• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮

 

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের গাফিলতির বোঝা ইসির ওপর

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শুক্রবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮

সংবাদ :
  • ফয়েজ আহমেদ তুষার
image

‘ছোটখাটো’ ভুলের কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল না করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশ যথাযথভাবে প্রতিপালন করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তারা। ফলে মনোনয়নপত্র বাতিলের রেকর্ড হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের গাফিলতির বোঝা এসে পড়েছে ইসির ওপর। সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা ইসিতে আপিল করেছেন, চলছে শুনানি। বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) শুনানির প্রথম দিনের জন্য নির্ধারিত আপিলগুলোর শুনানি শেষে অর্ধেকের বেশি মনোনয়নপত্রের বৈধতা দিয়েছে ইসি।

‘ছোটখাটো’ ভুল বলতে ইসি বুঝিয়েছে, বাছাইয়ের সময় এমন কোন ত্রুটি-বিচ্যুতি নজরে আসে যা তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধন সম্ভব। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের (জেলা প্রশাসক) প্রতি ইসির নির্দেশ ছিল, তাৎক্ষণিক সংশোধনযোগ্য ভুলের কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল না করে, মনোনয়নপত্র দাখিলকারীর দ্বারা তা সংশোধন করিয়ে নেয়া। ইসির এই নির্দেশনা সত্ত্বেও প্রার্থীর স্বাক্ষর নেই, টিপসই নেই, স্ট্যাম্প সংযোজন না করা, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ না দেয়া, আয়কর রিটার্ন জমার রশিদ না দেয়া ইত্যাদি নানা কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তবে ব্যতিক্রমও ঘটেছে। মনোনয়নপত্র বাছায়ের দিন ‘ছোটখাটো’ এ ধরনের ভুল প্রার্থীকে সংশোধনের সুযোগ দিয়েছেন কোন কোন রিটার্নিং কর্মকর্তা। ওইসব প্রার্থী মনোনয়পত্র বাতিল হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সংসদীয় ৩০০ আসনে জমা পড়া মোট ৩ হাজার ৬৫টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে গত ২ ডিসেম্বর বাছাইয়ে ২ হাজার ২৭৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭৮৬টি বাতিল হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৪০২টি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়; এরমধ্যে বিএনপির ১৪১টি, আওয়ামী লীগের ৩টি এবং জাতীয় পার্টির ৩৮টি। স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয় ৩৮৪টি। বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্রগুলোর মধ্যে আপিল হয়েছে ৫৪৩টিতে।

বৃহস্পতিবার শুনানির প্রথম দিন ক্রমানুযায়ী ১৬০টি আপিলের শুনানি ছিল। সকালে ইসির অস্থায়ী এজলাসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বে শুনানি করেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদও এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুটি আপিল স্থগিত (অপেক্ষমান) করা হয় এবং একজন আপিলকারী শুনানিতে অনুপস্থিত ছিলেন। শুনানি শেষে ইসি ৮১টি আপিলের বৈধতা দেন; খারিজ হয় ৭৭টি।

ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, শুক্রবার ১৬১ থেকে ৩১০ ক্রমিকের আপিলগুলোর এবং আগামীকাল (শনিবার) বাকি (৩১১ থেকে ৫৪৩ ক্রমিকের) আপিলগুলোর শুনানি হবে। তিনি জানান, প্রতিদিনের জন্য নির্ধারিত সংখ্যক আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শুনানি চলবে। আপিলের ফল সঙ্গে সঙ্গে জানিয়ে দেয়া হবে। কোন প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর হলে তা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানিয়ে দেয়া হবে।

নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, একজন নাগরিক জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছায় মনোনয়নপত্র জমা দিলেন, অতি সাধারণ, ঠুনকো কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা দুঃখজনক। এবার রেকর্ড সংখ্যক মনোয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে তারা বলছেন, এ বিষয়ে ইসির আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন ছিল। সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম. সাখাওয়াত হোসেন এ বিষয়ে বলেন, স্বাক্ষরের ভুলের জন্য সাধারণত প্রার্থিতা বাতিল করা হয় না। স্থগিত করা হয়। প্রার্থীকে বলা হয় আপনি এটা ঠিক করে দিন। স্থানীয় সরকার বিশ্লেষক ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, অনেক ক্ষেত্রে সামান্য টাকার একটি বিলের কারণে আবার অনেকের স্বাক্ষরের সমস্যার কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে আপিলে এগুলো ঠিক হয়ে যেতে পারে। তাই আপিল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও আপিলে বৈধতা পাওয়া এক প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, আমি ভুল করে একটি রসিদ জমা দেইনি। পরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে সেটি জমা দিতে চাইলে তিনি তা জমা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর বাছাইয়ের দিন আমি ওই রসিদসহ উপস্থিত ছিলাম। সেদিনও তাকে সেটি গ্রহণ করে আমার মনোনয়নপত্রের বৈধতা দিতে অনুরোধ জানাই। কিছুদিন আগে তার সঙ্গে অন্য একটি বিষয় নিয়ে আমার বাক-বিতন্ডা হয়েছিল। সেই কারণেই তার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন।

বৃহস্পতিবার শুনানির প্রথম দিন বিএনপির অনেক প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করায় নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিকেলে বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তারা যেসব প্রার্থীকে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন, আজকে নির্বাচন কমিশনের শুনানির মধ্য দিয়ে তাদের অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছেন। আমি নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই, তারা ন্যায়বিচার করেছেন।

হলফনামায় স্বাক্ষর নাই
পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী গোলাম মাওলা রনি। ‘হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকার’ কারণে তার মনোনয়পত্র বাতিল করেন সংশ্লিষ্ট রিটানিং কর্মকর্তা। নবম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া রনির বক্তব্য ছিল, হলফনামায় সই না করাটা ছিল তার ‘সাধারণ ভুল’। এমন ভুলের কারণে অতীতে কখনও কোন মনোনয়ন বাতিল হয়নি। দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি তিনি। সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দিয়ে নিজের এলকায় মনোনয়ন পান রনি।

পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদ। হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। বৃহস্পতিবার শুনানিতে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি। সিলেট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। মূল হলফনামায় স্বাক্ষর ছিল না। বৃহস্পতিবার তা বৈধতা দেয় ইসি।

মাদারীপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম মিন্টু। অসম্পূর্ণ ফরম জমা দেয়ায় এবং স্বাক্ষর ঠিকমতো না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তা বৈধতা পায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জেসমীন নূর বেবী। হলফনামা নোটারি না করায় এবং ২০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প অথবা সমপরিমাণ কোর্ট ফি না দেয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। বৃহস্পতিবার শুনানিতে তার মনোনয়নপত্রের বৈধতা দেয় ইসি। হবিগঞ্জ-১ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী জোবায়ের আহমেদ। তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায়। ইসিতে আপিল করে বৃহস্পতিবার শুনানিতে বৈধতা পান তিনি।

চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়নি
বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন। ওই আসনে তিনি খালেদা জিয়ার বিকল্প প্রার্থী। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ার কারণ দেখিয়ে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার ইসিতে প্রথম দিনের শুনানিতে তার মনোনয়নপত্রের বৈধতা দেয়া হয়। ঢাকা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক। চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। তার মনোনয়নপত্র বৃহস্পতিবার বৈধ ঘোষণা করে ইসি। ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির প্রার্থী তমিজ উদ্দিন। চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তা বৈধতা পায়।

ঝিনাইদহ-২ আসনে বিএনপির আবদুল মজিদ। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। জয়পুরহাট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুর রহমান। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। পাবনা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাসাদুল ইসলাম। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবারের শুনানিতে তাদের সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে ইসি। জামালপুর-৪ আসনে ফরিদুল কবির তালুকদার। চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তা বৈধতা পায়

আয়কর রিটার্ন-ঋণ খেলাপ :
কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী আখতারুজ্জামান। তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল খেলাপি ঋণের জামিনদার হিসেবে ঋণ খেলাপি হওয়ায়। বৃহস্পতিবার তা বৈধতা দেয় ইসি। পটুয়াখালী-৩ : বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ শাহজাহান। তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল ঋণ খেলাপির অভিযোগে। বৃহস্পতিবার তা বৈধতা পায়। কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল খালেক। তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল ঋণ খেলাপির অভিযোগে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবদুল্লাহ আল হেলাল। তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল পৌর কর পরিশোধ না করার কারণে। বৃহস্পতিবার শুনানিতে তার মনোনয়নপত্র বৈধতা পায়। গাজীপুর-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জয়নাল আবেদীন। হলফনামায় মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের কারণ দেখিয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তার মনোনয়নপত্র বৈধতা পায়। রংপুর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তফা সেলিম। আরপিওর ব্যত্যয় ঘটানোর কারণ দেখিয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তা বৈধতা পায়।

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে গণফোরামের প্রার্থী মো. মাহফুজুর রহমান। তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল ঋণ খেলাপির অভিযোগে। সিরাজগঞ্জ-৩ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আয়নুল হক। তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল বিল খেলাপি হওয়ায়। বৃহস্পতিবার তা বৈধতা পায়। পটুয়াখালী-১ আসনে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মো. সুমন সন্যামত। আয়কর রিটার্নের কপি না দেয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তা বৈধতা দেয় ইসি।

ময়মনসিংহ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবু বকর সিদ্দিক। মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল ঋণ খেলাপির অভিযোগে। তা বৃহস্পতিবার বৈধতা পায়। কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ আলী। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন না থাকায়। তবে বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ইসি তার মনোনয়নপত্রের বৈধতা দেয়।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর ২৩ দিন বাকি। আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ১০ ডিসেম্বর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার পর শুরু হবে প্রতীকসহ প্রচারণা। ভোট হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর, রোববার।

৩ বছর ৪ মাসেও খোঁজ মেলেনি ব্যবসায়ী নেতা সাজ্জাদের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ওপর মহল থেকে বলেছে তিন বছর পরে হয়তো ফিরে আসতে পারে

রাজধানীতে বিএনপির দুই নেতা গ্রেফতার : প্রার্থী আশফাক দোহার পুলিশ হেফাজতে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

নাটোর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির

জাতীয় সংসদ নির্বাচন : হামলা ভাঙচুর গাড়িতে আগুন গুলি : একজন নিহত আহত ২ শতাধিক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার শুরুতে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে হামলা, ভাঙচুর,

sangbad ad

”মিস্টার বাংলাদেশ” সিনেমার পরিচালক হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী দুই এবিটি সদস্য গ্রেফতার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মিস্টার বাংলাদেশ নামে জঙ্গিবিরোধী সিনেমার পরিচালক খিজির হায়াৎ খান হত্যার পরিকল্পনাকারী

রুচিশীল শাড়ির অপর নাম ‘কালার ক্রেজ’

image

শাড়ি বাঙালী নারীর অন্যতম পোষাক। শাড়ি নিয়ে কাজ করছে ‘কালার ক্রেজ’। ইতোমধ্

সাদ অনুসারীদের অভিযোগ তাবলিগ নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

তাবলিগ জামাত নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মাওলানা সাদের অনুসারীরা।

এসইউবিতে শিক্ষকদের ‘চাকরিচ্যুতির’ প্রতিবাদে ১১ দফা দাবীসহ বিক্ষোভ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এসইউবি) কয়েকজন শিক্ষককে ‘চাকরি ছাড়তে বাধ্য করার

‘ওসমান পরিবারকে ভোটে প্রত্যাখ্যানের আহ্বান’

প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ

image

নারায়ণগঞ্জের মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যায় অভিযুক্ত ওসমান পরিবারকে

ঢাকা ক্লাবের সভাপতি খায়রুল মজিদ মামুন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

খায়রুল মজিদ মামুন ঢাকা ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী এনামুল হককে

sangbad ad