• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২০

 

দুদক নিজস্ব ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করছে না : টিআইব’র গবেষণার তথ্যে একমত দুদক

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুর্নীতির বাজদের বিরুদ্ধে তদন্ত অনুসন্ধান এবং মামলার ক্ষেত্রে সরকার বিরোধী দলের রাজনীতিকদের যতোটা কঠোর ক্ষমতাসীন দল ও জোটের রাজনীতিকদের দুর্নীতির বিষয়ে ততটা নমনীয়তা প্রদর্শণ করে। কাগজে কলমে দুদক স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হলেও কার্যক্রমে দুদককে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন বলা যায় না। দুর্নীতির অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলার ক্ষেত্রে দুদকের অনেক কর্মকর্তারা অনৈতিক আর্থিক লেনদেনে জড়িয়ে পড়ে। অন্যান্য কার্যক্রমে দুদকের কিছু সফলতা থাকলেও দুদকের অনেক কর্মকর্তা, প্যানেল আইনজীবিদের দক্ষতার ব্যাপক ঘাটটি রয়েছে। জনগণের ধারণায় দুদক ক্ষুদ্র দুর্নীতির ওপর বেশি মনোযোগী এবং বড় দুর্নীতিবাজ ধরার ক্ষেত্রে দুদকের দৃশ্যমান সাফল্য নেই। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) কর্তৃক ৩ বছর (২০১৬ থেকে ২০১৮)দুর্নীতি দমন কমিশনের ওপর ফলোআপ গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির নিজস্ব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে গবেষণাপত্র তুলে ধরেন টিআইবির রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের প্রোগ্রাম ম্যানেজার শাম্মী লায়লা ইসলাম ও সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শাহজাদা এম আকরাম। এর পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ডঃ ইফতেখারউজ্জামান। এ সময় টিআইবির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের উপস্থিত ছিলেন।

স্বাধীনতা ও মর্যাদা; অর্থ ও মানবসম্পদ; জবাবদিহিতা ও শুদ্ধাচার; অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়ের; প্রতিরোধ, শিক্ষা, আউটরিচ কার্যক্রম; সহযোগিতা ও বাহ্যিক সম্পর্ক- এই ৬টি ক্ষেত্রের অধীনে ৫০টি নির্দেশককে ভিত্তি করে গবেষণাটি চালিয়েছে টিআইবি। ৫০টি নির্দেশকে দুদকের নানা কার্যক্রম বিবেচনায় স্কোরিং করেছে টিআইবি। সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ স্কোর পেয়েছে ‘প্রতিরোধ-শিক্ষা-আউটরিচ কার্যক্রম, স্বাধীনতা ও মর্যাদা পেয়েছে ৬৭ শতাংশ স্কোর, সহযোগিতা ও বাহ্যিক সম্পর্ক ক্ষেত্র পেয়েছে ৬৭ শতাংশ স্কোর। সর্বনিম্ন ৪৪ শতাংশ স্কোর পেয়েছে অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়েরের ক্ষেত্র। গবেষণার ফলাফল নিয়ে দুদক চেয়ারম্যান, কমিশনারদের সঙ্গে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বেঠকও করেছে টিআইবি। কমিশনের সঙ্গে ওই বৈঠকে গবেষনার খড়তা তুলে দেওয়া হয়েছে। সংযোজন – বিয়োজন করে চুড়ান্ত প্রতিবেদন মঙ্গলবার প্রকাশ করে টিআইবি। টিআইবির গবেষনা প্রতিবেদনের একমত পোষন করেছে দুদকও ।

গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, দুদকের কার্যক্রম ও ক্ষমতার ব্যবহারের কারণে এর স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। দুদকের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা নেই। দুদক নিজস্ব ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করছে না। টিআইবি বলছে, দুদক বিরোধী দলের রাজনীতিকদের হয়রানি করা এবং ক্ষমতাসীন দল ও জোটের রাজনীতিকদের প্রতি নমনীয় প্রদর্শনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যার প্রমাণ পাওয়া যায় ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় দুদকের কার্যক্রমে। দুদক রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ নয়। কারণ দুর্নীতির ঘটনা মোকাবিলার ক্ষেত্রে এটি নিরপেক্ষ আচরণ পেতে সমর্থ হয়নি । টিআইবি বলেছে কমিশন পক্ষপাতপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং সকলের বিরুদ্ধে সমানতালে পদক্ষেপ গ্রহণ করে না। তথ্যদাতাদের বরাত দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তাদের মধ্যে একটি সাধারণ ধারণা হচ্ছে, যাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে তাদের বেশিরভাগই বিরোধী রাজনৈতিক দলের অন্তর্ভুক্ত। তবে কয়েকজন রয়েছেন যারা ক্ষমতাসীন দলের সদস্য। দুদকের কর্ম সম্পাদনের স্বাধীনতাও কিছুটা নিম্ন বলেছে টিআইবি। এ বিষয়ে সংস্থাটির ভাষ্য, কিছু ক্ষেত্রে দুদক সরকার ও ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলসহ অংশীজনের চাপের সম্মুখীন থাকে। আর কিছু ক্ষেত্রে সরকারের বিরূপ প্রতিক্রিয়া এড়ানোর জন্য দুদক নিজস্ব ধারা প্রসূত হয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করা থেকে বিরত থাকে।

টিআইবি আরও বলেছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে ‘জিরো টলারেন্সের’ কথা বলা হলেও সরকারি কোনো কোনো উদ্যোগের মাধ্যমে দুদকের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে। টিআইবি বলছে, বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারের পরিমাণের (২০১৫ সালে ৫৯০ কোটি মার্কিন ডলার) প্রেক্ষিতে দুদকের উদ্ধারকৃত অর্থের পরিমাণ (জরিমানা ও আটক হিসেবে ২০১৮ সালে ১৫৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা) উল্লেখযোগ্য নয়। ২০১৬ সালে পরিচালিত গবেষণার সুপারিশের ভিত্তিতে দুদকের বাজেট বাড়লেও তা আন্তর্জাতিক মানদন্ডে পৌঁছাতে পারেনি। প্রতিবেদনে বলা হয়, দুদকের নতুন অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী অনুমোদন ও কর্মী সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও নিয়োগ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি। এছাড়া দুর্নীতির অভিযোগ জানানোর জন্য হটলাইন ১০৬ চালু করা হলেও অভিযোগের বড় অংশের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। “বিভিন্ন দুর্নীতি প্রবণ প্রতিষ্ঠানের উপর প্রতিবেদন তৈরি ও সুপারিশ করলেও এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন নিশ্চিৎ করার ক্ষমতা দুদকের নেই।

দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের সাজা প্রদানের হার কম হওয়ার একটি কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দুদকের অভিযোগ বাছাই ব্যবস্থা। দেখা গেছে, ২০১৬-২০১৮ সালে মোট ৪৭ হাজার ৫৪৯টি অভিযোগের মধ্যে ৩ হাজার ২০৯টি অভিযোগ (৬.৭৫%) অনুসন্ধানের জন্য গৃহীত হয়। অথচ আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুসারে এই হার ৬৬ শতাংশের বেশি হওয়ার কথা। তবে দুদকের মতে, অধিকাংশ অভিযোগ দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধের মধ্যে পড়ে না। এছাড়া প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রহণের জন্য ২ হাজার ৩৬৯টি অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। দুদক ২০১৬-২০১৮ সালে ৪ হাজার ৩৮টি অনুসন্ধানের মধ্য থেকে ৮৪৮টি (২১%) মামলা করেছ, যা আন্তর্জাতিক মানদন্ডে ৭৫ শতাংশের বেশি। অপরদিকে, গত কয়েক বছরে দুদকের দুর্নীতির মামলায় সাজা হওয়ার হার গড়ে ৪০ থেকে বেড়ে ৫৭.৭% হলেও তা আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুসারে (৭৫ শতাংশের বেশি) এখনও কম।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি জানায়, গত তিন বছরে (২০১৬-১৮) নিস্পত্তি হওযয়া ৮৫৭টি মামলার মধ্যে মোট ৪৯৫টি মামলায় সাজার রায় হয়েছ। এ ধরনের মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে দুদকের নিরপেক্ষতার বিষয়ে মানুষের ধারণা খুব ইতিবাচক নয়। দুদকের কর্মকর্তাদের ওপর আস্থার অভাব রয়েছ। বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের সদস্য ও সাংবাদিকদের মতে, দুদককে দ্নুীতি দমনের জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষমতা অর্পণ করা হলেও একই ধরনের দুনীতির মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে এটি নিরপেক্ষ নয়।টিআইবি বলছে দুর্নীতি দমন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মধ্যম মানের। সংস্থাটির স্কোর ১০০ তে ৬০। আন্তর্জাতিক মান হিসেবে এটা মধ্যম শ্রেণির। উচ্চ শ্রেণির নম্বর শুরু ৬৭ থেকে। দুদককে মধ্যম শ্রেনি থেকে উচ্চ শ্রেণিতে যেতে তাই ভবিষ্যতে আর মাত্র ৭ নম্বর বাড়াতে হবে। গবেষণায় দুদকের ৫০টি নির্দেশক বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২১টিতে দুদক উচ্চ শ্রেণিভুক্ত হয়েছে। ১৮টি মধ্যম ও ১১টি নিম্ন শ্রেণিভুক্ত হয়েছে। দুদকের অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়ের এই নির্দেশক সবচেয়ে কম নম্বর পেয়েছে। অন্যদিকে প্রতিরোধমূলক, শিক্ষামূলক ও আউটরিচ কার্যক্রমে দুদক সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছে। এরপর বেশি নম্বর পেয়েছে স্বাধীনতা ও মর্যাদা নির্দেশকে। স্বাধীনতার প্রশ্নে বলা হয়েছে, দুদক সরকারবিরোধীদের ওপর হয়রানিমূলক কাজ করে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীনদের প্রতি সংস্থাটি নমনীয়। দুদকের তদন্ত ও মামলা দায়ের প্রশ্নে বলা হয়েছে, সম্পদের মালিকানার অবৈধ পরিবর্তন, ব্যাংক খাত ও সম্পদ আত্মসাতের বিষয়ে দুদকের ক্ষমতা প্রয়োগের ঘাটতি আছে। বিশেষ করে জেলা পর্যায়ে প্যানেল আইনজীবীদের মধ্যে ঘাটতি আছে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কাগজে-কলমে দুদকের স্বাধীন হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করছে বলে মনে হচ্ছে না। দুদক বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারের আগে অনুমতি নেয়ার যে বিষয় রয়েছে, সেটি বৈষম্যমূলক এবং অসাংবিধানিক। আমরা আশা করি, আদালতে এই ধারাটি বাতিল হবে। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কাগজে-কলমে দুদককে স্বাধীন বলা হলেও বাস্তবে স্বাধীন বলা যায় না। সরকার যতটুকু চায়, দুদক ততটুকু স্বাধীন থাকে। তা ছাড়া রাজনৈতিক কারণে দুদক অনেক কিছু করতে পারে না। দুদকের সৎ সাহস ও নেতৃত্বের ঘাটতি আছে।

সার্বিক প্রর্যবেক্ষনঃ

টিআইবির সার্বিক পর্যবেক্ষনে বলা হয়েছে দুর্নীতির অভিযোগকারীর পরচয় প্রকাশে অনাগ্রহ, সঠিক পক্রিয়া অণুসরন সরকারের সহয়তায় আস্থা দুদকের কর্ম ক্ষমতা এবং দুদকের ক্ষমতা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার ইত্যাদি নির্দেশক নিম্ম বা মধ্যম স্কোর পেয়েঠে। দুর্নীতি হ্রাসে দুদক ও সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রতি জনগনের আস্থার ঘাটতি নির্দেশ খরে। প্রশিক্ষনের ঘাটতি ও মামলার জন্য কম বাজে বরাদ্ধের কারণে অণুসন্ধান, তদন্ত ও মামলার পরিচালানায় দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ঘাটতি রয়েছে। যার ফলে মামলার হার ও শাস্তি প্রদানের হারও কম। এক্ষেত্রে দুদকের বাজেট চাহিদা ও বরাদ্ধ অআর সুচিন্তিত হওয়া প্রয়োজন। দুদকের প্রধান দুটি ম্যান্ডেটের মধ্যে প্রতিরোধকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে দুর্নীতি দমন দূর্বল হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দুদকের কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন, দায়িত্ব অবহেলা ও অনিয়ম ও দুর্নীীর অভিযোগ বিদ্যমান।

দুদকের নানা সমস্যা সমাধানে টিআইবি দিয়েছে নানা সুপারিশ

স্বাধীন ও পর্যাদার সুপারিশের ক্ষেত্রে টিআইবি বলেছে, সংশ্লিস্ট আইন সংশোধন, দুদকের কার্যখ্রম সংশ্লিস্ট আইন(দুদক আইন ২০০৪ অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন ২০১২, সরকারি চাকরি আইন ২০১৮) সংশোধন করে নিচের বিষয়গুলো অন্তবূক্ত করতে হবে দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনারের নিয়োগ পক্রিয়া স্বচ্ছ করার জন্য নিয়োগের পূর্বে বাছাইকৃত নাম ও জীবনবৃত্তান্ত প্রকাশ করা তাদের নিয়ে গণশুনানীর আয়োজন করা এভং তা সম্প্রচার করা। অর্থ পাচার ও ব্যক্তিমালিকানাসহ বেসরকারি খাতের দুর্নীতিকে দুদকের কাজের আওতাভুক্ত করা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য দুদকের সুপারিশকে বাধ্যতামূলক করা। উচ্চতর শূদ্ধাচার ও যোগ্যতাসম্পন্ন জনপ্রতিনিধি ও নাগরিকদের নিয়ে একটি স্বাধীন কমিকি তৈরী করা যার সদস্যরা দুদকের কার্যক্রম তদারকি নিয়মিত মূল্যায়ন ও দিকনির্দেশানা দিবেন। পূর্বানুমতি ছাড়া সরকারি কর্মছারীদের গ্রেফতার না করার বিধান রতি করা।

অর্থ ও মানবসম্পদ, জবাবদিহিতা ও শুদ্ধাচার অনুসন্ধান, তদন্ত এবং মামলা দায়ের, প্রতিরোধকমূলক শিক্ষামূলক ও আউটরিচ কার্যক্রম, সহযোগিতাও বাহ্যিক সম্পর্ক্য নিয়ে একাধিক সুপারিশ করেছে টিআইবি।

বিশ্বে আক্রান্ত ১০ লাখের বেশি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিশ্বজুড়ে মহামারী রূপ নেয়া নভেল করোনাভাইরাসে নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দশ লাখ ছাড়িয়েছে। আর মৃতের সংখ্যা ৫৫ হাজার

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ঝুঁকি বাড়িয়ে হাটবাজারে জনসমাগম

প্রতিনিধি, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)

image

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও মানুষ ঘরের বাইরে এসে হাটবাজার গুলিতে ভীড় জমিয়ে কেনাকাটা করছে প্রতিনিয়ত। করোনা

নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদনের অপরাধে গ্রেফতার ১

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অননুমোদনহীন কারখানায় নকল স্যানিটাইজার উৎপাদন ও বাজারজাত করার অপরাধে এক কারখানা মালিককে

sangbad ad

শরণখোলায় টিসিবি পণ্য কিনতে হুমড়ি!

প্রতিনিধি, শরণখোলা

image

বাগেরহাটের শরণখোলায় টিসিবির মাধ্যমে খোলাবাজারে ডাল, চিনি ও তেল বিক্রি শুরু হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে তাঁতশিল্প বন্ধে বেকার তিন লাখ শ্রমিক

জেলা বার্তা পরিবেশক, সিরাজগঞ্জ

image

শ্রমিকরা বেকার হয়ে অনেকের অর্ধাহার অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।

রংপুরে করোনা পরীক্ষার পিসিআর মেশিন চালু

জেলা বার্তা পরিবেশক,রংপুর

image

এখন থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করোনা সনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যাক্ষ অধ্যাপক ডা, নুরন্নবী লাইজু।

দক্ষিণ এশিয়ার চারদেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

চীনের সীমান্তঘেঁষা ‘ভিয়েতনাম’। দেশটিতে বুধবার (১ এপ্রিল) পর্যন্ত ২২৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়

৫ শতাধিক শিশু ও ছিন্নমূল মানুষকে খাওয়াল রেলওয়ে পুলিশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে দুই দফায় লম্বা ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার

জামাই শ্বশুর বাড়িতে কোয়ারেন্টিন না মানায় সংঘর্ষ আহত ১৩

প্রতিনিধি, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ)

image

ঢাকা থেকে শশুর বাড়িতে এসে হোম কোয়ারেন্টে না থাকাকে কেন্দ্র করে মহল্লাবাসীর

sangbad ad