• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ২৭ মে ২০২০

 

নীলফামারীতে বোরো সংগ্রহ অভিযান

কর্তা-সিন্ডিকেট মিলে অস্তিত্বহীন ও পরিত্যক্ত মিলের সঙ্গে চুক্তি!

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সংবাদ :
  • জেলা বার্তা পরিবশেক, নীলফামারী
image

নীলফামারী : চাল সরবরাহের জন্য চুক্তিবদ্ধ শতাধিক পরিত্যক্ত চাতালের একটি-সংবাদ

বোরো সংগ্রহ অভিযানকে পুজি করে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট নীলফামারীর জলঢাকা, ডোমার, ডিমলা ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় তৈরী করেছে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য। সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের আশির্বাদপুষ্ট এ সিন্ডিকেট চুক্তির অযোগ্য তিনশ’১১টি হাসকিং মিলকে খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ করে দিয়ে বাগিয়ে নিয়েছে ছয় হাজার নয়শ’ ৫১মেট্রিক চাল সরবরাহের বরাদ্দ। এতে চুক্তির অযোগ্য এসব হাসকিং মিল মালিক সিন্ডিকেট চক্রটি দুর্নীতির মাধ্যমে সাড়ে তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে ওই চার উপজেলার চুক্তিবদ্ধ তিনশ’ ১১টি হাসকিং মিলের মধ্যে শতাধিক মিল ঘুরে ভাঙ্গাচোরা চাতাল, ব্যবহার অযোগ্য হাউজ ও নষ্ট বয়লার দেখা গেছে। অনেক মিলের চাতাল ঘাস ও আগাছায় পরিপুর্ন। নষ্ট বয়লারকে বাঁশের খুটির সঙ্গে বেধে রাখা হয়েছে। ধান ভেজানোর কিছু সংখ্যক হাউজ কাঁদা পানিতে পরিপুর্ন ও কিছু সংখ্যক হাউজ আধা ভাঙ্গা যা ব্যবহার অযোগ্য। একটি মিলেও ধান সিদ্ধ করার জন্য কোন চুলো নেই। জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের রুনা লায়লা চৌধুরীর এম এস হাসকিং মিল, একই ইউনিয়নের আব্দুল গফুরের গফুর হাসকিং মিল, রেজাউল করিমের নিশাত হাসকিং মিল, কাজিরহাট এলাকার মোজাম্মেল হকের ভাই ভাই হাসকিং মিল, একই এলাকার অহিদুল ইসলামের বিথি হাসকিং মিল, বড়ঘাট এলাকার সৈয়দ আলীর নাসির হাসকিং মিল ও একই এলাকার সরিফুল ইসলামের লাকী হাসকিং মিলের কোন অস্তিত্ব নেই। অস্তিত্বহীন এসব মিল খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে বাগিয়ে নিয়েছে বরাদ্দ।

এ ছাড়াও অহিদুল ইসলামের এম ডাব্লিউ আর নামে একটি অটো রাইচ মিল ও সৈয়দ আলী গংদের নামে রয়েছে পৃথক দু’টি অটো রাইচ মিল। তারা অটো রাইচ মিলের বরাদ্দের পাশপাশি নীতিমালা বহির্ভুত অস্তিত্বহীন হাসকিং মিলের নামেও নিয়েছেন বাড়তি বরাদ্দ। অস্তিত্বহীন হাসকিং মিলে বরাদ্দ দেয়ার পেছনের মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। সংগ্রহ নীতিমালাকে পাশ কাটিয়ে খাদ্য বিভাগের অসাদু কর্মকর্তাদের পৃষ্টপোষকতায় শক্তিশালী সিন্ডিকেট এভাবে বরাদ্দ নিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে কাড়ি কাড়ি টাকা। অভিযোগে জানা গেছে, ওই চার উপজেলায় তিনশ’ ১১টি হাসকিং মিল মালিকরা চাল সরবরাহের আদেশপত্র পেয়ে তা অটো রাইচ মিল মালিকদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। প্রতি কেজি চালের মুনাফা বাবদ পাঁচ টাকা থেকে সাড়ে পাঁচ টাকা করে অটো রাইচ মিল মালিকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন এসব হাসকিং মিল মালিক। এভাবে তিনশ’ ১১টি হাসকিং মিল মালিক সিন্ডিকেট ছয় হাজার নয়শ’ ৫১মেট্রিক টন চালে হাতিয়ে নিয়েছেন সাড়ে তিন কোটি টাকা। এ বিপুল পরিমাণ মুনাফার অংশ থেকে সংশ্লিষ্ট খাদ্য কর্মকর্তাগণ নিয়েছেন অর্ধকোটি টাকা।

জেলা খাদ্য বিভাগের তথ্য মতে, জলঢাকা উপজেলার একশ’ ২৭টি মিলের অনুকূলে এক হাজার সাত শ’ ৭৫ মেট্রিক টন, ডোমারে একশ’ ৪৭টি মিলের অনুকূলে দুই হাজার তিনশ’ ৩ মেট্রিক টন, ডিমলায় একশ’ ১৬টি মিলের অনুকূলে এক হাজার আটশ’ ৫ মেট্রিক টন ও কিশোরগঞ্জে ২১টি মিলের অনুকূলে নয়শ’ ৮৫ মেট্রিক টন চাল খাদ্য বিভাগের সরবরাহের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। এ সংগ্রহ অভিযান গত ২৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে শেষ হয়েছে চলতি মাসের ১৫ অক্টোবর।

এ ব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, হাসকিং মিলগুলোর সক্ষমতা যাচাইয়ে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর হাসকিং মিলগুলোতে বরাদ্দ দেয়া হয়। এ কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা। চাল ছাটাইয়ে সক্ষমতাহীন হাসকিং মিলের অনুকূলে বরাদ্দ হলে এর দায়ভার বর্তায় কমিটির ওপর। এরপরেও আমি নিজে বেশ কিছু মিল পরিদর্শন করেছি। আমার তদন্তে সেব মিলের সক্ষমতা পাওয়া যায়নি তার সঙ্গে চুক্তি করা হয়নি। বরাদ্ধ দেয়ার অনেক পরে জানতে পেরেছি চুক্তিবদ্ধ অধিকাংশ মিলের সক্ষমতা নেই। তখন তো আর করার কিছুই থাকে না। অনেক হাসকিং মিল মালিক সিন্ডিকেটের কাছে বরাদ্ধপত্র বিক্রি করে দেয়ার বিষয়টিও পরে জেনেছি। তবে বোরো সংগ্রহ মৌসুমে যেসব অনিয়ম হয়েছে আসন্ন আমন মৌসুমে আর কোন অনিয়ম হবে না।

বিকন ফার্মার এমডি সাংসদ এবাদুল করিম বুলবুল করোনায় আক্রান্ত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংসদ মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তার বড় ভাই ওরিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওবায়দুল করিম মঙ্গলবার রাতে এ খবর জানান।

সিলেটে বিভাগে আরও ৪১ জনের করোনা শনাক্ত

প্রতিনিধি, সিলেট

image

সিলেট বিভাগে আরও ৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সোমবার ঢাকা, সিলেট ও ময়মনসিংহের তিনটি ল্যাবে পৃথক পরীক্ষায় ৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১৯, সুনামগঞ্জে ৯, হবিগঞ্জে ৫ ও মৌলভীবাজারে ৮ জন রয়েছেন। এ নিয়ে বিভাগে করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৬৯৭ জনে। বিভাগের চার জেলার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আনিসুর রহমান।

চলে গেলেন ডেপুটি স্পিকারের স্ত্রী আনোয়ারা রাব্বী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সহধর্মিনী আনোয়ারা রাব্বী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। আজ মঙ্গলবার ২৬ মে বেলা পৌনে ১১টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৭ বছর।

sangbad ad

মির্জাপুরে এক পুলিশ সদস্যসহ ৬ জনের করোনা শনাক্ত

প্রতিনিধি, মির্জাপর (টাঙ্গাইল )

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ঈদের দিনেএক পুলিশ সদস্যসহ ৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সোমবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম। গত ২০ মে

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী করোনা আক্রান্ত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত অ্যান্টিজেন কিট দিয়ে

এ এক অন্যরকম ঈদ

ওয়ালিয়ার রহমান

image

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। আজ নেই আনন্দ, নেই হাসিমুখ, নেই আতরের গন্ধমাখা হাসিমুখের কোলাকুলি। এ যেন এক অন্যরকম ঈদ। করোনাভাইরাসের কারণে আতঙ্ক নিয়ে আজ আমরা এমন ঈদ উদযাপন করছি । যা আগে কেউ দেখেনি।

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা : সংবাদ সম্পাদক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দৈনিক সংবাদের সকল পাঠক, লেখক, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভাকাঙ্খী ও শুভানুধ্যায়ীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা । ঈদ সবার জীবনের বয়ে আনুক অনাবিল সুখ আর আনন্দ-সম্পাদক

করোনায় মারা গেলেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি হাজী মকবুল

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি হাজী মকবুল হোসেন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। ২৪ মে রোববার রাত ৯টার দিকে রাজধানীর একটি

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের মা ও ছেলে করোনায় আক্রান্ত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়িক গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের মা ও ছেলেরও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। শনিবার বিআইটিআইডির ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় সাইফুলের মা চেমন আরা বেগম (৮৫) এবং ছেলে ইউনিয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসানুল আলমের (২৬) করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে বলে তার ভাগ্নে আরিফ আহমেদ জানান।

sangbad ad