• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

 

কালিহাতীর মুড়ির খ্যাতি দেশজুড়ে : লাভ মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ২০ মে ২০১৯

সংবাদ :
  • দাস পবিত্র, কালিহাতী (টাঙ্গাইল)
image

পবিত্র রমজান মাসের ইফতারির রকমারি উপাদানের মধ্যে মুড়ি অত্যাবশকীয়। মুড়ির চাহিদা সারাবছর ব্যাপী থাকলেও রোজার সময় উৎপাদন এবং বিক্রি বহুগুণে বেড়ে যায়। তাই মুড়ি ব্যবসায়ীরা বছর জুড়ে অপেক্ষায় থাকেন রমজান মাসের জন্য। আবার অনেকে সিজনাল ব্যবসা হিসেবে এই মাসে মুড়ি উৎপাদন এবং বিক্রি করে থাকেন। এখন মুড়ি তৈরির কারিগর ও ব্যবসায়ীদের দম ফেলার ফুসরত নেই।

টাঙ্গাইলসহ দেশের ১০ জেলায় মুড়ি সরবরাহ হয় কালিহাতীর নারান্দিয়া থেকে। এখানকার উৎপাদিত মুড়ির সুনাম বিভিন্নস্থানে। মুড়ি উৎপাদনের সঙ্গে নারান্দিয়ার মানুষ অনেক পূর্বে থেকেই জড়িত। এখানে দুইভাবে মুড়ি উৎপাদিত হয়, হাতে ভেজে ও মেশিনের সাহায্যে। মুড়ি উৎপাদনকারি এলাকাগুলোর মধ্যে টাঙ্গাইল জেলায় নারান্দিয়া শীর্ষে। উপজেলার নারান্দিয়ায় ৫টি মিলে মেশিনের সাহায্যে এবং শতাধিক বাড়িতে হাতে ভেজে মুড়ি উৎপাদিত হয়। মেশিনের সাহায্যে মুড়ি উৎপাদন নতুন সংযোজন হলেও হাতে ভেজে মুড়ি তৈরি এবং বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন বহু পরিবার অনেক আগে থেকেই। বিশেষ করে মোদক সম্প্রদায়।

নারান্দিয়া ইউনিয়নের নগরবাড়ীতে ২টি, দৌলতপুরে ২টি মোট ৪টি মিলে ৫টি মেশিনের সাহায্যে মুড়ি ভাজা হয়। সততা মুড়ির মিলের স্বত্বাধিকারী শংকর চন্দ্র মোদক বলেন, ৫০ কেজি চালের বস্তায় ৪৪-৪৫ কেজি মুড়ি হয়। প্রতি কেজি মুড়ি আমরা ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি করি। পাইকাররা আবার সেই মুড়ি প্রতি কেজি কমপক্ষে ৬৫-৭৫ টাকা দরে খুচরা বিক্রি করেন। রমজান মাসে প্রতিদিন ৫টি মিলে ১৫০ বস্তারও বেশি চালের মুড়ি উৎপাদিত হচ্ছে। প্রায় ৪ লাখ টাকার মেশিনে ভাজা মুড়ি প্রতিদিন কেনাবেচা হয় এই এলাকায়।

এদিকে মেশিনের সাহায্যে বিপুল পরিমান মুড়ি প্রতিনিয়ত উৎপাদিত হলেও হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। মেশিনে ভাজা মুড়ি সাদা ও লম্বা করতে ক্ষতিকর রাসায়নিক ইউরিয়া কিংবা সোডা ব্যবহারের অভিযোগ থাকায় একশ্রেণীর মানুষ সর্বদাই বিষমুক্ত হাতেভাজা মুড়ি খেয়ে থাকেন। কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া, মাইস্তা, নগরবাড়ী, দৌলতপুর, লুহুরিয়া ও সিংহটিয়াসহ প্রায় পনেরটি গ্রামের কয়েক’শ পরিবার হাতে ভেজে মুড়ি তৈরি করে থাকে। একজন ব্যক্তি ১ দিনে এক থেকে দেড় মণ চালের মুড়ি ভাজতে পারেন। প্রতি মণ চালে ২২ থেকে ২৩ কেজি মুড়ি হয়। প্রতি কেজি মুড়ি পাইকারি ৫৫-৬৫ টাকা এবং খুচরা ৭০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। মূলত গ্রামের মহিলারাই হাতে ভেজে গুণগত মানসম্মত মুড়ি তৈরি করেন।

দৌলতপুর গ্রামের মিনতি রানী নামের এক মহিলা বলেন আমরা বংশ পরম্পরায় এই মুড়ি ভাজা ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ধান সিদ্ধ করে রোদে শুকানোর পর আবার সেই ধান মেশিনে মাড়াই করে মুড়ি ভাজার জন্যে চাল তৈরি করা হয়। পরে সেই চাল দিয়ে লবণ জলের মিশ্রণে আগুনে তাপ সহ্য করে বিশুদ্ধ মুড়ি ভাজতে অনেক পরিশ্রম হয়। কিন্তু এবার বাজার দর অন্য বছরের চেয়ে একটু ভাল। অনেক সময় গ্রাহকদের চাহিদার তুলনায় হাতে ভাজা মুড়ি তৈরি এবং সরবারহ কম হয়। তাদের দেয়া তথ্যমতে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ টাকার হাতে ভাজা মুড়ি উৎপাদন এবং কেনাবেচা হয়। তবে পরিশ্রমের লাভ বেশির ভাগই চলে যায় মধ্যসত্বভোগীদের পকেটে। রমজান মাসে দূর-দূরান্ত থেকে পাইকাররা পিকআপ, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনে বস্তাভর্তি মুড়ি কিনে টাঙ্গাইলের প্রত্যন্ত এলাকায় বিক্রি করেন। যাতায়াত ব্যবস্থা ভাল থাকায় পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জ, ঢাকা, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, বগুড়া, শেরপুর ও গাজীপুরে নারান্দিয়ার মুড়ি সরবারহিত হয়।

লোকনাথ মুড়ির মিলের স্বত্বাধিকারী সুনিল চন্দ্র মোদক বলেন আমরা অনেক সময় মোবাইলেও মুড়ির অর্ডার নিয়ে সরবরাহ করে থাকি। তাছাড়া নির্দিষ্ট বাজারে স্থায়ী গ্রাহকরা মুড়ি ক্রয় করে থাকেন। রমজানে ৬ লক্ষ টাকার মুড়ি প্রতিদিন মেশিনে ও হাতে ভেজে তৈরি হলেও বছরের অন্য সময়ে অর্ধেকে নেমে আসে। ৪টি মিলে ৪০জন শ্রমিক এবং শতাধিক পরিবার প্রত্যক্ষভাবে ও বিপুলসংখ্যক মানুষ পরোক্ষভাবে মুড়ি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থেকে তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন। ফলে রমজানে কাজের চাপে দম ফেলার সময়টুকু পায়না মুড়ি উৎপাদনকারীরা। তবে প্রযুক্তির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছেন না হাতে ভাজা মুড়ি উৎপাদনকারীরা। মেশিনে মুড়ির ভাজতে সময় কম লাগে কিন্তু তুলনামূলকভাবে লাভ বেশি। অন্যদিকে হাতে মুড়ি ভাজতে সময় বেশি লাগে কিন্তু লাভ সামান্য। ফলে হাতে ভাজা মুড়ি উৎপাদনকারীরা দিনদিন এই কাজ ছেড়ে অন্য পেশায় ধাবিত হচ্ছেন এবং অনেকেই চলে গেছেন। এই পেশাকেই টিকিয়ে রাখতে উৎপাদনকারী এবং ব্যবসায়ীরা সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ বলেন নারান্দিয়ার হাতে ভাজা বিশুদ্ধ মুড়ির চাহিদা দেশজুড়ে। তাদের টিকিয়ে রাখতে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলে বছরে আয় ২ হাজার কোটি টাকা

মাহফুজ উদ্দীন খান, চুয়াডাঙ্গা

image

দেশের মধ্যে বিশ্ববিখ্যাত ব্লাক বেঙ্গল বেশি পালন করায় চুয়াডাঙ্গা জেলাকে ব্র্যান্ড হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রোগ বালাই কম ও লাভজনক

লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার হেক্টর ছাপিয়ে যাবে পিয়াজ আবাদ

আব্দুল হান্নান, সদরপুর (ফরিদপুর)

image

চলতি রবি মৌসুমে দেশে পিয়াজ-রসুনের পরিচর্যা করতে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকেরা। চলতি মৌসুমে পিয়াজের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে

লাল-সবুজের ফেরিওয়ালা ফজলু

প্রতিনিধি, আদমদীঘি (বগুড়া)

image

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের বিজয় দিবস উপলক্ষে ফেরি করে জাতীয় পতাকা বিক্রি শুরু হয়েছে। ডিসেম্বরের শুরু

sangbad ad

এলাকাবাসীর স্বউদ্যোগে কাঠের সেতুতে জীবন ঝুঁকির অবসান

আতাউর রহমান, ভালুকা (ময়মনসিংহ)

image

ভালুকার ঝালপাজা গ্রামে খীরু নদীর ওপর প্রায় দেড়শ ফুট লম্বা একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এলাকাবাসী। ভালুকার

আওয়ামী লীগ নেতা ও বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বন উজাড়ের অভিযোগ

শামসুল ইসলাম সহিদ, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)

image

বনের জায়গা দখল করে অবাদে নির্মিত হচ্ছে ঘর বাড়ি। এতে বনের জায়গা কমে পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ

ব্যাংক থেকে ১১৫ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে দম্পতি উধাও

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সাউথ ইস্ট ব্যাংকের নওগাঁ শাখা থেকে ব্যবসার জন্য ১১৫ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার পর দেশ ছেড়ে পালিয়েছে এক ব্যবসায়ী দম্পতি। ব্যবসায়ী

বাব-দাদার দান বলে স্কুল মাঠের মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধান শিক্ষক

প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম

image

উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুরুষাফেরুষা খন্দকার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান নিজের নিচু

শিবচরে শেখ হাসিনা তাঁতপল্লীতে খুঁজে পাওয়া যায় না ১৯’শ কোটি টাকা!

প্রতিনিধি, শিবচর (মাদারীপুর)

image

শিবচরে শেখ হাসিনা তাঁত পল্লীতে কোটি টাকার দুর্নীতি অভিযোগ উপজেলা প্রশাসনের তদন্তে প্রমাণও মিলেছে। ক্ষতিপূরণের তালিকায় বেশকিছু

নিষেধাজ্ঞা ও স্বাস্থ্য হুমকি উপেক্ষা করে মৎস্য ঘেরে মুরগির খামার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, বরিশাল

image

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছের খাদ্য হিসেবে বরিশালের অধিকাংশ

sangbad ad