• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২০

 

প্রবাসী-শহুরেদের ভিড়ে ঝুঁকিতে গ্রাম

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০

সংবাদ :
  • মোহাম্মদ আলী বাবু, গৌরনদী (বরিশাল)
image

চুয়াডাঙ্গা : দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছেন জেলা প্রশাসক-সংবাদ

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টানা ১০ দিনের ছুটি পেয়ে স্রোতের মতো বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ছুটে এসেছেন ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় কর্মরত মানুষ। যাত্রীবাহী বাস ও লঞ্চ বন্ধ করার পর বিকল্প পথে কয়েক হাজার মানুষ গ্রামের বাড়িতে ফিরছেন।

কেউ খোলা ট্রাকে, কেউবা কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি, আবার কেউ পণ্যবাহী পরিবহন ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পথে ট্রলার রির্জাভ করে গ্রামে ফিরেছেন। এসব মানুষ গ্রামে ফিরে আসার পর কিসের করোনা আতঙ্ক সবখানেই যেন অনেকটা ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে মানুষকে ঘরে রাখতে কঠোর অবস্থান নেয়া সত্ত্বেও ঘরমুখী হচ্ছে না শহর থেকে গ্রামে ফেরা মানুষগুলো। ফলে করোনা প্রতিরোধে সরকারের মূল লক্ষ্য অনেকটাই বিলীন হতে চলেছে। এ কারণে বর্তমানে গ্রামপর্যায়ে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পরার চরম ঝুঁকি রয়েছে।

সূত্রমতে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার থেকে সরকারি-বেসরকারি সব অফিস ১০দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার যে উদ্দেশ্য নিয়ে এই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল, তা কতটুকু কাজে আসবে তা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। আগে থেকে বিদেশ ফেরত ব্যক্তিরা গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে অবস্থান করছেন। তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হলেও বেশিরভাগ ব্যক্তিই প্রকাশ্যে ঘোরাঘুরি করছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সরকার সংক্রামক ব্যাধি আইন অনুযায়ী এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশনা দিয়েছে। উপজেলায় অধিকাংশ গ্রামে গত কয়েকদিনে হোম কোয়ারেন্টাইনের শর্ত না মানায় অসংখ্য মানুষকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানাও করা হয়েছে। এরপর সরকার বিদেশ ফেরতদের নাম ও ঠিকানা সংগ্রহ করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বিদেশ ফেরতরা ঠিকানা হিসেবে যেসব স্থানের নাম উল্লেখ করেছেন, সেখানে গিয়ে তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। তারা অন্যত্র থাকছেন। এর মধ্যে লম্বা ছুটি পেয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার রাজপথ পুরোপুরি ফাঁকা করে কয়েক হাজার মানুষ গ্রামে ফিরেছেন। এতে তারা গ্রামকেও অনিরাপদ করে তুলেছেন। বর্তমানে গ্রামে সবচেয়ে বেশি করোনা ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, যেভাবে গ্রামে মানুষ ফিরে এসেছে, সেটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে, সেখানে গাদাগাদি করে বিভিন্ন পরিবহনে মানুষ গ্রামে ফিরেছেন, সেটিতে আরও ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এসব মানুষ গ্রামে ফিরে একজনেও হোম কোয়ারেন্টাইনে নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের দক্ষিণ চেংগুটিয়া গ্রামের ঈদগাঁহ ময়দান মার্কেটে শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যায় হোম কোয়ারেন্টাইন কিংবা সামাজিক দূরত্ব না মেনে প্রবাসী ও ঢাকা থেকে আগত ব্যক্তিরা অবাধে ঘোরাফেরা করার প্রতিবাদ করায় ওইসব ব্যক্তিদের সাথে স্থানীয়দের তুমুল বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া মাদারীপুরের শ্বশুর বাড়ি থেকে অসুস্থ হয়ে সালমা বেগম নামের এক গৃহবধূ গৌরনদী উপজেলার শাহজিরা গ্রামের বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর পর ওই গ্রামে করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পরেছে। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েও কোন সুফল মেলেনি।

এদিকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি সিদ্ধান্ত মতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য গত তিনদিন পর্যন্ত গৌরনদীর মাহিলাড়া ইউনিয়নের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য এবং ওষুধের দোকানের সামনে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার জন্য সাদা রং দিয়ে গোল চিহ্ন অঙ্কন করে দেয়া হয়েছে। ওইসব গোল চিহ্নিত ঘরে অতিপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষ নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে দোকান থেকে পণ্য ক্রয় করতে হবে।

জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান গ্রামে আসা ব্যক্তিদের উদ্দেশে বলেন, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে নিজেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন রাখুন। কমপক্ষে ১৪ দিন বাহিরে ঘোরাঘুরি করবেন না। এসব বিষয় না মানলে নিজের পাশাপাশি পরিবারের সদস্য মা-বাবা, ভাইবোন, স্ত্রী, ছেলে-মেয়েসহ প্রতিবেশী সবার জন্য ঝুঁকি তৈরি হবে। সর্বপরি দেশের সবার জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। সুতরাং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলে নিজে নিরাপদ থাকুন ও সবাইকে নিরাপদ রাখুন।

বিপুল সংখ্যক মানুষ গ্রামে আসায় ঝুঁকির বিষয়টি স্বীকার করে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস বলেন, ছুটি পেয়ে গ্রামে ফেরা মানুষগুলো কিছুটা ঝুঁকি তৈরি করেছে। তবে তাদের সবাইকে পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী সবার সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। পুরো বিশ্বই করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে। আমরা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সরকারের একার পক্ষে সবকিছু সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষকে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। সবাইকে বুঝতে হবে যদি এসব নির্দেশনা মেনে না চলা হয়, তাহলে ঝুঁকি তৈরি হবে।

ইউনাইটেড হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল চেয়ে রিট

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রাজধানী গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনা ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডে ৫ রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল চেয়ে

করোনা পরিস্থিতি : নিয়ম ও স্বাস্থ্যবিধি কেউ মানছে না

বাকী বিল্লাহ

image

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে নানা নিয়ম মেনে চলার জন্য নির্দেশ দেয়া হলেও কেউ তা মানছে না। যত্রতত্র নিয়ম ভঙ্গ করা

করোনায় আরও ২৬১ পুলিশ আক্রান্ত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

প্রাণঘাতী মহামারী করোনা সংক্রমণে নতুন করে পুলিশের ২৬১ সদস্য আক্রান্ত হয়েছে। একদিনে এটি সর্বোচ্চ আক্রান্ত হওয়ার রেকর্ড পুলিশ

sangbad ad

বান্দরবনে বন্দুক যুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বান্দরবনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি’র) সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। ১ জুন সোমবার নাইক্ষংছড়ি এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের

মে মাসে ২২ কোটি ৬৯ লক্ষাধিক টাকার চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য জব্দ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) গত মে মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ অন্য স্থানে অভিযান চালিয়ে ২২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৮ হাজার

মির্জাপুরে ক্যাডেট কলেজসহ ১২ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস

প্রতিনিধি, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)

image

এবারের এসএসসি পরীক্ষায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজসহ উপজেলার

পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কেটে কৃষকের বাড়ি পৌছে দিলো ছাত্রলীগ

প্রতিনিধি, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)

image

ঘুর্নিঝড় আম্পানের প্রভাবে অতিবৃষ্টিতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ফতেপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের ৫৫০ একর জমির ধান পানিতে

শিবালয়ে কাশাদহ প্রকল্পে ধান তলিয়ে : কৃষকের ঘুম হারাম

রফিকুল ইসলাম,শিবালয় (মানিকগঞ্জ)

শিবালয়ে কাশাদহ প্রজেক্টে হঠাৎ করে অসময়ে পানি প্রবেশ করায় নিচু জমির আধাপাকা ধান তলিয়ে গেছে এবং কিছু ধান তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে এলাকার কৃষকদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। বোয়ালী গ্রামের কৃষক মো. আব্দুল

পটুয়াখালীতে আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত ১৬ হাজার মিটার বেড়িবাঁধ

স্বপন ব্যানার্জী, পটুয়ায়াখালী

image

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের জলোচ্ছ্বাসে পটুয়াখালী জেলার ৮উপজেলার প্রায় ১৬ হাজর মিটার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে। প্লাবিত হয়েছে ৫ হাজার ৫৬৭ হেক্টর জমি। এতে ৪ হাজার ৩৮ মে. টন ফসলের ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। প্লাবনে সবচেয়ে ক্ষতি হয়েছে আউশ বীজতলা ও বিভিন্ন ধরনের রবি শষ্য এবং শাক-সবজির। এ দিকে

sangbad ad