• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০

 

করোনা সংক্রমণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের অভিমত

প্রথম ঢেউ শেষ না হলে দ্বিতীয় ঢেউ নয়

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০

সংবাদ :
  • ফারুক আলম
image

দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যু ও সংক্রমণের সাত মাস হতে যাচ্ছে, এখনও করোনার প্রথম ঢেউ সম্পন্ন হয়নি। শীতে দ্বিতীয় ঢেউ আসছে এটি বলা বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এখনও দৈনিক করোনা সংক্রমণ হার ১১-১২ শতাংশ। মোট সংক্রমণের হার ১৮ শতাংশের ওপরে। একটানা তিন সপ্তাহ ৫ শতাংশের নিচে সংক্রমণ থাকলে প্রথম ঢেউ শেষ। কিন্তু বাংলাদেশে কবে নাগাদ করোনা সংক্রমণের মোট হার ৫ শতাংশের নিচে নামবে সুর্নিদিষ্ট বার্তা দিতে পারছেনা স্বাস্থ্য বিভাগ।

দেশে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও স্বস্তিদায়ক নয়। নমুনা পরীক্ষা বিশ হাজার থেকে কমে প্রায় বার হাজার এসেছে। কিছুদিন ধরে রোগী শনাক্তের হারও ১১-১২ শতাংশে স্থিতি আছে। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে ঢিলেমি এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে জনগণের অবহেলায় সাত মাসের ফার্স্ট ওয়েভ বা প্রথম ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এমতাবস্থায় আসন্ন শীতের মৌসুমে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লে সেটিকে দ্বিতীয় ঢেউ বলতে নারাজ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, শীতে করোনার প্রথম ঢেউয়ের সম্প্রসারণ বা বিস্ফোরণ ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সরকারের বিভিন্ন মহলে আসন্ন শীত মৌসুমে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর আশঙ্কা করছেন।

জানা গেছে, শুষ্ক আবহাওয়ায় করোনাভাইরাস বাতাসে বেশিক্ষণ ভেসে থাকে, তাই সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় অ্যাজমা, সিওপিডিসহ ফুসফুসের রোগের তীব্রতা বেড়ে যায়। করোনাভাইরাসের মূল টার্গেটই যেহেতু ফুসফুস, সেক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে অল্প পরিমাণ ভাইরাস প্রবেশ করেই বেশি ক্ষতি করতে পারে। সোজা কথা, সতর্ক না হলে কয়েক মাস পর আবার লাফ দিয়ে শনাক্ত এবং মৃত্যু বেড়ে যেতে পারে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনও রোগী শনাক্তের যে হার, তাতে বাংলাদেশ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা থেকে বেশ দূরে। আমেরিকা, রাশিয়া, মেক্সিকো, স্পেন ও ফ্রান্সে করোনা সংক্রমণ এক দফা কমে গিয়ে আবার বেড়ে গেছে। এটি সংক্রমণের সেকেন্ড ওয়েভ বা দ্বিতীয় ঢেউ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরান, ফিলিপাইন, নেপাল ও ইন্দোনেশিয়া দৈনিক সংক্রমণ এখন বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। বাংলাদেশে এখনও সংক্রমণের প্রথম ঢেউ বিলীন হয়নি বরং শনাক্তসংখ্যা কমছে ধীরগতিতে। ফলে প্রথম ঢেউ কোথায় গিয়ে, কবে শেষ হবে, সেটা নিয়ে সংশয় কাটছে না। এর মধ্যেই উদ্বেগ শুরু হয়েছে দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে। দৈনিক নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নেমে কমপক্ষে তিন সপ্তাহ অবস্থান করে তবেই প্রথম ঢেউ শেষ হয়েছে। সে ক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে প্রতিদিন ন্যূনতম ২০ হাজার মানুষের নমুনা পরীক্ষা করতে হবে এবং দেশের সব জেলা থেকে নমুনা সংগ্রহের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে হলে সেটাকে টলারেবল রিলিফ (সহনীয় স্বস্তি) বলা হয়।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদফতর করোনার প্রথম ঢেউ কতটা দ্রুত শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে নামে তার ওপর জোর দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের ব্যাপারে বৈশ্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন গভীরভাবে। এই পর্যবেক্ষণ অনুসারেই দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলার জন্য পরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে। আসন্ন শীতে অ্যাজমা-নিউমোনিয়াসহ শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্তরা গরমকালের তুলনায় বেশি জটিলতায় ভোগে। সে কারণে এবার শীতে তাদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি হয়ে আসছে করোনাভাইরাসের বিপদ। ফলে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেখা দিলে পরিস্থিতি আবার গত জুন-জুলাই মাসের মতো বা তার চেয়ে খারাপ অবস্থায় যেতে পারে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সংবাদকে বলেন, দৈনিক করোনার শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে নামলে প্রথম ঢেউ শেষ। করোনার সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হয়েছে, সেটি বলতে গেলে- আমাদের আগে ফার্স্ট ওয়েভ শেষ হতে হবে। তবে এখন করোনা সংক্রমণের হার কমছে।

স্বস্থ্য অধিদফতরের ডিজি আরও বলেন, শীতের মৌসুমে অ্যাজমা, দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্র ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়। আসন্ন শীতে শ্বাসকষ্ঠজনিত রোগের সঙ্গে করোনাভাইরাস রয়েছে। কোন রোগী শ্বাসকষ্ঠজনিত আর কোন রোগী করোনাভাইরাস আক্রান্ত তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিতে গিয়ে বিভ্রান্তে পড়বেন চিকিৎসকরা।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসন্ন শীতে আসছে সরকারের বিভিন্ন মহল থেকে এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক ও বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার উপদেষ্টা ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, করোনার ফার্স্ট ওয়েভই এখনও শেষ হয়নি। ইউরোপের অনেক দেশে দৈনিক শনাক্ত রোগী শূন্যতে নামিয়ে আনল। আমরা ছয় মাসেও এটা পারলাম না। আমরা এটাকে বলছি, ওয়েভ ইমপোজড। অর্থাৎ যদি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি, তাহলে যে ঢেউটা আছে, সেটার ওপর আরেকটা ঢেউ পড়বে। মানে আমরা করোনা সংক্রমণের হার থেকে নিচে নামব না।

জানা গেছে, করোনা আক্রান্তে শ্বাসতন্ত্রসহ বিভিন্ন অঙ্গ ক্রমান্বয়ে অকার্যকর করে দেয়। বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশ চীনের উহান শহরে শুরু হওয়া করোনাভাইরাস বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যু চীনকে ছাড়িয়ে গেছে। আর বিশ্বে করোনা শনাক্তের হারে ১৫তম দেশের তালিকায় বাংলাদেশ। দেশে তিন লাখ ৬২ হাজারের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। দেড় লাখ শনাক্ত হয় ১১৭ দিনে। আর দেড় লাখ শনাক্ত হয় ৫৪ দিনে। সর্বোশেষ ৬২ হাজার শনাক্ত হয়েছেন ৩৪ দিনে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য মতে, ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট তিন লাখ ৬২ হাজার ৪৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। মোট মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ২১৯ জনের। মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। আর মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৭৩ হাজার ৬৯৮ জন। সুস্থতার হার ৭৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। জুনে শনাক্তের হার ছিল ২১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। জুলাইয়ে এটি বেড়ে দাঁড়ায় ২২ দশমিক ৪৬ শতাংশে। তবে আগস্টে কমে ২০ দশমিক ৯০ শতাংশ। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে শনাক্তের হার কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। কয়েক দিন ধরে ১৮ শতাংশ হারে শনাক্ত হচ্ছে। সব মিলে শনাক্তের হার কিছুটা কমলেও মৃত্যুর হার একই আছে।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দেশে করোনার নমুনা পরীক্ষা শুরু হয় ২১ জানুয়ারি। আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত আট মার্চ, তার ঠিক ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু কথা জানায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। এরপর থেকে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। প্রথম মৃত্যু পর ২০ এপ্রিল ১০০ জনের মৃত্যু হয়, ৯ মে ২০০ জনের মৃত্যু হয়, ২৫ মে ৫০০ জনের মৃত্যু হয়, ১০ জুন ১০০০ জনের মৃত্যু হয়, ২১ জুন এক হাজার ৫০০ জনের মৃত্যু হয়, ৩ জুলাই ২ হাজার জনের মৃত্যু হয়, ১৭ জুলাই ২ হাজার ৫০০ মৃত্যু হয়, ২৮ জুলাই ৩ হাজার জনের মৃত্যু হয়, ১২ আগস্ট পৌঁছায় সাড়ে ৩ হাজারে। তারপর ১৩ দিনের মাথায় ২৫ আগস্ট মৃতের সংখ্যা ৪ হাজার ছাড়ায়। ১৯৯ দিনের মাথায় সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়ায়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ২৬ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা পাঁচ হাজার ২১৯।

হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ও জনস্বাস্ব্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী সংবাদকে বলেন, দেশে করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে নামলে বলা যাবে, প্রথম ঢেউ শেষ হয়েছে। শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে নেমে আবার যদি সংক্রমণ বাড়তে থাকে, সেটি দ্বিতীয় ঢেউ। বাংলাদেশে প্রথম ঢেউ এখনও চলমান এবং দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। বাংলাদেশে দ্বিতীয় ঢেউ আসতে পারে, এই চিন্তার আগে প্রথম ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই দ্বিতীয় ঢেউ আসার কথাটি এ মুহূর্তে বলার কিছু নেই। প্রথম ঢেউয়ের ধাক্কা শেষ না হলে, দ্বিতীয় ঢেউয়ের চিন্তা-ভাবনা করা অপ্রাসঙ্গিক। দুঃভাগ্যজনক বাংলাদেশে করোনার প্রথম ঢেউ প্রায় সাত মাস চলমান রয়েছে। আর এই সংক্রমণের শেষ কোথায়, সেটির বৈজ্ঞানিকভিত্তিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এক অজানা গন্তব্যস্থলের দিকে ফুটে চলছে করোনা সংক্রমণ ও মানুষের মৃত্যু।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বে শীতকালে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুর প্রবণতা বেড়েছিল। কারণ শীতের মৌসুমে ভাইরাস দীর্ঘ সময় বাঁচে এবং দ্রুত ছড়ায়। এ জন্য আশঙ্কা করা হচ্ছে, শীতকালে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. সারোয়ার আলী সংবাদকে বলেন, দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম ঢেউ চলমান। প্রথম ঢেউ নিয়ন্ত্রণে এলে দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হবে। তবে দেশে করোনা সংক্রমণের প্রকোপ কিছুটা কমেছে। আর করোনা উপসর্গ নিয়ে নমুনা পরীক্ষা করতে কম আসছে না, সেই সংখ্যাও বিবেচনা করা দরকার। শীত বা শুষ্ক মৌসুমে শুধু করোনাভাইরাসের সঙ্গে অন্য ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেয়। সেজন্য আগেভাগেই মানুষের যতœবান হওয়া প্রয়োজন।

জাতীয় বক্ষ্মব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহেদুর রহমান খান বলেন, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৫ শতাংশ অ্যাজমা ও ৬ শতাংশ দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগ বা সিওপিডিতে আক্রান্ত। শীতের সময় সাধারণত তাদের এ সংক্রান্ত জটিলতা তুলনামূলক বেড়ে যায়। তাপমাত্রার সঙ্গে সরাসরি করোনা সংক্রমণের হ্রাস-বৃদ্ধির বিষয়টি এখনও প্রমাণিত না হলেও শীতের সময় অ্যাজমা, দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্র ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্তদের জন্য করোনার ঝুঁকি অনেক বেশি। কারণ এই সময় এসব রোগীর অবস্থা নাজুক থাকে।

দেশের ৬৪ জেলাতেই করোনা শনাক্ত ও মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শনাক্তের প্রায় অর্ধেক ঢাকা শহরে। তবে বর্তমানে ধীরে ধীরে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা কমছে।

মেজর সিনহা হত্যা মামলা: আরও ৫ দিনের রিমান্ডে কনস্টেবল রুবেল শর্মা

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

কক্সবাজারে মেজর অবসরপ্রাপ্ত সিনহা মো. রাশেদ হত্যার ‘মাস্টারমাইন্ড’ টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের ‘অন্যতম সহযোগী’ কনস্টেবল রুবেল শর্মার আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগে এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে রিট

জেলা বার্তা পরিবেশক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

খাল উদ্ধারের নামে অন্যের বাড়ি খাল করার ঘটনায় ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবিতে সরাইলের সহকারী কমিশনার-ভূমি ফারজানা প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে রিট করা হয়েছে।

সাভারে চাকরি ব্যবসার আড়ালে ছিনতাই চক্র

প্রতিনিধি, সাভার (ঢাকা)

দিনে ওরা চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ী। আর রাতে ভয়ঙ্কর ছিনতাইকারী। দলবেঁধে করে ছিনতাইয়ের কাজ। তাদের খপ্পরে পড়ে ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাক্তন ছাত্র মোস্তাফিজুর রহমান।

sangbad ad

শেরপুরে বাঙালি নদীর ভাঙন হুমকিতে ঘরবাড়ি স্কুল

সাইফুল বারী ডাবলু, শেরপুর (বগুড়া)

image

বগুড়ার শেরপুরে বেড়েই চলেছে বাঙালী নদী ভাঙ্গন। ভাঙ্গনের ফলে বিলীন হতে চলেছে গ্রামের পর গ্রাম।

মুজিবর্ষে নৌকাবাইচে লাখো মানুষের ঢল

জেলা বার্তা পরিবেশক, সিরাজগঞ্জ

image

নদ-নদী, খাল-বিল ঘেরা গ্রামীণ বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক অন্যতম অনুসঙ্গের সেই ধারাবাহিকতায় সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে এবারো গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ।

সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যা: কনস্টেবল টিটু রিমান্ড শেষে কারাগারে

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

দেশজুড়ে আলোচিত সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান উদ্দিন (৩০) হত্যা মামলায় বরখাস্তকৃত কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাসকে রিমান্ড শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে দ্বিতীয় দফা রিমান্ড শেষে তাকে সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক জিয়াদুর রহমান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটের পরিদর্শক মহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বেগমগঞ্জে বিবস্ত্র করে গৃহবধূ নির্যাতন : রিমান্ডে প্রধান আসামি দেলোয়ার

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

বহুল আলোচিত নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি দেলোয়ার হোসেন দেলুকে এবার একটি হত্যা মামলায় তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে গৃহবধূ নির্যাতন মামলার ৪ নম্বর আসামি ইসরাফিলেরও রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

নানা আয়োজনে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালিত

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমানের ৪৯তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (২৮ অক্টোবর) হর‌্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল হয়েছে। ১৯৭১ সালের এ দিনে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই সীমান্তে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন তিনি।

জামালপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, স্বামী আটক

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

জামালপুরের বকশীগঞ্জে স্মৃতি বেগম (৩৭) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে