• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রোববার, ৩১ মে ২০২০

 

ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠায় বিরোধীদেরকেই টার্গেট : চার জঙ্গি গ্রেফতার

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

রাজধানীর গাবতলী ও আমিনবাজার এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তারা হলো, মুফতি সাইফুল ইসলাম (৩৪), সালিম মিয়া (৩০), জুনায়েদ (৩৭) ও আহম্মেদ সোহায়েল (২১)। ২০ অক্টোবর রোববার রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে আনসার আল ইসলাম এর বিভিন্ন ধরনের উগ্রবাদী সম্পর্কিত বই, ভিডিও, কবিতা, বয়ান, লিফলেটসহ মোবাইল, ল্যাপটপ ও চাপাতি উদ্ধার করা হয়। সোমবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক মোজাম্মেল হক।

তিনি জানান, জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম ফের টার্গেট কিলিংয়ের পরিকল্পনা করছে। চার জঙ্গি সদস্য এখন আনসার আল ইসলামের হয়ে কাজ করলেও আগে তারা হরকাতুল জিহাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল। পরবর্তীতে হরকাতুল জিহাদ ভেঙে গেলে আনসার আল ইসলামে যোগদান করে। জঙ্গিরা টার্গেট কিলিংয়ের পরিকল্পনা করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠায় যারা বিরোধ সৃষ্টি করতে চায়, শাস্তি হিসেবে টার্গেট কিলিং করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। এজন্য তারা নিজেদের কাছে চাপাতি রাখতো। এছাড়া, তাদের সঙ্গে আমরা আরও ২০-২৫ জন জঙ্গি সদস্যদের সঙ্গে পেয়েছি। তাদের সবাইকে আটকের চেষ্টা চলছে।

গ্রেফতারকৃত মুফতি সাইফুল ইসলাম জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, সে উত্তর বাড্ডায় একটি নৈশ মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে। ছাত্র জীবনে সে হরকাতুল জিহাদের সাথে যুক্ত ছিল। হরকাতুল জিহাদ নিষিদ্ধ ঘোষিত হলে তিনি তার সক্রিয়তা কমিয়ে দেয়, কিন্তু সবসময় সে সশস্ত্র জঙ্গিবাদ এ অংশ গ্রহনে আগ্রহী ছিল। অন্যদিকে তার প্রাক্তন ছাত্র সেলিমের সহায়তায় একজন সক্রিয় আনসার আল-ইসলাম এর সদস্যের সাথে পরিচিত হয়। ঐ ব্যক্তি তাকে আনসার আল-ইসলামের দাওয়াত দেয় এবং বিভিন্ন বই, লিফলেট ও ভিডিও সরবরাহ করে। এমনকি সংগঠনের প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্য বিভিন্ন প্রটেক্টিভ সফটওয়্যার ও মোবাইল এ্যাপস সম্পর্কে হাতে কলমে শিক্ষা দেয়। সে শীর্ষ জঙ্গিদের মধ্যে একজন, তার ল্যাপটপ এবং মোবাইল থেকে বিভিন্ন উগ্রবাদি ডিজিটাল কন্টেন্ট পাওয়া গিয়েছে।

গ্রেফতারকৃত জঙ্গি সালিম মিয়া বর্তমানে হাজারীবাগে বসবাস করে। সে ২০০৪ সালে প্রথম ঢাকায় আসে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী শেষে বর্তমানে সে একটি লিফট কোম্পানীতে কালেকশনের কাজ করে। ২০১৩ সালে নৈশ মাদ্রাসায় পড়তে গিয়ে সাইফুল হুজুরের সাথে তার প্রথম পরিচয় হয়। সাইফুল হুজুর বিভিন্ন সময়ে উগ্রবাদের কথা বলে। পরবর্তীতে এক ব্যক্তির সাথে তার পরিচয় হয়। সে আনসার আল-ইসলামের একজন সক্রিয় সদস্য। সে আনসার আল-ইসলামের বিভিন্ন ভিডিও, বইপত্র, মোবাইল এ্যাপস সংগ্রহ করতো এবং সংগঠন পরিচালনা ও ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রতি মাসে চাঁদা দিয়ে আসছে।

গ্রেফতারকৃত জুনায়েদ হোসেন জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, তার বাড়ী মুন্সিগঞ্জে হলেও বর্তমানে সে সাভার থানার অন্তর্গত হেমায়েতপুরে একটি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং শিক্ষক। ২০১৪ সালে সে তার মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে। ছাত্র জীবনে সে হরকাতুল জিহাদের সাথে যুক্ত ছিল। জুলাই ২০১৯ জনৈক মাহফুজের মাধ্যমে সাইফুল ও সোহায়েলের সাথে তার পরিচয় হয়। সাইফুলের কাছ থেকে আনসার আল-ইসলামের সক্রিয়তা সম্পর্কে জানতে পেরে সে সাইফুলের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতো এবং তার স্থাপিত মাদ্রাসায় সাইফুল, জনৈক মাহফুজের নিয়মিত মিটিং চলছিল।

গ্রেফতারকৃত আহম্মেদ সোহায়েল একটি মাদ্রাসার মিসকাত জান্নাত শ্রেণীর একজন ছাত্র। সে মাহাদি নামক এক ব্যক্তির সাথে এ্যাপস্ এর মাধ্যমে আনসার আল ইসলাম দল সম্পর্কে প্রথম জানতে পারে এবং তাদের কাজে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ দলে যোগদান করে। সে প্রায় ৩ বৎসর যাবত এই সংগঠনের সাথে জড়িত। পরবর্তীতে সে আনসার আল ইসলাম শীর্ষ নেতার সাথে অনলাইন গ্রুপের মাধ্যমে পরিচিত হয় এবং নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে আসছিল।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, তারা গনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার বিপক্ষে, তাদের মতে এই ব্যবস্থা তাগোদি বা বাতিল, তারা ইসলামি শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে চায়। ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠায় যারা প্রতিহত বা বিরোধ সৃষ্টি করে তাদের চূড়ান্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা। দেশের প্রচলিত শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠা করাই আনসার আল ইসলামের মূল উদ্দেশ্য। তাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতাকারীদের উপর তারা আকস্মিক আক্রমন করে কঠোর শাস্তি বা টার্গেট কিলিং করে থাকে। টার্গেট কিলিং এর ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় আগ্নেয়াস্ত্রের পরিবর্তে চাপাতি ব্যবহার করে। জঙ্গি তৎপরতা, প্রশিক্ষণ ও করনীয় সম্পর্কে তারা নিজেদের মধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। নিয়মিত ভাবে তাদের সদস্যদের কাছ থেকে মেহেনতের মাধ্যমে ইয়ানত সংগ্রহ করে। তারা নির্ধারিত ফর্মেটে সাপ্তাহিক প্রতিবেদন ও অগ্রগতি আমির এর নিকট দাখিল করে।

রবি-সোমবারের মধ্যে সচল হচ্ছে সবধরনের গণপরিবহন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে দীর্ঘ ২ মাস ৪ দিন বন্ধ থাকার পর ৩১ মে রোববার থেকে চালু হচ্ছে দূরপাল্লার লঞ্চ ও আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস

বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ভেসে গেলো কৃষকের সোনালী স্বপ্ন

প্রতিনিধি, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)

image

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একদিকে করোনার প্রভাবে শ্রমিক সংকট আরেকদিকে জোয়ার ও টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির পানিতে কৃষকের স্বপ্ন

ভেঙ্গে পড়ে রাস্তাও যেন সাক্ষ্য দিলো পূর্বের সব অভিযোগের

প্রতিনিধি, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)

image

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অনিয়মের অভিযোগ উঠা প্রায় সাত কোটি টাকা ব্যয়ে

sangbad ad

গ্রামে গ্রামে শোকের মাতম

সংবাদ ডেস্ক

image

স্বপ্ন নিয়ে দালালের হাত ধরে গিয়েছিলেন তারা লিবিয়ায়। পৈত্রিক সম্পত্তি

১৯১ জন পোশাক শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দেশের তৈরি পোশাক খাতের ৯০টি কারখানায় ১৯১ জন পোশাক শ্রমিক

পদ্মা সেতুতে বসলো ৩০তম স্প‌্যান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যেও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ। শনিবার পদ্মা সেতুতে বস‌ানো হলো ৩০তম স্প্যান। সকাল

নোয়াখালীতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ৯৬

প্রতিনিধি, বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী)

নোয়াখালীতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় ২৪৮টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে নতুন করে আরও ৯৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনিবার সকালে জেলা সিভিল সার্জন অফিস ও তথ্য অফিস সৃত্র এ তথ্য জানায়।

লিবিয়ায় নিহত লাল চাঁদের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

লিবিয়ায় অপহরণকারিদের হাতে গত বৃহস্পতিবার নিহত ও আহতদের মধ্যে দুজনের বাড়ি মাগুরার নারায়নপুর গ্রামে। নিহত লাল চাঁদ শেখ মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামের ইউসুফ শেখের ছেলে।

কেশবপুরে সাগরদাঁড়ি সড়কের লাখ টাকার গাছ লুটের অভিযোগ

প্রতিনিধি, কেশবপুর (যশোর)

কেশবপুরে সাগরদাঁড়ি সড়কে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে উপড়ে পড়া বিভিন্ন প্রজাতির লক্ষাধিক টাকার গাছ একটি সংঘবদ্ধ চক্র কেটে নিয়ে আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা চুরি যাওয়া কাঠের কিছু অংশ উদ্ধার করলেও চোরচক্রের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এলাকাবাসি মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

sangbad ad