই তাহলে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ব্যাপার। সেজন্য ডিপোজিট ওয়ার্ক হিসেবে, ডেলিগেটেড ওয়ার্ক হিসেবে সেনাবাহিনীকে দিয়েছি। সবগুলোর কাজও মোটামুটি শেষ হয়েছে। সেনাবাহিনী আমাদের কথা দিয়েছে এই ঈদের আগে রোজার মধ্যে ওভারপাস নির্মাণ কাজ কমপ্লিট হয়ে যাবে। আগামী ২৪/২৫ দিনের মধ্যে তারা পুরো কাজটি শেষ করবেন। এখন যানজটের কারণে আমাদের পণ্য পরিবহন বিঘিœত হচ্ছে। বিকল্প কোন বাইপাস করারও সুযোগ সেখানে নেই। সেই কারণে আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখিত’ জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

শুধু ২৪/২৫ দিন নয়, পুরো বছরজুড়েই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজটের শিকার হতে হয় বলে স্থানীয়রা জানান। দাউদকান্দি টোল প্লাজায় প্রতিনিয়ত যানজটে আটকে থাকে যানবাহনগুলো। এছাড়া চট্টগ্রামের কর্নেলহাট, ফৌজদারহাট, বারকুন্ড, সীতাকুন্ড, করেরহাট, মীরেরসরাই যানজটে শিকার হতে হয় যাত্রীদের। এছাড়া মহাসড়কজুড়েই বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে ট্রাকস্ট্যান্ড। এসব ট্রাকে করা হয় পণ্য ওঠানামা, কোথাও খালি ট্রাক দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এছাড়া কাভার্ড ভ্যান, কনটেইনারবাহী টেইলার ও রডবাহী ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকে মহাসড়কটির বিভিন্ন স্থানে। চার লেনের এই মহাসড়কে প্রায় এক-চতুর্থাংশ এসব যানবাহনের দখলে চলে গেছে। বাস থামার জন্য নির্মিত ৩৩টি বাস-বে নির্মাণ করা হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে। বিভিন্ন জনবহুল এলাকা ও বাজারগুলোতে এসব বাস-বে গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু কোনটিতেই বাস থামার উপায় নেই। কারণ প্রতিটি বাস-বে দখল করে ট্রাকস্ট্যান্ড তৈরি করা হয়েছে। এসব বাস-বেতে ৪-১০টি পর্যন্ত ট্রাক থাকে নিয়মিত। ফলে মূল মহাসড়কে থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো হয় বিভিন্ন বাসে। এতে মহাসড়কটিতে বিভিন্ন বাজার এলাকায় নিয়মিতই যানজট তৈরি হয় বলে স্থানীয়রা জানান।

এ বিষয়ে হাইওয়ের পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রতিদিন ঢাকা থেকে কমপক্ষে ১৪ হাজার গাড়ি ছেড়ে যায়। আর ১৪ হাজার গাড়ি ঢাকায় আসে। অনেক জায়গায় ৪ লেন আবার অনেক জায়গায় সিঙ্গেল লেন। যেখানে সিঙ্গেল লেন সেখানে যানজট হয়। ওজন মাপার স্থানে কার্ড সিস্টেম পরীক্ষামূলক চালু করলে হয়তো মহাসড়কে যানজট কমবে বলে আশা করা যায়। না হয় যানজট বাড়তে থাকবে বলে অনেকেই মনে করেন। আর এই যানজটের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ব্যবসা ও চট্টগ্রাম বন্দর থেকে শত শত টন পণ্য খালাস করে ঢাকায় পৌঁছাতে পথে পথে চরম ভোগান্তি যেমন হয় তেমনি আর্থিকভাবে ক্ষতি হয়। আর ওই ক্ষতি কেটে উঠতে পণ্যের মূল্য বাড়ানো হয়। এতে জনগণের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ে। আর বাজার মূল্য সব খরচ মিলে বেড়ে যায়।

জানা গেছে, সড়কপথের ঢাকা থেকে বের হলেই খানাখন্দর সড়ক ও যানজটের কারণে চরম দুর্ভোগে শিকার হতে হয় ঘরমুখো মানুষদের। বিশেষ রাজধানীর প্রবেশ ও বের হওয়াপথেই যানজটের কারণে ঘন্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হচ্ছে যাত্রী যানবাহনগুলো। এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-বরিশাল ও ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যাত্রীদের ঢাকা থেকে প্রবেশ ও বের হতে হয় কাচপুর, পোস্তগোলা ও বাবু বাজার ব্রিজ দিয়ে। তাই এই চারটি মহাসড়কের যাত্রীদের প্রবেশ ও বের হওয়ার মুখেই যানজটের শিকার হতে হয়। এর মধ্যে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর চৌরাস্তা থেকে সাইনবোর্ড হয়ে কাচপুর ব্রিজ পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়কে যানজট লেগেই থাকে। তবে ফ্লাইওভার উপরে অনেটটাই ফাঁকা থাকে। এছাড়া কাচপুর ব্রিজ থেকে কুমিল্লার দাউদকান্দি পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকায় প্রতিদিনেই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে। যা ঈদের আরও দ্বিগুণ হওয়া আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের যাত্রীরাও কাচপুর ব্রিজ ব্যবহার করে রাজধানীতে প্রবেশ করে তাই প্রচ- যানজটে শিকার হতে এই মহাসড়কের যাত্রীদের। ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট এই দুই মহাসড়কের যাত্রীদের ঢাকা প্রবেশ করতে হয় চার লেনের একমাত্র কাচপুর ব্রিজ দিয়ে। দুই মহাসড়কের গাড়ির চাপের কারণে ব্রিজে ওঠার ৩০ কিলোমিটার আগ থেকে যানজট তৈরি কাচপুর ব্রিজের মুখে। এছাড়া শনির আখড়া থেকে কাচপুর ব্রিজ পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কে আট লেন নির্মাণ কাজ চলছে সাড়ে ৫ বছর ধরে। তাই সড়কের পাশে নির্মাণ সামগ্রিক ফেলে রাখা, গর্ত ও অবৈধ গাড়ি পার্কিংয়ে প্রতিনিয়ত যানজট তৈরি হয় এই সড়কে।

এছাড়া ঢাকা-বরিশাল ও ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যাত্রীরা রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হয় পোস্তগোলা ও বাবুবাজার ব্রিজ দিয়ে। এছাড়া আরিচা ফেরিঘাট দিয়ে গাবতলীর আমিনবাজার সেতু দিয়েও উত্তরাঞ্চলের যাত্রীদের সাথে ওই মহাসড়কের যাত্রীরা ঢাকায় প্রবেশ করে। কিন্তু ঢাকার প্রবেশের মুখেই জুরাইন রেলগেট থেকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা, বাবুবাজার ব্রিজের ওপর থেকে বংশাল মোড় ও আমিনবাজর ব্রিজ থেকে গাবতলীর মোড় পর্যন্ত যানজটে আটকে থাকতে হয় ঘরমুখো যাত্রীদের। এর মধ্যে জুরাইন রেলগেটে রাস্তা দখল করে ফুটপাতের দোকান, এলোমেলোভাবে গাড়ি পার্কিং ও ট্রাফিকের অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিনিয়ত এই সড়কগুলোতে যানজট গেলে থাকে বলে ভোক্তভুগীরা জানান।

এদিকে বাবুবাজার ব্রিজের উপরে অবৈধভাবে কাউন্টার তৈরি করে বাসের টিকিট বিক্রি, অবৈধ গাড়ি পার্কিং ও ফুটপাতের দোকানের কারণে প্রচন্ড যানজট সৃষ্টি হয় বলে যাত্রীরা জানান। পাশাপাশি ফেরিঘাটেও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে ঢাকায় প্রবেশ ও বের হতে। যা ঈদের আগে আরও প্রকট হতে পারে বলে আশঙ্কা করেন যাত্রীরা। অপরেিদক ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও ঢাকা-জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের যাত্রীরা টঙ্গী ব্রিজ দিয়ে রাজধানীতে করে তাই প্রবেশ মুখেও থেমে থেমে যানজটের শিকার হতে হচ্ছে যাত্রীদের। সরু রাস্তার কারণে আব্দুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়া বেড়িবাঁধে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে রাজধানী থেকে বের হওয়া মুখে ঘণ্টার ঘণ্টা যানজটে পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় ঘরমুখো এই মানুষের। এছাড়া ইতিমধ্যে বৃষ্টির কারণে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়কে। টাঙ্গাইল, সাভার, ধামরাইসহ উত্তরাঞ্চলের অনেক যাত্রী এই সড়ক দিয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করে। তাই সড়কগুলো মেরামত করে যানজটমুক্ত রাখার ঈদের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান স্থানীয়রা।

এ পথে নিয়মিত যাতায়াতকারী নোমান হোসেন নামের এক যাত্রী বলেন, প্রতিনিয়ত জুরাইন রেলগেট এলাকায় যানজট আটকে থাকতে হয়। যাত্রাবাড়ী থেকে শুরু করে জুরাইন রেলগেট পর্যন্ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয়। এর মূল কারণ ভাঙাচোরা সড়ক ও ট্রাফিকের অব্যবস্থাপনা। এছাড়া রাস্তা দখল করে এলোমেলোভাবে গাড়ি পার্কিং ও ফুটপাতের দোকানও রাস্তায় যানজট তৈরি করছে। এ রকম থাকলে রোজা ও ঈদের সময় প্রচন্ড খারাপ অবস্থা তৈরি হবে বলে জানান তিনি।

ডিএনসিসির পানেল মেয়র মো. ওসমান গণি আর নেই

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) পানেল মেয়র ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আলহাজ মো. ওসমান

মাদক ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে মাদকসক্ত পরিবহন শ্রমিক খুন!

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রাজধানীর মিরপুরের রাইনখোলা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা ছুরিকাঘাত করে জাকির

নড়িয়া ও জাজিরার ভাঙন রোধে জরুরী পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান তৃণমূল বাংলাদেশের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শরিয়তপুর জেলার নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলাকে প্রমত্তা পদ্মার ভাঙন থেকে বাঁচাতে জরুরী

sangbad ad

বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল শিশু লিজার

প্রতিনিধি, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)

কটিয়াদীতে বাবাকে উদ্ধার করতে গিয়ে ট্রেনের নিচে কাটাপড়ে লিজা আক্তার (৬)

হোসেনী দালানে হামলার তিন বছরেও বিচারকাজে অগ্রগতি নেই

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

পুরান ঢাকার হোসেনী দালানে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর বোমা

আজ পবিত্র আশুরা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

১০ মহররম আজ। পবিত্র আশুরা। এই মাস দিয়েই হিজরি বর্ষের সূচনা হয়। মুসলিম উম্মাহর জন্য ১০ মহররম দিনটি তাৎপর্যময় ও শোকাবহ। ত্যাগ ও শোকের

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ মুন্না-পুশকিনের পরিবার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

জাতীয় ফুটবল ও হকিতে অনেক বড় অবদান মোনেম মুন্না ও জাহিদুর রহমান

দুই বাংলায় সিঁথির আলোড়ন

আরাফাত জোবায়ের

image

শ্রীকান্ত আচার্য, শান্তনু মৈত্র, কৌশিকী চক্রবর্তী, মোনালী ঠাকুর ও পণ্ডিত তন্ময় বোসের

শ্রীবরদী সীমান্তে হাতির তাণ্ডব : দিশাহারা কৃষক

সংবাদদাতা, শ্রীবরদী (শেরপুর)

image

শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের সমীন্তবর্তী গ্রাম বালিজুরীতে প্রতিনিয়ত

sangbad ad