• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১

 

রাজধানীর ফুটপাতে শপিংমলে শীতের পোশাক কেনার ধুম

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

সংবাদ :
  • গোলাম মোস্তফা

অগ্রহায়ণ মাসের শুরুতে দিনের বেলায় তাপমাত্রা হালকা কমেছে। আর তাই দিন দিন বাড়ছে শীতের তীব্রতা। তাই শীত মোকাবিলায় মানুষের প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে। রাজধানী ঢাকার ফুটপাতের দিকে তাকালেই দেখা মিলে রঙ-বেরঙের বাহারি শীতের পোশাকের। আর এসব দোকান ঘিরে এখন সারাক্ষণ ভিড় করে আছে শহুরে নিম্নবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত আর মধ্যবিত্তের একটা অংশ। তবে শীত মোকাবিলায় প্রস্তুতি চলছে ব্যবসায়ীদের মাঝেও। রাজধানীর বঙ্গবাজার, রাজধানী মার্কেট, গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম, পল্টন, মতিঝিল, মিরপুর, উত্তরা, ফার্মগেট, নিউ মার্কেট, ঢাকা কলেজের বিপরীতের মার্কেট বিপণিবিতানগুলোতে থরে থরে সাজানো রয়েছে শীতের কাপড়। অন্যদিকে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, নিউমার্কেট, মৌচাক, ইস্টার্ন প্লাজা, রাপা প্লাজাসহ গুলশান-বনানীর অভিজাত বিপণিবিতানেও শীতের পোশাকের বিপুল সম্ভার চোখে পড়ছে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর এই শীতকে কেন্দ্র করেই কিছুটা ব্যস্ততা তৈরি হয়েছে দোকানিদের। রাজধানীর দোকান ও ফুটপাতে শুরু হয়ে গেছে শীতবস্ত্রের জমজমাট বেচাকেনা। বিক্রেতারা জানালেন, হালকা ও মাঝারি ধরনের গরম পোশাক বেশি বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ফুলবাড়ীয়ার বঙ্গবাজারে গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের কম্বল, সোয়েটার, টুপি, পায়ের মোজা, হাতমোজা, মাফলার, সোয়েটার, জাম্পার, ফুলহাতা গেঞ্জির দোকানেই বেশি ভিড় করছে ক্রেতারা। এছাড়া রাজধানীর বায়তুল মোকারমের পাশের ফুটপাতে, জিপিওর সামনে এবং মুক্তাঙ্গণ ঘেঁষে স্বল্প আয়ের অনেকে দাম-দর করে কিনছে শীতের পোশাক। সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত চলে কেনাকাটা।

গুলিস্থান এলাকার ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, শীতের পোশাক ও আনুষাঙ্গিকের বিক্রি মোটামুটি ভালোভাবেই শুরু হয়ে গেছে। তবে শীত একটু বাড়তে শুরু করলে চাঙ্গা হবে ব্যবসা।

বঙ্গবাজারের পাইকারি কাপড়ের ব্যবসায়ী মুমিনুল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহে খুচরা ব্যবসায়ীরা অনেক মালামাল কিনে নিয়ে যাচ্ছে। এখন শীত পড়া শুরু হয়েছে, তাই আরও কম্বল বিক্রি হবে। তিনি বলেন, আমাদের এখানে দেড়শ টাকা থেকে শুরু করে এক হাজার ২০০ টাকার কম্বল আছে। এছাড়া বিদেশি কম্বল দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে। বায়তুল মোকাররমের ফুটপাত থেকে নিজের ছেলের জন্য শীতের কাপড় কিনতে এসেছেন পুরান ঢাকার বাসিন্দা ফারজানা আক্তার জুলি। তিনি বলেন, যেহেতু শীত চলে এসেছে, তাই বাচ্চার শীতের কাপড় কিনতে এসেছি। এবার দাম কেমন জানতে চাইলে ওই গৃহবধূ বলেন, একটু বেশিই মনে হচ্ছে। প্রথম প্রথম তো এ কারণেও হতে পারে। আগে যেটা ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকায় কেনা যেত এখন সেটা কিনতে হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। পাশের জিপিওর সামনে থেকে শীতের কাপড় কিনতে দরাদরি করছিলেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, সামনে শীত পড়বে। তাই আজকে পরিবারের সবার জন্য শীতের পোশাক কিনতে আসছি।

বায়তুল মোকাররমের সামনের ফুটপাতে শীতের নানা পোশাক নিয়ে বসেছেন মো. এহসানুল হক। তিনি জানালেন, করোনার কারণে এ বছর ব্যবসা প্রায় নাই বললেই চলে। শীতের মৌসুমকে কেন্দ্র করে দোকানে নতুন মালামাল উঠিয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এখন শীতের পোশাক কিনতে লোকজন কিছু কিছু আসতাছে। আমাদের তো ব্যবসা নাই। এখন যদি কিছুটা হয়। গত সপ্তাহ থেকে শীতের পোশাকের বেচাবিক্রি বাড়ছে। সামনে আরেকটু বাড়তে পারে। তবে এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আবার করোনাও বাড়তাছে। মানুষ যদি আর ঘর থেকে না বাইর হইতে পারে তাইলে তো ব্যবসা বসে যাবে। এই চিন্তাও আছে।

রাজধানীর মতিঝিল, গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম, মালিবাগ, মৌচাক, ফার্মগেট, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ, বঙ্গবাজার, নিউমার্কেট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।

এক দোকানিকে বলতে শোনা যায়, আপা, আপনার লগে দামাদামি করার মতো সময় অহন নেই। এক দামে নিলে নেন, না নিলে আসতে পারেন।

রাজধানীর বঙ্গবাজারের কম্বলের মার্কেটের দোকানদার এক নারী ক্রেতাকে এ কথা বলছিলেন। কথাটি বলা শেষ করেই চোখ অন্য ক্রেতার দিকে। এই ক্রেতা আছেন না চলে যাচ্ছেন এদিকে ভ্রক্ষেপ নেই তার।

রাজধানীর ফুটপাত থেকে শুরু করে ছোট-বড় মার্কেট ও শপিংমলে কম্বল, জ্যাকেট, সোয়েটার, কার্ডিগান, শাল, হাতমোজা ও কানটুপিসহ বিভিন্ন ধরনের গরম কাপড় বিক্রি কয়েকগুণ বেড়েছে। বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় দোকানিরা বেশ খুশি।

শুক্রবার দুপুরে গুলিস্তানে সরজমিন দেখা যায়, কম্বলসহ গরম কাপড়ের প্রায় প্রতিটি দোকানে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। অন্য সময় ক্রেতা দেখলেই ডাকাডাকি করেন বিক্রেতারা। তবে শুক্রবার ক্রেতার সংখ্যা বেশি হওয়ায় তাদের ডাকাডাকি করতে দেখা যায়নি। গরমের কাপড়ও কম দামাদামিতেই বিক্রি হতে দেখা যায়। ফুটপাতের দোকানের কারণে কাপ্তানবাজার থেকে বায়তুল মোকাররম দক্ষিণ গেট পর্যন্ত সাধারণ মানুষের হাঁটার রাস্তাও ছিল না। প্রচন্ড ভিড়ের কারণে গুলিস্তানে জ্যাম ছিল অনেক বেশি।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা আয়েশা আক্তার তার ১৫ বছরের ছেলের জন্য জ্যাকেট কিনতে এসেছেন। দোকানদার দেড় হাজার টাকা দাম চাইলে তিনি এক হাজার ২০০ টাকা দাম বলেন। এ সময় দোকানি এক দাম হলে তার দোকান থেকে নেয়ার অনুরোধ জানান। কবে থেকে শীতের কাপড় বিক্রি শুরু হয়েছে, জানতে চাইলে গুলিস্তানের এক দোকানি বলেন, এমন প্রচন্ড ভিড়ে এসব জিজ্ঞাসা কইরেন না, পরে আইসেন।

অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তিনি বলেন, এবার সিজনের গরমের মালামাল বিক্রি দিন দশেক আগে থেকে শুরু হয়েছে। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ বেচাবিক্রি অনেক ভালো। অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রশ্নই আসে না। আমরা সবসময় যে দামি বিক্রি করি, আজও সে দামেই বিক্রি করছি।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পুরনো শীতের কাপড় ৬০ টাকা থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। মতিঝিল এলাকার ফুটপাতে বিভিন্ন ধরনের নতুন শীতের কাপড় বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে দেড় হাজার টাকার মধ্যে। রাজধানীর জিপিও এলাকার সামনের ফুটপাতে গিয়ে দেখা যায়, নানা স্ট্যাইল আর বাহারি রঙের ব্লেজার। একটি দোকানের বিক্রয় কর্মী মাজহার জানালেন, শীতে বিক্রি বেড়েছে। পুরো শীত নামলে বিক্রি আরও বাড়বে।

সরজমিন দেখা গেছে, মার্কেটে উপচেপড়া ক্রেতাদের ভিড়। শীতকাল শুরু হওয়ায় মার্কেট ও ফুটপাতে পছন্দসই শীতের কাপড় কিনতে ভিড় করছে মানুষ। বিপুল সংখ্যক ক্রেতার উপস্থিতি থাকায় বিক্রেতারাও খুব বেশি দাম চাইছেন না। সামান্য লাভে বিক্রি করে দিচ্ছেন। বিক্রেতারা তাদের দোকানে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে শীতকালীন বিভিন্ন রঙের কাপড় বিশেষ করে কম্বল, জ্যাকেট, শাল, সোয়েটার ও ব্লেজার সাজিয়ে রেখেছেন। শীত মৌসুমে ক্রেতাদের কাছে কম্বলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। এছাড়া সোয়েটার, জ্যাকেট, শাল, ব্লেজার ক্রয় করতেও দেখা গেছে অনেককে।

নিউমার্কেট এলাকায় স্নাতক পড়ুয়া শিক্ষার্থী লোপা আক্তার বলেন, তিনশ’ টাকা দিয়ে একটি শাল কিনেছি। নিউমার্কেটে সন্ধ্যায় ক্রেতাদের ভিড় খুব বেশি থাকে। তিনি আরও বলেন, আগের বছরের তুলনায় এ বছর দাম একটু বেশিই মনে হচ্ছে, দোকানিরা তাদের দাম বাড়িয়ে দিলে আমাদের তো কিছু করার নেই, তখন আমাদের বেশি দামেই কিনতে হয়। রাজধানীর বিভিন্ন শপিংমলগুলোতে সরজমিন ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতার ব্যস্ততা দেখা গেছে।

কুলাউড়ায় পুলিশের সহযোগীতায় অসহায় মাকে ঘর উপহার বীর হিরো মানবিক টিমের

প্রতিনিধি, সিলেট

image

লক্ষাধিক টাকা ব্যায়ে অসহায় এক বৃদ্ধা মাকে ঘর উপহার দিলো বীর হিরো মানবিক

নির্বাচন ঘিরে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী ও বহিরাগত ক্যাডারদের যেকোন ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপহার ‘গৃহ’ পেল বগুড়ায় দেড় হাজার গৃহহীন ও ভুমিহীন পরিবার

প্রতিনিধি, বগুড়া

image

বগুড়ায় শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প এর অধিনে ভুমিহীনদের জমি ও গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রম।

sangbad ad

সিরাজদিখানের বাগান বাড়িতে গাছের চারা বিতরণ

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

শনিবার ২৩ জুন মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ছায়াঘেরা বাগান বাড়িতে বৃক্ষ চারা বিতরণ অনুষ্ঠানও রোগীদের মধ্যে ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে।

গজারিয়ায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ১৫০টি পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান

প্রতিনিধি, গজারিয়া (মুন্সিগঞ্জ)

image

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান অনুষ্ঠান ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে শনিবার (২৩ জানুয়ারী) সকাল ১০ : ৩০ মিনিট গণভবন হতে দেশের ৬৪ জেলায় শুভ উদ্ধোধন করেন।

সেন্টমার্টিনে মাছ ধরার ট্রলার ডুবিতে ৪ জেলের মৃতদেহ উদ্ধার

জসিম সিদ্দিকী, কক্সবাজার

image

কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে।

সিলেটে সাওল হার্ট সেন্টার লি.-এর উদ্বোধন

প্রতিনিধি, সিলেট

image

বিশ্বের বৃহত্তম নন-সার্জিক্যাল চেইন হার্ট কেয়ার– সাওল হার্ট সেন্টার লি.-এর সিলেট শাখা উদ্বোধন হয়েছে।

সিলেটে স্বপ্ননীড়ের চাবি পেলেন ১৭ পরিবার

প্রতিনিধি, সিলেট

image

মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় সিলেটের ভূমি ও গৃহহীনদের জন্য নির্মাণ করা বাড়ি ‘স্বপ্ননীড়ে’ এর চাবি বুঝে পেলেন ভূমি ও গৃহহীনরা।

সিলেটে তীর শিলং (জুয়া) খেলার এজেন্টসহ ৪ জন গ্রেফতার

প্রতিনিধি, সিলেট

image

সিলেট নগর থেকে এন্ড্রয়েড মোবাইল দ্বারা ভারতের শিলং এর তীর নামক জুয়ার এজেন্টসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।