• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১

 

বেপরোয়া গোল্ডেন মনির

সম্পদের তথ্য চেয়ে দুদকের নোটিশ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০

সংবাদ :
  • সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী ও পদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সখ্য গড়ে এবং রাজনৈতিক দলের নেতাদের সেল্টার নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠে বাড্ডার গোল্ডেন মনির। তার লক্ষ্য ছিল গোটা বাড্ডা এলাকার অঘোষিত কিং হয়ে ওঠা।

এদিকে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ মেলার পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গোল্ডেন মনির ও তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পরিচালক আকতার হোসেন স্বাক্ষরিত নোটিশে আগামী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে মনির ও তার স্ত্রীকে সম্পদের হিসাব দিতে বলা হয়েছে।

র‌্যাব সূত্র জানায়, নব্বইয়ের দশকে রাজধানীর গাউসিয়া মার্কেটে কাপড়ের দোকানের বিক্রয়কর্মী ছিলেন মনির। এরপর মৌচাক মার্কেটে ক্রোকারিজের দোকানে চাকরি নেন। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে যুক্ত হন বিমানবন্দর কেন্দ্রিক লাগেজ পার্টি ও স্বর্ণের চোরাচালানে। পরিচিতি পান ‘গোল্ডেন মনির’ নামে। স্বর্ণ চোরাচালানসহ নানা অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়ার পর তার লক্ষ্য ছিল ভিআইপি মর্যাদা লাভ। এ কারণে সরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দু’হাত মেলে অনুদান দিতেন তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাড্ডার আওয়ামী লীগের এক নেতা সংবাদকে বলেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান, মিল্কি হত্যা মামলার আসামি আমেরিকায় পলাতক চঞ্চল ও মেহেদীসহ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসীর সঙ্গে ছিল তার নিয়মিত যোগাযোগ।

সূত্র আরও জানায়, বাড্ডায় এলাকায় মনির পুরাতন গাড়ির ব্যবসা শুরু করেন। এরপর এয়ারপোর্টে লাগেজ পার্টির ব্যবসা শুরু করেন। মূলত তখনই মনির স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। ৬০ পিস গোল্ডসহ ধরা পড়ার পর মনির হয়ে যান গোল্ডেন মনির। এরপর গোল্ডেন মনির বাড্ডা, বাটারা এলাকায় নিজের আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন। শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের অনুগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে গোল্ডেন মনির বিভিন্ন ব্যক্তির বাড়ি, জায়গা দখল শুরু করেন। এলাকায় ২ শতাধিক ব্যক্তির বাড়ি দখল করে বহুতল ফ্লাট তৈরি করেন।

ওই আওয়ামী লীগ নেতা আরও বলেন, গোল্ডেন মনির খুবই ধূর্ত প্রকৃতির। অপকর্মের কোন সাক্ষী রাখেন না। র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হলেও এখনও এলাকায় গোল্ডেন মনির আতঙ্ক রয়েছে। গোল্ডেন মনির যাদের বাড়ি, জায়গা দখল করেছেন তাদের অনেকেই ভয়ে মুখ খুলছেন না। তাদের ধারণা মনির কোন এক সময় জেল থেকে বের হবে। তখন তাদের ক্ষতি করতে পারে।

গোল্ডেন মনির শুধু ক্ষমতাসীন দলের এমপি, মন্ত্রীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েননি। সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, বিরোধী দল বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও সম্পর্ক গড়েন।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) রাত থেকে শনিবার (২১ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত গোল্ডেন মনিরের বাসায় অভিযান চালিয়ে নগদ এক কোটি ৯ লাখ টাকা, চার লিটার মদ, ৮ কেজি স্বর্ণ, একটি বিদেশি পিস্তল, কয়েক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে র‌্যাব। এ ঘটনায় ২২ নভেম্বর গ্রেফতার দেখিয়ে মনিরকে বাড্ডা থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব। মাদক, অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে। পুলিশ তাকে আদালতে তুলে প্রতিটি মামলায় সাত দিন করে রিমান্ড চায়। গোল্ডেন মনিরের ১৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন মামলা ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।

র?্যাবের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, বিক্রয়কর্মী থেকে লাগেজ পার্টিতে যোগ দেয়ার পর মনির শুরুতে কর ফাঁকি দিয়ে কাপড়, কসমেটিক, ইলেকট্রনিকস পণ্য, কম্পিউটার সামগ্রীসহ বিভিন্ন মালামাল আনা-নেয়া করতেন। একপর্যায়ে আকাশপথে স্বর্ণ চোরাচালানে জড়িয়ে পড়েন। স্বর্ণ চোরাচালানের মাধ্যমে অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার পর কবজায় নেন রাজউক। কারসাজির মাধ্যমে মালিক হন একের পর এক প্লটের। রাজধানীতে তার নামে বেনামে ২০০টির মতো প্লট রয়েছে। গোন্ডেন মনিরের বিরুদ্ধে র‌্যাবের করা ৩টি মামলা তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের কাছ থেকে ঢাকা মহানগর অপরাধ তথ্য ও গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) তদন্ত করছে। ৩ মামলায় ১৮ দিনের রিমান্ড হেফাজতে থাকা গোল্ডেন মনিরকে ডিবি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদে গোল্ডেন মনিরের অপকর্ম, সহযোগিদের বিষয়ে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে চমকপ্রদ নানা তথ্য।

গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম-কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে মামলা তিনটি আমরা গ্রহণ করেছি। এখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড হেফাজতে আছে। অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে বাড্ডা থানায় দায়ের করা এ তিনটি মামলা আগে পুলিশের কাছে ছিল। ৩ মামলায় গোল্ডেন মনিরের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ রয়েছে ডিসি সেইসব অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। ইতোমধ্যে রিমান্ডের কয়েকদিন অতিবাহিত হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের গোল্ডেন মনির বেশ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছে। এসব বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে ডিবি।

গোল্ডেন মনির ও তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ :

স্বর্ণ চোরাচালানী হয়েও রাজনৈতিক সিঁড়ি ব্যবহার করে শত কোটির টাকার মালিক হওয়া বাড্ডার আলোচিত গোল্ডেন মনির ও তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার দুদক পরিচালক আকতার হোসেন স্বাক্ষরিত নোটিশটি পাঠানো হয়। এর আগে দেড় হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ থাকার তথ্য পেয়ে গোল্ডেন মনিরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

দুদকের পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টচার্য্য জানান, মো. মনির হোসেন ও তার স্ত্রী রওশন আক্তারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(১) ধারায় সম্পদ বিবরণী নোটিশ ইস্যু করেছে দুদক। নোটিশে বলা হয়েছে, তাদের নিজের এবং তাদের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের স্ব-নামে/ বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী আদেশ প্রাপ্তির ২১ কার্য দিবসের মধ্যে কমিশনে দাখিল করতে হবে। মনিরকে ২০০৯ সালের ১৮ জুন থেকে অর্জিত সম্পদের তথ্য দিতে হবে এবং তার স্ত্রী রওশন আক্তারকে ২০১৬ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে অর্জিত সম্পদের বিবরণী দিতে হবে।

দুদক পরিচালক আকতার হোসেন আজাদের স্বাক্ষরে এ নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে।

দুদক সূূত্র জানায়, মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরের প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদের খোঁজ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মনিরের নামে থাকা রাজধানীর অভিজাত এলাকায় ৪০টি প্লট ও ৬১০ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদের তালিকা নিয়ে তদন্ত করছে দুদক। এছাড়া, প্রাথমিক অনুসন্ধানে আরও অনেক সম্পদ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা অর্থের তথ্য পেয়েছে সংস্থাটি। এসব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

দুদকের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘গোল্ডেন মনিরের অঢেল সম্পদের তথ্য আছে দুদকের হাতে। এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে মনিরের নামে ৬১০ কোটি টাকার ও তার স্ত্রীর নামে প্রায় ৬ কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেছে। আরও কিছু তথ্য যাচাই-বাছাই পর্যায়ে আছে। মনির ও তার স্ত্রীকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ ইস্যুর জন্য সুপারিশ করেছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা।’

দুদক সূত্র জানায়, গোল্ডেন মনিরের নামে পাওয়া স্থাবর সম্পদের মধ্যে আছে রাজধানীর বাড্ডায় রাজউক পুনর্বাসন প্রজেক্টের ২.৫০ কাঠা জমিতে ৬ তলা ভবন, উত্তরার জনপথ এলাকায় ৫ কাঠা জমি (প্লট নং ২৩ ও ২৪), উত্তরার জমজম টাওয়ারে ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ, বারিধারার জে-ব্লকের প্রগতি সরণিতে ৪ কাঠার প্লট, বাড্ডার বারিধারা জে-ব্লকে সাড়ে ৪ কাঠা জমি, একই ব্লকের ১৩ নম্বর রোডে ৪ কাঠা জমি, ১ নম্বর রোডে ৪ কাঠার প্লট, বাড্ডা রাজউক এলাকায় ১১ নম্বর রোডে আড়াই কাঠার প্লট, একই এলাকার ১০ নম্বর রোডে আড়াই কাঠা জমি (১০ নম্বর প্লট), ওই এলাকায় ৪২ নম্বর প্লটে আড়াই কাঠা জমি, ৩২ নম্বর ব্লকে আড়াই কাঠা জমি, বাড্ডার রাজউক এলাকার ১১ নম্বর রোডে ৪৪ নম্বর প্লটে আড়াই কাঠা জমি, একই এলাকায় ৩৭ নম্বর প্লট ও ৪১ নম্বর প্লটে ৫ কাঠা জমি, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ৩৩ শতাংশ জমি, বাড্ডা মৌজায় আড়াই কাঠার প্লট, এর পাশেই পৌনে ৩ কাঠার প্লট, একই এলাকার ১০ নম্বর রোডে আড়াই কাঠার প্লট ও পৌনে ৩ কাঠার প্লট, কেরানীগঞ্জে পৌনে ৪ কাঠা প্লট, বাড্ডা মৌজায় আড়াই কাঠার প্লট, উত্তরায় হরিরামপুরে ৩৬ শতাংশ জমি, একই এলাকায় ৫ কাঠার প্লট, উত্তরা এলাকায় নলভোগ মৌজায় ৪ কাঠার প্লট, পূর্বাচল প্রকল্পে ৫ নম্বর সেক্টরে ১০ কাঠার প্লট, বাড্ডায় রাজউক এলাকায় ১০ নম্বর সড়কে আড়াই কাঠার প্লট, কেরানীগঞ্জে মগর চোর মৌজায় সাড়ে ৭ শতাংশ জমিসহ রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় নামে-বেনামে আত্মীয়স্বজনের নামে শত শত কোটি টাকার জমি। অভিযোগ উঠেছে, মনির হোসেন গণপূর্ত ও রাজউকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঁতাত করে সরকারি কোটি কোটি টাকার প্লট নিজের নামে করে নিয়েছেন। বিনিময়ে সরকারি কর্মকর্তাদের কোটি কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছেন। শুধু নিজের নামে নয়, স্ত্রী রওশন আক্তারের নামেও সম্পদের পাহাড় গড়েছেন মনির। ৫০০-৬০০ ভরি স্বর্ণসহ বাড়ি-গাড়ি-ফ্ল্যাট কিনেছেন স্ত্রী ও স্বজনদের নামে। এরমধ্যে স্ত্রী রওশন আক্তারের নামে বাড্ডায় আছে পৌনে ৩ কাঠার একটি প্লট, একই মৌজায় ১১ নম্বর রোডে আড়াই কাঠার প্লট, বারিধারা ভাটারা থানা এলাকায় আড়াই কাঠার আরেকটি প্লট, গুলশান-১ এলাকায় ৬ নম্বর রোডে তিন নম্বর বাড়িত প্রায় সাড়ে ৩ হাজার স্কয়ার ফিটের একটি ফ্ল্যাট, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। মনিরের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে আছে মনির বিল্ডার্সের ৬০০ শেয়ার, মেসার্স গালস অটো কারস লিমিটেডের ১৬৫০টি শেয়ার, একটি সেডান কার, মিৎসুবিশি মডেলের একটি জিপ, একটি পিস্তল, বারোটি শটগানসহ অঢেল সম্পদ। দুদক জানায়, অনুসন্ধানকালে মনির হোসেনের আয়কর নথি, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য পর্যালোচনা করে দুদক দেখতে পায় যে, প্রকৃতপক্ষে তার বৈধ আয়ের উল্লেখযোগ্য কোন উৎস নেই। তিনি রাজউকের দালালি ব্যবসায় অবৈধ পন্থায় অর্জিত অর্থ দিয়ে এসব সম্পদের মালিক হয়েছেন। মনির ৬১০ কোটি ২ লাখ ২৫ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ দখলে রাখায় তার বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণীর নোটিশ জারির সুপারিশ করেছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা। এছাড়া, তার স্ত্রী রওশন আক্তারের নামে ৫ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদের তথ্য-প্রমাণ পাওয়ায় তার বিরুদ্ধেও সম্পদ বিবরণীর নোটিশ ইস্যুর সুপারিশ করেছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. শাসছুল আলম। ২০০৯ সালে একবার মনির হোসেন সম্পদের হিসাব দুদকে জমা দেন। তাই দুদক এবার ২০০৯ সালের পরের হিসাবসহ সম্পদের হিসাব জমা দিতে বলেছে। ২০১২ সালের এপ্রিলে মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৬১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছিল দুদক। দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক হারুন অর রশীদ বাদী হয়ে এ মামলা করেন। আদালতে রিটসহ বিভিন্ন জটিলতায় মামলাটির তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। কয়েকজন কর্মকর্তা বদলের পর বর্তমানে দুদকের উপপরিচালক মোশাররফ হোসেন মৃধা এ মামলার তদন্ত করছেন।

উৎসবের পরিবেশেও উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা

নিরুপম দাশগুপ্ত, চট্টগ্রাম

image

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নির্বাচনে ২৫ জানুয়ারি সোমবার ছিল শেষ দিনের প্রচারণা। প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা

কুমিল্লায় যৌতুকের দাবিতে গৃহবধুকে হত্যা, আসামীরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

যৌতুকের দাবিতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জোলাই কুড়িয়াপাড়ায় রোকসানা আক্তার লিজা (২১) নামের এক সন্তানের জননীকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নিখোঁজের ৬ মাস পর ছাত্রদল নেতা টিটু হায়দার গ্রেফতার

প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ

image

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের সাবেক ছাত্রদল নেতা টিটু হায়দারকে গ্রেফতার

sangbad ad

মুন্সীগঞ্জে ৫০৮ টি গৃহহীন পরিবারকে ঘর হস্তান্তর

প্রতিনিধি, মুন্সিগঞ্জ

মুন্সীগঞ্জ ৬টি উপজেলায় ৫০৮ টি ঘর প্রদান করা হয়েছে , ২৩ জানুয়ারি শনিবার সকালে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্স

মহেশখালীতে গ্যাস ভর্তি বেলুন বিক্রি নিষিদ্ধ

জসিম সিদ্দিকী, কক্সবাজার

কক্সবাজারের মহেশখালীতে হাইড্রোজেন গ্যাস ভর্তি বেলুন বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন। মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর

ত্রিভূজ প্রেমের হত্যাকাণ্ডে জারিমানাসহ প্রেমিক-প্রেমিকার মৃত্যুদণ্ড

জেলা বার্তা পরিবেশক, কিশোরগঞ্জ

image

ভৈরবে ত্রিভূজ প্রেমের জেরে নবী হোসেন (৩৫) নামে এক প্রেমিক খুন হওয়ার ঘটনায় আদালতে অপর প্রেমিক ও প্রেমিকার ফাঁসি এবং দুই

পূর্বধলায় নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রতিনিধি, পূর্বধলা (নেত্রকোনা)

image

নেত্রকোনার পূর্বধলায় ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় রওশন আরা (৩৮) নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পূর্বধলা থানার পুলিশ। সে উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের জারিয়া গ্রামের আলাল উদ্দিনের স্ত্রী।

হিলিতে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

দিনাজপুরের হিলিতে পিকআপের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বোয়ালদাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সিলেটে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

সিলেটে ইয়াবার চালানসহ জুয়েল আহমদ (৩১) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।