• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রোববার, ১৬ জুন ২০১৯

 

কিরে তোরা আমার জন্য কি করেছিস

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

সোনাগাজী ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলা করার কারণেই নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যা করা হয়। অধ্যক্ষ সিরাজ জেলে বসে ছাত্র নুর উদ্দিনকে কিলিং মিশন বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে বৈঠক করা হয় ঘটনার একদিন আগে। হত্যা মিশনে সরাসরি জড়িত শাহাদাত হোসেন শামিমসহ ৪ জন। সব মিলিয়ে সম্পৃক্ত ১৩ জন। এর মধ্যে ২ জন নারী।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাথমিকভাবে এমন তথ্য পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ১৩ এপ্রিল শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিবিআইয়ের প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার।

নুসরাত হত্যা মামলায় এজাহারনামীয় ৭ আসামিসহ ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে এমন ৭ জন হলেন-অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা, হত্যার পরিকল্পনাকারী ও অংশগ্রহণকারী মাদ্রাসা ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামিম, জুবায়ের আহমেদ, জাবেদ হোসেন, মাদ্রাসার শিক্ষক আশরাফ উদ্দিন, পৌর কাউন্সিলর মাকসুদ আলম। তবে শাহাদাত হোসেন শামিমকে এখনও মামলায় আনুষ্ঠানিক গ্রেফতার দেখানো হয়নি। আরও ৬ জনকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে, যারা কিলিং মিশনে জড়িত ছিল। তদন্তের স্বার্থে ওই ৬ জনের নাম প্রকাশ করা হয়নি। ওই ৬ জনকে গ্রেফতারে শামিমকে সঙ্গে নিয়ে পিবিআই টিম অভিযান চালাচ্ছে। সারাদেশে পিবিআইয়ের জেলা অফিসগুলোতে তাদের ছবি পাঠানো হয়েছে।

ধানমন্ডিতে পিবিআইয়ের সদর দফতরে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জিআইজি বনজ কুমার মজুমদার আরও জানান, গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার শ্লীলতাহানির শিকার হন ওই মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি। এ ঘটনায় মামলা করা হলে জেলে যেতে হয় অধ্যক্ষ সিরাজকে। সিরাজ উদ দৌলার জেলে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি তার অনুসারী ছাত্র, শিক্ষক ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। এ ঘটনায় আলেম সমাজকে হেয় করা হয়েছে বলে প্রচার শুরু করে সিরাজের অনুসারী নুর উদ্দিন, জুবায়ের আহমেদ, শাহাদাত হোসেন শামিম, আবদুল কাদের, জাবেদ হোসেন, ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, শিক্ষক আফসার উদ্দিনসহ একটি গ্রুপ। তারা অধ্যক্ষ সিরাজকে ভালো মানুষ প্রমাণ করার পরিকল্পনা নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানির অভিযোগটি ভুয়া বলে প্রচার শুরু করে। পাশাপাশি তারা সিরাজের মুক্তির দাবিতে একটি কমিটিও গঠন করে।

৪ এপ্রিল অধ্যক্ষ সিরাজের সঙ্গে জেলখানায় দেখা করে নুর উদ্দিন। ওইদিন সিরাজ নুর উদ্দিনকে বলেন- কিরে তোরা আমার জন্য কি করেছিস। জবাবে নুর উদ্দিন বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি। জেলখানায় দীর্ঘ সময় নুর উদ্দিন ও সিরাজ উদ দৌলা সলাপরামর্শ করে। পরদিন ৫ এপ্রিল মাদ্রাসার পশ্চিম ছাত্রাবাসে ৫ জনকে নিয়ে বৈঠক করে নুর উদ্দিন। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলো-জুবায়ের হোসেন, শাহাদাত হোসেন শামিম, জাবেদ হোসেন, হাফেজ আবদুল কাদের। বৈঠকে নুর উদ্দিন জানায় নুসরাতকে হত্যার নির্দেশনা পাওয়া গেছে হুজুরের কাছ থেকে (অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা)। বৈঠকে উপস্থিত শাহাদাত হোসেন শামিম নুসরাতকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার মত দেয়। তার মতের সঙ্গে একমত পোষণ করে বৈঠকে উপস্থিত জুবায়ের হোসেন, আবদুল কাদেরও। রাত ৯টার পর নুসরাতকে হত্যার পরিকল্পনার বিষয়টি ২ ছাত্রীসহ আরও ৫ জনকে জানানো হয়। কিভাবে এ মিশন বাস্তবায়ন করা হবে সেজন্য একটি ছক আঁকে খুনিরা। পরিকল্পনা মোতাবেক ৬ এপ্রিল নুসরাতকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

সংবাদ সম্মেলনে ডিআইজি বনজ কুমার জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী দুজন মেয়ের (মাদ্রাসার ছাত্রী) মধ্যে একজনকে দায়িত্ব দেয়া হয় ৬ এপ্রিল পরীক্ষা দিতে আসলে নুসরাতকে যেকোন উপায়ে সাইক্লোন সেল্টারে পাঠানোর। আরেকজনকে ৩টি বোরকা, কেরোসিন ও ম্যাচ সংগ্রহ করে ছাদে পৌঁছানোর দায়িত্ব দেয়া হয়। পরিকল্পনা মোতাবেক পরীক্ষা শুরুর আগেই চম্পা অথবা শম্পা নামে এক ছাত্রী কোরোসিন ও বোরকা নিয়ে ছাদে যায়। ওই সময় আরও ৩ জন ছাত্র ছাদে বাথরুমের মধ্যে লুকিয়ে থাকে। ছাদে থাকা ৪ জনের মধ্যে এক নারী ও ৩ জন পুরুষ ছিল। এর মধ্যে নারীর নাম চম্পা। আর ৩ পুরুষের মধ্যে একজন শাহাদাত হোসেন শামিম। পরিকল্পনা অনুযায়ী নুসরাতের বান্ধবী নিশাতকে ছাদে মারধর করার খবরটি জানানো হয়। ওই ছাত্রীর কথায় বিশ্বাস করে নুসরাত ছাদে গেলে ৪ জন মিলে নুসরাতের গায়ে থাকা ওড়না দিয়ে তার হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে কেরোসিন দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ৪ হত্যাকারী সিঁড়ি বেয়ে নিচে দ্রুত নেমে পড়ে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নুসরাতকে হত্যায় অন্যদের মধ্যে এক গ্রুপের দায়িত্ব ছিল গেটে পাহারা দেয়া এবং হত্যাকারীদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া।

আগুন দিয়ে খুনিরা লুকিয়ে থাকে অধ্যক্ষের কক্ষে : পরিকল্পনা অনুযায়ী নুসরাতকে হত্যায় অংশগ্রহণকারীরা প্রথমে অধ্যক্ষের কক্ষে আশ্রয় নিয়েছিলো বলে মনে করছেন তদন্ত সংশ্লিস্টরা। সংশ্লিস্টদের মতে যে ভবনের ছাদে নুসরাতকে আগুন দেওয়া হয় ওই ভবন ছাদে দুটি টয়লেট আছে। নিচে অধ্যক্ষের কক্ষ এবং ক্লাস রুম। ভবনের ছাদে যাওয়ার জন্য এবং বেরিয়ে আসার জন্য একমাত্র পথ সিড়ি। অণ্যকোনভাবে ছাদ থেকে নামার উপায় নেই।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারনা কিলিং মিশনে অংশ নিতে শাহাদাত হোসেন শামিমসহ ৪ জন সকাল ৯ টার আগেই মাদ্রাসায় প্রবেশ করে। নুসরাতকে আগুনে পুড়িয়ে দিয়ে দ্রুত তারা আবার অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে পড়ে। নুসরাতের গায়ে আগুনের ঘটনায় হৈচৈ পড়ে গেলে পুলিশসহ অণ্যরা তাকে উদ্ধারে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এ সুযোগে খুনিরা বোরখা খুলে লোকজনের ভীড়ে ফেলে মিশে যায়।

এদিকে পিআইয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, ২৭ মার্চ নুসরাতকে পিওন নুর ইসলাম ওরফে নুরুর মাধ্যমে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানি করে অধ্যক্ষ সিরাজ। ওই সময় নুসরাতের দুই বান্ধবী ফুর্তি ও নিশাত অধ্যক্ষের কক্ষের বাইরে অবস্থান করছিল। ফুর্তি ও নিশাতকে কক্ষের বাইরে থাকতে বলেন অধ্যক্ষ সিরাজ। এক পর্যায়ে পিওন দীর্ঘ সময় পর অধ্যক্ষের কক্ষে গিয়ে দেখতে পায় নুসরাত ফ্লোরে মাথা নিচু করে কান্নাকাটি করছে। নুর ইসলাম নুসরাতকে বের করে নিয়ে আসার পর বাড়ি গিয়ে ঘটনাটি সে তার মাকে জানায়। অধ্যক্ষের অপকর্মের কথা শুনে প্রতিবাদ জানাতে ছোট ছেলে রায়হানকে নিয়ে মাদ্রাসায় আসে নুসরাতের মা। বিপদ আঁচ করতে পেরে সিরাজ বিয়ষটি ধামাচাপা দিতে মাদ্রাসা কমিটির সদস্য ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদকে মাদ্রাসায় ডেকে আনে। একই সময় ছাত্র নুর উদ্দিন, জুবায়ের, সাহাদাত হোসেন শামিমসহ কয়েকজনকে লাঠিসোটা নিয়েও আসতে বলে। তাদেরকে নির্দেশ দেওয়া ছিলো নুসরাতের ভাই রায়হানকে মারপিট করা। একই সময় অধ্যক্ষ সিরাজ সোনাগাজি থানা থেকে পুলিশও নিয়ে আসে নুসরাতের মা ও ভাইকে ধরিয়ে দিতে। তবে শ্লীলতাহানীর ঘটনাটি প্রমাণিত হওয়ায় অধ্যক্ষ সিরাজকে পুলিশ আটক করে। এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে ম্যানেজিং কমিটির কতিপয় সদস্য, স্কুলের শিক্ষক এবং মাদ্রাসাছাত্রদের একাংশ। এর আগে নুসরাতকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হওয়ায় সোনাগাজি মাদ্রাসার ছাত্রলীগ সভাপতি শামিম চেয়েছিলো নুসরাতকে শাস্তি দিতে।

শ্লীলতাহানীর মামলাও তদন্ত করবে পিবিআইঃ পিবিআইয়ের ডিআইজি জানান, হত্যা মামলার সঙ্গে শ্লীলতাহানীর মামলার যোগসূত্র থাকায় শ্লীলতাহানীর মামলাটিও তদন্ত করবে পিবিআই।

আরও এক আসামীর ৭ দিনের রিমান্ড

নুসরাত জাহান রাফিকে (১৮) কেরোসিন ঢেলে হত্যা মামলার ৬ নম্বর আসামী জাবেদ হোসেনকে ৭ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। শনিবার ফেনী সদর আমলি আদালতের অবকাশকালীন বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন।

কোর্ট ইনসপেক্টর গোলাম জিলানী জানান, সোনাগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর গায়ে আগুন দেয়ার ঘটনায় আটক জাবেদ হোসেনকে আদালতে তুলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পদির্শক (ওসি) মো. শাহ আলম ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত তাকে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডে আছে যারা:

গ্রেপ্তারকৃত ১৩ জনের মধ্যে শনিবার জাবেদ হোসেনসহ মোট ১০ জন রিমান্ডে রয়েছে। এদের মধ্যে ৯ এপ্রিল মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক সরাফ উদ্দিন আহম্মেদের আদালত আদালতে নুর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন ও শাহিদুল ইসলামকে ৫দিন, পরদিন ১০ এপ্রিল অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ দৌলাকে ৭ দিন, আবছার উদ্দিন ও আরিফুল ইসলামকে ৫ দিন ও ১১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার একই আদালত উম্মে সুলতানা পপি ও যোবায়ের হোসেনকে ৫দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন একই আদালত।

গ্রেপ্তারকৃতরা হল:

নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত আট আসামীর মধ্যে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও পিবিআই। ছয়জন রয়েছে সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার। ৭ নং আসামী হাফেজ আব্দুল কাদের পলাতক। পুলিশ ও পিবিআই এখন পর্যন্ত ১৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হল (আসামীর ক্রমে) মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা, মাদরাসার ছাত্র নুর উদ্দিন, মাদরাসার ছাত্রলীগ সভাপতি শাহাদাত হোসেন শামিম, সোনাগাজী পৌর কাউন্সিলর ও আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাকছুদ আলম, জোবায়ের আহম্মেদ, জাবেদ হোসেন, মাদরাসার ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক আবছার উদ্দিন এবং সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার রাফির সহপাঠি আরিফুল ইসলাম, শ্যালিকার মেয়ে উম্মে সুলতানা পপি, নুর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ জনি, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন ও শাহিদুল ইসলাম।

ভূমি অফিসগুলোতে ঘুষ ছাড়া সেবা মিলে না

বাকী বিল্লাহ ও সাইফ বাবলু

image

ভূমি অফিসগুলোতে দুর্নীতি ও হয়রানি সীমাহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঘুষ ছাড়া ভূমি অফিসে কোন সেবা পাওয়া যায় না। দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যের কাছে সেবাপ্রার্থীরা রীতিমতো জিম্মি হয়ে পড়েছেন। ইউনিয়ন

নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই ভেঙে পড়েছে কচুয়া-গৌরিপুর সড়ক!

শাহ মোহাম্মদ মাকসুদুল আলম, চাঁদপুর

image

গৌরিপুর-কচুয়া-হাজীগঞ্জ-লক্ষীপুর সড়কটি লক্ষীপুর, চাঁদপুর, শরীয়তপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের জনগনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম

বেইলি সেতু বিধ্বস্ত এক মাস! যোগাযোগ বিচ্ছন্ন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, চাঁদপুর

image

হাজীগঞ্জ-ফরিদগঞ্জ সড়কের গুরুত্বপূর্ণ কামতা বেইলী সেতু গত এক মাস ধরে হেলে পড়ায় দুই উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। 

sangbad ad

রোহিঙ্গার পেটে ইয়াবা!

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৯ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গাকে আটক করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

ফোনে উচ্চস্বরের বক্তা সেই ঘাতক আটক!

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকার অদূরে টঙ্গি থানার আরিচপুর এলাকায় ছুরিকাঘাত করে চুন্নু ভূইয়া নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার প্রধান

চোখের সামনে বাস পিষে মারল পঙ্গু স্বামীকে

প্রতিনিধি, ফুলপুর (ময়মনসিংহ)

image

ঢাকা থেকে স্ত্রী পারুল আক্তারকে নিয়ে ঈদুল ফিতরের ছুটিতে শ্বশুরবাড়িতে ঈদ করে ঢাকায় ফিরতে চেয়েছিলেন পুঙ্গ ড্রাইভার সালাউদ্দিন।

রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই ঘটছে এসি বিস্ফোরণ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই ঘটছে এসি বিস্ফোরণ। বিশেষজ্ঞরা বলছে, এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই। রাজধানীর শনির আখড়ায়

বিএসএমএমইউ’র ৬৭ ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও রেজিস্ট্রারকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় আন্দোলনকারী

নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়নি : গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আমাদের দেশের নিরাপত্তা বাহিনী নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। এ জন্যই কল্পনা চাকমার মতো নুসরাত, তনু ও তানিয়ার হত্যা

sangbad ad