• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০

 

সর্বোচ্চ আদালতে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তবে বেগম জিয়ার সম্মতিক্রমে তাকে অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্ট (বায়োলজিক এজেন্ট) দিতে বলেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এদিকে, রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও আইনমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করলেও ন্যায়বিচার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবিরা।

আদেশে আদালত বলেন, সর্বসম্মতিক্রমে জামিন আবেদন খারিজ (ডিসমিসড) করা হলো। পর্যবেক্ষণে বলা হয়, যদি আবেদনকারী (খালেদা জিয়া) প্রয়োজনীয় সম্মতি দেন, তাহলে মেডিকেল বোর্ড দ্রুত তার অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের (বায়োলজিক এজেন্ট) জন্য পদক্ষেপ নেবে, যা বোর্ড সুপারিশ করেছে।

খালেদা জিয়ার পক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করেন জয়নুল আবেদীন ও খন্দকার মাহবুব হোসেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন মওদুদ আহমদ, নিতাই রায় চৌধুরী, মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ আরও কয়েকজন। দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে খুরশীদ আলম খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানিতে অংশ নেন।

জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে সুপ্রিমকোর্ট এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা নেয়া হয়েছিলো। কোর্টের ভিতরে প্রবেশেও কড়াকড়ি ছিলো। এজলাসে মাত্র ৬০ জন আইনজীবি ঢুকতে পরেছেন। সাংবাদিকদেরও সবাইকে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। গণমাধ্যমের মাত্র একজন প্রতিনিধিকে প্রবেশ করতে দেয়া হয়েছে। হাইকোর্টের বারান্দায় দু‘পক্ষের আইনজীবিরা পাল্টাপাল্টি শ্লোগান দিয়েছেন। সব মিলিয়ে রায় ঘোষনার আগ পর্যন্ত পরিস্থিতি বেশ থমথমে ছিলো। তবে রায় ঘোষনার পর সব কিছুতেই শীথিলতা আসে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটের দিকে আদালতের কাছে খালেদা জিয়ার সবশেষ স্বাস্থ্যগত অবস্থা সম্পর্কিত মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন জমা দেন সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আলী আকবর। এরপর শুনানি শুরু হয়। প্রথমে অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতিবেদন নিয়ে কথা বলেন। পরে খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বক্তব্য দেন।

শুনানিতে জয়নুল আবেদীন বলেন, এই আদালতের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। আমরা মানবিক কারণে খালেদা জিয়ার জামিন চাইছি। খালেদা জিয়া সুস্থ মানুষ ছিলেন। কিন্তু আমরা দেখলাম, তাঁর অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। খালেদা জিয়ার অবস্থা এমন যে, তিনি পঙ্গু অবস্থায় চলে গেছেন। হয়তো ছয় মাস পর তাঁর অবস্থা আরও খারাপ হবে। এ জন্য মানবিক কারণে খালেদা জিয়াকে জামিন দেওয়া হোক। বেলা ১১টার পর আদালত বিরতিতে যান। বিরতির পর আবার শুনানি গ্রহণ করেন আদালত। বেলা একটার দিকে শুনানি শেষ হয়। বেলা সোয়া একটার দিকে আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে এ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বেগম জিয়ার পক্ষে একটি লিভ পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল আপিল বিভাগে। সেখানে জামিন চাওয়া হয়েছিল। আদালত তার আইনজীবী, রাষ্ট্রপক্ষ এবং দুদকের আইনজীবীদের কথা শুনে জামিন আবেদন ডিসমিস করেছেন। তবে তার উন্নত চিকিৎসার নির্দেশ দিয়েছেন। অবশ্য তা বেগম জিয়ার সম্মতিক্রমেই হতে হবে।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আমার এইটুকুই বক্তব্য সেটা হচ্ছে, আপিল বিভাগের সম্মানিত ছয় জন বিচারপতি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তারা নিশ্চয়ই যথেষ্ট বিবেচনা করেছেন। আমরা যেহেতু আইনের শাসনে বিশ্বাস করি, বিবেচনায় তারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমাদের সেটা মানতেই হবে। আমি মনে করি, অবর্জারভেশন যেটা দিয়েছেন, এর আলোকে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কিছু করণীয় থাকে তারা নিশ্চয়ই করবে।

সঠিক চিকিৎসা মানে কী? প্যারোলে মুক্তি দিয়ে দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসা করা এমন কিছু কি- এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ওনারা চেয়েছিলেন জামিন। ওনারা জামিন চেয়েছিলেন মেডিকেল গ্রাউন্ডে। সেটা আদালত বিবেচনা করেছেন। সর্বোচ্চ আদালতে তার মেডিকেল রিপোর্ট দেখে বিবেচনা শেষে তারা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন- তার যে অবস্থা জামিন দিয়ে তাকে অন্য কোথাও চিকিৎসা দেয়ার প্রয়োজন নেই। বিএসএমএমইউতে যে চিকিৎসা হচ্ছে সেটাই যথেষ্ট।

এক্ষেত্রে আইনি পরবর্তী পদক্ষেপ কী- জানতে চাইলে আনিসুল হক বলেন, ‘দেখেন ওনার (খালেদা জিয়া) তো যথেষ্ট আইনজীবীরা আছেন। আমি রিপোর্টে শুনেছিলাম, ওনার ৪৩ জনের প্যানেল আছে। আমার মনে হয় ওই ৪৩ জনের প্যানেলই ওনাকে বুদ্ধি দেয়ার জন্য যথেষ্ট, আমার বুদ্ধি ওনার প্রয়োজন নেই।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, জামিন চেয়ে আমরা আইনি লড়াই চালিয়েছি। সাত বছরের সাজায় জামিন না দেওয়া নজিরবিহীন। এটি সুপ্রিমকোর্টের জন্য একটি কলঙ্কজনক ঘটনা হয়ে থাকবে। খালেদা জিয়া পঙ্গু অবস্থায় রয়েছেন। তার উন্নত চিকিৎসা দরকার। শুধু এই মেডিকেল গ্রাউন্ডেই নয়, বয়স, অসুস্থতা সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই আমরা জামিনের আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আদালত আমাদের দরখাস্ত নাচক করে দিয়েছেন।

আপিল বিভাগ জামিন আবেদন নাকচ করায় এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন পাওয়ার আর কোনো আইনি প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যতদিন আইনজীবীরা আছেন, ততদিন আইনি প্রক্রিয়াও থাকবে। দেখেন, কী হয়।

জয়নুল আবেদীন বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছিলাম। আমরা আশা করেছিলাম, আদালত জামিন দেবেন। এর আগেও যেভাবে অন্যদের জামিন হয়েছে, সেভাবেই আমরা সাবমিশন করেছিলাম। কিন্তু আদালত আমাদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। যদি বিএসএমএমইউ‘এ উন্নত চিকিৎসা হতো তা হলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি বিদেশে চিকিৎসা নিতেন না। এ মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে এ বিষয়টি দেখা যাবে।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এই সাজা বাতিল চেয়ে গত বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। শুনানি নিয়ে গত ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট ওই আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে বিচারিক আদালতের দেওয়া জরিমানার আদেশ স্থগিত করেন। এ ছাড়া বিচারিক আদালতে থাকা মামলার নথি তলব করেন হাইকোর্ট। গত ২০ জুন মামলার নথি হাইকোর্টে আসার পর খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন আদালতে তুলে ধরেন তাঁর আইনজীবীরা। গত ৩১ জুলাই জামিন আবেদন খারিজ করেন হাইকোর্ট।

হাইকোর্টে জামিন চেয়ে বিফল হয়ে গত ১৪ নভেম্বর আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন খালেদা জিয়া। এই জামিন আবেদনের শুনানিতে গত ২৮ নভেম্বর আপিল বিভাগ খালেদা জিয়ার সবশেষ স্বাস্থ্যগত অবস্থা সম্পর্কে জানাতে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে বোর্ডের মেডিকেল রিপোর্ট ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দাখিল করতে নির্দেশ দেন। সেদিন (৫ ডিসেম্বর) মেডিকেল প্রতিবেদন জমা না পড়ায় শুনানি পিছিয়ে ১২ ডিসেম্বর (আজ) তারিখ ধার্য করেন আদালত।

আরও ৭দিন যোগ হয়ে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ঠেকাতে চলমান ছুটি আরও ৭ দিন বাড়ানোর সিন্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী

৪০ কারাবন্দিকে সতর্কতামূলক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দেশের বিভিন্ন কারাগারে মোট ৪০ বন্দিকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ৩১ মার্চ মঙ্গলবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা ও সুরক্ষা সেবা বিভাগের গৃহীত পদক্ষেপের

ব্র্যাকের সঙ্গে কারোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ডাক দিলেন শিল্পী মমতাজ

মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন

image

কন্ঠ শিল্পী মমতাজের গানে ভেসে আসছে নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের ডাক। মমতাজ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে হাত ধোয়া এবং নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ও হাঁচি-কাশি দেওয়ার

sangbad ad

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন হাসপাতাল ও সাংবাদিকদের মাঝে পিপিই বিতরণ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনা মোকাবেলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং এই মুহূর্তে দুস্পাপ্য পিপিই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন হাসপাতাল ও সাংবাদিকদের মাঝে নিজ হাতে

ঊষ্ণ ও আর্দ্র অঞ্চলে করোনার প্রকোপ হ্রাস পেতে পারে

রাকিব উদ্দিন

image

আবহাওয়ার উষ্ণতায় দুর্বল হচ্ছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাব ও সংক্রমণ। উষ্ণ আর্দ্র আবহাওয়া নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের

পুলিশের বিরুদ্ধে গুজব ও মিথ্যা না ছড়িয়ে জনগণের সহযোগিতা চেয়েছেন এআইজি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাসে জনগণ ঘর থেকে বের হলেই পুলিশ মারধর করছে, এমন ক্যাপশনের একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে

প্রবাসী-শহুরেদের ভিড়ে ঝুঁকিতে গ্রাম

মোহাম্মদ আলী বাবু, গৌরনদী (বরিশাল)

image

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টানা ১০ দিনের ছুটি পেয়ে স্রোতের মতো বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ছুটে এসেছেন ঢাকাসহ বিভিন্ন

হামে আক্রান্ত শিশুদের সেনাবাহিনী কর্তৃক চিকিৎসা সেবা প্রদান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রাঙ্গামাটির সাজেক ইউনিয়নে হাম রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় এগিয়ে এসেছে সেনাবাহিনী। গত ২৪ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ সোমবার

করোনার আপডেট পেতে জনপ্রিয় আ্যাপ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আমেরিকায় করোনা ওয়ার্ল্ড অ্যাপ তৈরি করে আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশি ছাত্র নাভিদ মামুন। এই অ্যাপ দিয়ে প্রতি দুই মিনিট পর পুরো

sangbad ad