• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

 

প্রবাসে গডফাদার দেশে বেতনভুক্ত খুনি

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮

সংবাদ :
  • সাইফ বাবলু

বিদেশে বসেই বেতনভুক্ত খুনি দিয়ে দেশে হত্যা, চাঁদাবাজিসহ অপরাধ জগতের রাজত্ব চালাচ্ছেন একাধিক গডফাদার। মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়াসহ একাধিক দেশে থেকে এসব গডফাদার মাসিক বেতনে একাধিক কিলার গ্রুপকে পরিচালনা করছে। গুলশান, বনানীসহ রাজধানীর বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর খুনের তদন্ত করতে গিয়ে এমন তথ্য পায় পুলিশ। এর মধ্যে বাড্ডার ডিস ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক ওরফে ডিস বাবু হত্যার তদন্ত করতে গিয়ে বেশ কয়েকজন গডফাদারের ছদ্ম নাম এবং তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা বেতনভুক্ত খুনিদের নেটওয়ার্ক খুঁজে পায় ডিবি পুলিশ। যারা মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে থেকে ডিস ব্যবসা ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিতে ডিস বাবুকে হত্যা করে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, গত ৯ মে বাড্ডার ডিস ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক বাবু ওরফে ডিস বাবুকে হত্যার নির্দেশনা আসে মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ থেকে। মূলত ডিস ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই একটি ভেতনভুক্ত কিলার গ্রুপ দিয়ে বাবুকে হত্যা করা হয়। বাবুকে হত্যায় অংশ নেয়া তানভীর (ক্রস ফায়ারে নিহত), রাসেল, সোহেল মধ্যপ্রাচ্যে থাকা একজন শীর্ষ সন্ত্রাসীর ভেতনভুক্ত খুনি। তারা বাবু ছাড়াও ছাত্রলীগ নেতা রাহিন, দেলোয়ার, রায়হান, সেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের নেতা মাহবুবুর রহমান গামা, যুবলীগ কর্মী সালমান, আওয়ামী লীগ নেতা সামছুলসহ ৪ জনকে হত্যাসহ কমপক্ষে ডজনখানে ব্যক্তিকে হত্যায় অংশ নিয়েছে। এছাড়া বনানীতে মুন্সী ওভারসীজ-এর মালিক সিদ্দিক মুন্সী, বাড্ডার সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মামুন ওরফে গামাসহ চাঞ্চলকর হত্যার নেপথ্যে বিদেশে থাকা একাধিক গডফাদারের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এসব গডফাদাররা শুধু গুলশান বা বাড্ডা এলাকায়ই নয়- ধানমন্ডি, কলাবাগানসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদার দাবিতে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটিয়েছে বেতনভুক্ত অস্ত্রধারীদের দিয়ে।

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, গুলশান, বনানী, কলাবাগান ধানমন্ডিসহ একাধিক এলাকায় ব্যবসা, চাঁদাবাজি, মাদকের স্পট, জমি দখল, টেন্ডারবাজি, গরুর হাট বিদেশে বসেই নিয়ন্ত্রণ করছে রবিন, নাহিদ, ডালিম ও মেহেদি নামে ৪ গডফাদার। ওই ৪ জনই দেশের বাইরে থাকে। এর মধ্যে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী নাহিদ সুইডেনে বসে একটি কিলার গ্রুপ নিয়ণন্ত্রণ করছে। তার নির্দেশেই বনানীর রিক্রুটিং এজেন্সির অফিসে ঢুকে মুন্সী ওভারসীজের মালিক সিদ্দিক মুন্সীকে এলাপাতাড়ি গুলি করে হত্যা করে ভাড়াটে খুনি। সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মামুন ওরফে গামাকেও হত্যার নির্দেশনা ছিল বিদেশ থেকে। মগবাজার এলাকার দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ডালিম, রবিন মধ্যপ্রাচ্যে থেকে বেতনভুক্ত খুনিদের দিয়ে হত্যা করেছিল সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মামুন এবং গামাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেহেদি নামের আরেক দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী গুলশান, বনানী, বাড্ডা, ভাটারাসহ বিভিন্ন এলাকায় ভাড়াতে খুনি দিয়ে বেশ কয়েকজনকে হত্যা করিয়েছে ভাড়াটে খুনি দিয়ে। বাবু হত্যায় গ্রেফতারকৃত রাসেল ও সোহেল এদের হয়েই খুন করতো। এছাড়া তাদের হয়ে কিলার গ্রুপ পরিচালনা করছে জাকির হোসন, আদনান, জিসান, মাহবুব ও ইমাম। কিলার গ্রুপে অস্ত্রধারী খুনিদের মধ্যে ছোটন, শুভ, মুজাহিদ, নুরি, মোশারফ, শরিফ, হেলাল, ইশান, হাসেম, ইদ্রিস, রাসেল, মামুন, ইশন, সোহেল, রাসেল, সাদ্দাম ও পিচ্ছি আলামিনসহ একাধিক সদস্য ।

বিদেশে থাকা গডফাদারদের দ্বিতীয় হাত হয়ে কিলার গ্রুপ নিয়ন্ত্রণকারীদের মধ্যে পুলিশের সঙ্গে বন্ধুকযুদ্ধে আলামিন, সাদ্দাম, সাফায়েত নুরুল ইসলাম নুরা এবং সর্বশেষ ডিস বাবু হত্যার প্রধান সমন্বয়কারী তানভির নিহত হয়েছে। ডিস বাবু হত্যার আগে ডালিম ও রবিন নামে দুজনের সঙ্গে কথা হয়েছিল তানভীরের। তবে কল রেকর্ড পর্যালোচনা করে দেখা যায় তানভীরের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা গডফাদার রবিন ও ডালিমের যে কথোপকথন হয়েছে সবই হয়েছে ইন্টারনেট, হোয়াটঅ্যাপস, ভাইবারসহ বিভিন্ন অ্যাপসে। সরাসরি নাম্বারে কোন কথা হয়নি।

ডিবির কর্মকর্তারা জানান, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি দখল, ডিশ ও ঝুট ব্যবসাসহ বিভিন্ন কারণে গুলশান, বনানী, বাড্ডা ভাটারাসহ আশপাশের এলাকায় ২ বছরে ৪৫টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বিদেশে বসে কথিত গডফাদাররা দেশে থাকা ভাড়াটে খুনিদের মাধ্যমে এসব হত্যাকা- ঘটিয়েছে। শুধু বাড্ডা থানা এলাকায় গত ৫ বছরে অন্তত ১২টি হত্যাকা- ঘটেছে। কিলার গ্রুপের সদস্য সোহেল, রাসেল এবং ক্রস ফায়ারে নিহত তানভীর। এসব হত্যাকা-ের প্রতিটি নির্দেশনা এসেছে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী নাহিদ, ডালিম, রবিন ও মেহেদীর কাছ থেকে। ৯ মে বাড্ডার ডিস ব্যবসায়ী বাবুকেও হত্যার নির্দেশনা এসেছিল মধ্যপ্রাচ্যের কোন একটি দেশ থেকে। ক্রস ফায়ারে নিহত তানভীরকে নির্দেশনা দেয়া হয় বাবুকে খুন করার। এ জন্য ভেতনভুক্ত কিলার গ্রুপের কোন সদস্যদের কিলিং মিশনে নেয়া হবে, কোথায় কিভাবে বাবুকে হত্যা করা হবে, অস্ত্র কোথা থেকে আসবে সব দায়িত্ব পালন করেছিল তানভীর।

ডিবি পুলিশের এক কর্মকর্তা সংবাদকে বলেন, গত ৯ মে রাজধানীর বাড্ডায় গুলি করে হত্যা করা হয় ডিস ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক ওরফে ডিস বাবু। এ হত্যাকা-ের পর পুলিশ ৩ ভাড়াটে কিলারকে গ্রেফতার করে। এর মধ্যে ওই হত্যাকা-ের প্রধান সমন্বয়ক তানভীর ডিবি পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়। পরে হত্যাকা-ে ব্যবহৃত ৪টি পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যা এবং অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের হওয়া পৃথক দুটি মামলায় ডিস বাবুকে হত্যায় জড়িত সোহেল ও রাসেলকে ৭ দিনের রিমান্ডে এনে ডিজ্ঞাবাসাদ করে ডিবির সদস্যরা। তাদের দেয়া তথ্যে হত্যায় জড়িত আরও কমপক্ষে ৫ জনের তথ্য পায়। এর মধ্যে অর্নিব ওরফে উৎসব নামে আরেক ভাড়াটে খুনিকে গ্রেফতার করা হয়। অস্ত্র মামলায় ৭ দিনের এবং হত্যা মামলায় ২ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পাওয়া যায় আদালত থেকে। জিজ্ঞাসাবাদে মূলত বেরিয়ে আসে বেশ চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইতোমধ্যে রাসেল, সোহেল ও উৎসব ডিস বাবুকে হত্যাসহ পরিকল্পনা, নির্দেশদাতাসহ সবকিছু বিষয়ে খোলাখুলি তথ্য দিয়েছে। সোহেল ও রাসেল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ মে) আদালতে উৎসব জবানবন্দি দিয়েছে।

ডিবির অতিরিক্ত-উপ পুলিশ কমিশনার সাজাহান সংবাদকে জানান, ডিস বাবু হত্যায় গ্রেফতার সোহেল, রাসেল, উৎসব ৩ জনই বেতনভুক্ত খুনি। এদের মাসিক বেতন দেয়া হতো খুনের জন্য। এরা প্রতিমাসে কখনও একটি আবার কখনও একাধিক হত্যা করত। হত্যার জন্য এদের অস্ত্র সরবরাহ করেছিল তানভীর। তানভীর ডিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়। এরা এ পর্যন্ত কমপক্ষে ডজনখানেক হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। এরমধ্যে ছাত্রলীগ নেতা রাহিয়ন, দেলোয়ারসহ ৪/৫টি হত্যার কথা স্বীকার করেছে। সবগুলো হত্যার নির্দেশ এসেছিল বিদেশ থেকে। বিদেশে থাকা গডফাদারের সঙ্গে প্রতিটি হত্যার আগে এদের কথা হতো। হোয়াট অ্যাপস, ভাইভারসহ বিভিন্ন ইন্টারনেট অ্যাপ ব্যবহার করে কথা বলত। ফলে এদের অনেক কথার রেকর্ড বা কললিস্ট খুঁজে পাওয়া যায়নি।

জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল, সোহেল ও উৎসব জানিয়েছে, তারা বেতনভুক্ত। প্রতিমাসে তানভীরের মাধ্যমে বিদেশ থেকে তাদের জন্য নির্ধারিত বেতন আসত। তাদের মতো একাধিক কিলিং গ্রুপ রয়েছে যারা ভাড়ায় হত্যা করে। হত্যাছাড়াও কোথাও চাঁদার জন্য ভয় দেখাতে গুলি করা, বোমা ফাটিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করার কাজটিও তারা করত। তবে বেকায়দায় পড়লে সরাসরি হত্যার পর কিছুদিন আত্মগোপনে থেকে অথবা অন্য কোন কাজে জড়িয়ে তারা স্বাভাবিকভাবেই চলাফেরা করত।

ডিবির তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানায়, বাড্ডা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আবদুর রাজ্জাক ওরফে ডিস বাবু ডিসের ব্যবসা করে আসছে। বাবু ওই এলাকার স্থানীয়। বছর খানেক আগে বাবুর কাছ থেকে শিপলু, রিয়াজ, দুলালের কাছে ডিস ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ চলে যায়। কিন্তু খুব বেশিদিন ধরে তারা এ ব্যবসা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। ব্যবসাটি বছর শেষে আবার বাবুর নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু দুবাইতে থাকা কথিত ডালিম ও রবিন চাচ্ছিল বাবুর হাতে এ ব্যবসা যাতে না থাকে। ক্রসফায়ারে মারা যাওয়া তানভিরকে দিয়ে ডিস ব্যবসার পাশাপাশি এলাকায় চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতো ডালিম ও রবিন। বাবুকে ডিসের ব্যবসা ছেড়ে দেয়ার জন্য বার বার চাপ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বাবু এ ব্যবসা ছাড়েনি। ফলে বাবুকে হত্যার নির্দেশ আসে দুবাই থেকে। ক্রস ফায়ারে নিহত তানভিরের সঙ্গেই মূলত বাবুকে হত্যার চূড়ান্ত ছক তৈরি হয়। কিন্তু তানভীর দুবাইয়ের যে কথিত রবিন বা ডালিমের সঙ্গে কথা বলেছিল তাদের কোন অস্তিত খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারি আনন্দনগরে সন্ত্রাসীদের মধ্যে গোলাগুলিতে মারা যান আমির হোসেন নামের এক ব্যক্তি। একই বছর ৩ মে বাড্ডা জাগরণী সংসদ ক্লাবে আফতাবনগর পশুরহাটের চাঁদার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বৈঠক চলাকালে সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করে বাড্ডা থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন রাহিনকে। একই বছরের ১৬ মে বাড্ডায় লাল হোসেন নামের এক পুলিশ সোর্সকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট রাত ৯টার দিকে বাড্ডা আদর্শনগর পানির পাম্পের কাছে আওয়ামী লীগের স্থানীয় শামসু মোল্লা (৫৩) ও ফিরোজ আহমেদ মানিক (৪৫) সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মাহবুবুর রহমান গামা, যুবলীগ কর্মী সালমানসহ ৩ জন মারা যান। সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবেই এ হত্যাকা- ঘটনো হয় গরুর হাটের চাঁদাসহ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে। ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর দিনদুপুরে গুলি ও বোমা ছুড়ে হত্যা করা হয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মামুন। গত কয়েক বছরে বাড্ডায় খুন হন সাইদুর, মাসুম, আলা, রুবেল ও তাইজুলসহ আরও কয়েকজন। ফেব্রুয়ারিতে মহাখালীর ক্ষিণপাড়া এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয় ঠিকাদার নাসির কাজীকে। গত বছরের জানুয়ারিতে গুলশান-২-৩৮ নম্বর রোডের ওপর থেকে রানী নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি ডিবি। গত বছরের ডিসেম্বর বাড্ডার আফতাবনগরে নিজ ফ্ল্যাটে খুন হন ব্যবসায়ী মনজিল হক। ৪ মাসেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ফেব্রুয়ারিতে মধ্যবাড্ডায় হায়দার ডেন্টাল ক্লিনিকের রিসিপশনিস্ট লিজা আক্তারের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নড়িয়া ও জাজিরার ভাঙন রোধে জরুরী পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান তৃণমূল বাংলাদেশের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শরিয়তপুর জেলার নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলাকে প্রমত্তা পদ্মার ভাঙন থেকে বাঁচাতে জরুরী

বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল শিশু লিজার

প্রতিনিধি, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)

কটিয়াদীতে বাবাকে উদ্ধার করতে গিয়ে ট্রেনের নিচে কাটাপড়ে লিজা আক্তার (৬)

হোসেনী দালানে হামলার তিন বছরেও বিচারকাজে অগ্রগতি নেই

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

পুরান ঢাকার হোসেনী দালানে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর বোমা

sangbad ad

আজ পবিত্র আশুরা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

১০ মহররম আজ। পবিত্র আশুরা। এই মাস দিয়েই হিজরি বর্ষের সূচনা হয়। মুসলিম উম্মাহর জন্য ১০ মহররম দিনটি তাৎপর্যময় ও শোকাবহ। ত্যাগ ও শোকের

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ মুন্না-পুশকিনের পরিবার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

জাতীয় ফুটবল ও হকিতে অনেক বড় অবদান মোনেম মুন্না ও জাহিদুর রহমান

দুই বাংলায় সিঁথির আলোড়ন

আরাফাত জোবায়ের

image

শ্রীকান্ত আচার্য, শান্তনু মৈত্র, কৌশিকী চক্রবর্তী, মোনালী ঠাকুর ও পণ্ডিত তন্ময় বোসের

শ্রীবরদী সীমান্তে হাতির তাণ্ডব : দিশাহারা কৃষক

সংবাদদাতা, শ্রীবরদী (শেরপুর)

image

শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের সমীন্তবর্তী গ্রাম বালিজুরীতে প্রতিনিয়ত

সুন্দর নরসুন্দা এখন আবর্জনার ভাগাড়!

জেলা বার্তা পরিবেশক, কিশোরগঞ্জ

image

কিশোরগঞ্জ শহরের মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া নরসুন্দা এখন ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। কিশোরগঞ্জ

নৌ পুলিশেল ওপর সন্ত্রাসী হামলা : আহত ৩

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

কিশোরগঞ্জে চাঁদার দাবীতে আটকে রাখা বাল্কহেড( মালবাহী জাহাজ) উদ্ধার করতে

sangbad ad